Verified reviews from Bajaj EV owners. Know the pros and cons from real riders.
Bajaj Pulsar 150
একটা বাইকের খুব শখ ছিল তাই আব্বুই বাইকটি কিনে দিয়েছিলেন।বাইকি দেখতে খুবই সুন্দর এবং ব্যবহার করে খুবই আরাম দায়ক।তবে জ্বালানি প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খরচ হতো। ব্রেকিং সিস্টেম অত্যন্ত ভালো ছিল। কোম্পানির ফ্রি সার্ভিস ছাড়া তেমন কোন সার্ভিস করার প্রয়োজন পরে নি ।
Pulsar 150 Twin Disc ABS
মাইলেজ কমফ্রোট সব কিছু মিলিয়ে আমার কাছে খুব ভালো।
Bajaj Pulsar 150 Twin Disc
আমি ভ্রমন ভালোবাসি যার জন্যই বাইক টা কেনা। বাবা এবং মায়ের হাত ধরেই বাইকটি কেনা হয়েছে।এর অনেক ভালো দিক আছে।যেটা অন্যান্য বাইকের থেকে এক্সিডেন্ট এর রেকর্ড অনেক টাই কম। খারাপ দিকের মধ্যে হচ্ছে এর ওজন টাই একটু বেশি।মাইলেজ মোটামুটি ভালোই দেয়।৪৮ kmh পাই এভারেজে।পিকআপ টা একটু কম কিন্তু ব্রেক কন্ট্রোল টা অনেক ভালো।যেই দিকটা আমার বেশি মন কেড়েছে।সার্ভিস টা একটু বেশিই প্রয়োজন হয় এবং খরচ টাও একটু বেশি।তারপরেও বাইক টা অন্যান্য বাইকের থেকে আমার কাছে বেশি কম্ফোর্টেবল।
Bajaj Pulsar 150
Its very good looking bike and it's has a good resell value and all parts are available in market at low price
Bajaj Pulsar 150
বাইক কেনা শখের বসে এখন তা জীবনের অংশ।বাইক কেনাটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল অল্প অল্প করে টাকা জমিয়ে স্বপ্ন কিনেছি বাইকের ভালো দিক স্পেয়ার পার্টস,মাইলেজ কন্ট্রোলিং। মন্দ দিক বলতে বেশি আরএমপি এ ফুড পেগ-এ ভাইব্রেশন হয়। এই বাজেট অনুযায়ী পালসার এর মাইলেজ ভালো রেডি পিকআপ একটু কম হলেও কমফোর্ট খুব ভালো। ব্রেকিং এ চাকা মাঝে মাঝে স্কিট করে যা সহনীয়। বাজাজ পালসার এর সার্ভিস এবং স্পেয়ার পার্টস এর ব্যাপারে আমি সন্তুষ্ট।
Bajaj Pulsar 150
I love my bike. Its one of the stylish motorcycle in its segment.
Bajaj Discover 125 Disc
My dream comes true on November 2020, when I receive the bike from showroom.That night we celebrate the occasion with family. Then every weekend we try to move out here and there. In 2021 I took my first long ride to valuka, mymensing and sokhipur, stayed one night at CP chicken firm. In 2022 Eid UL Fitr, I took it to Dhaka to Khulna for the first time. And in May month again went to Khulna at night via Magura, Arpara road through Bashundia, Noapara and return back to Dhaka via gopalgonj and Mawa express way. Our dream comes true this year 25th June the long awaiting Podda bridge 🌉 will open and I am feeling lucky that, like opening the express way I will be on the bridge on very first day of opening. The discover 125cc bike service is awesome in city and highway both.i am a slow rider so my top speed is 105 in express way. And city I try to move on around 45 km. I took the four free service and use DTSI mobil and drain after 4500 km interval as advised by office. I think if it has tubeless tyre it will be much better for user. I am getting 35-40-45 km mileage per litter octane, never use petrol on it. Hope to go long way with it.Its look is good and match with official for daily commute.inshaAllah will go with it all around the Bangladesh using my recently purchased Safety gear riding jacket, gloves, knee guards from Gearx and some other shop. Wish me luck.
Bajaj Discover 110 Drum
BAJAJ Discover - 100 প্রায় ৫০,০০০(49489.7) কিলোমিটার রাইড -মোখলেছুর আমি মোখলেছুর রহমান। আমি ধানবাড়ি টাংগাইল এ থাকি। আমার একটি BAJAJ Discover -100 মডেলের বাইক আছে । আজ আমি আপনাদের মাঝে আমার BAJAJ Discover -100 বাইকটি নিয়ে কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার করব। BAJAJ Discover -100 colour Red আমার পছন্দ ছিল BAJAJ Pulsar SD. কিন্তু পরিবারের সামর্থ্য অনুযায়ী আমাকে নিতে হলো BAJAJ Discover -100| এইটা নিয়েই আমার পথ চলা শুরু। আমি BAJAJ Discover -100 বাইকটি প্রাই 4 বছর যাবত ব্যবহার করছি ।বাইকটি দিকপাইত,সারিষাবাডি,জামালপুর মহিমা বাজাজ থেকে ১০/৪/২০১৭সালে নেওয়া হয়েছে। তখন বাজার মূল্য ছিল ১,৪৫,০০০ (এক লক্ষ্য পঁয়তাল্লিশ হাজার টাকা। আমি যখন ক্লাস ১০ এ পড়ি তখন থেকে আমি বাইকটি ব্যবহার করি ।বাইকের মাধ্যমে আমি আমার স্কুল জীবন + প্রায় কলেজ জীবন পার করেছি + পরিবারের অনেক কাজও করতে হয়েছে। বাইকের মাধ্যমে আমি পেয়েছি স্বাধীনতার স্বাদ, আর বাইকাদের দিল (আত্তা) বড় এই কথা অনেক বার বুঝেছি, প্রমাণ পেয়েছি, যার জন্য বাইকিং কমিউনিটি কে অনেক ভালবাসি । এক মাত্র বাইকাররা অপরিচিত বাইকারদের প্রথম দেখাতেই আপন করে নেয় এর প্রমান আমি বহু বার পেয়েছি । বাইকটি পছন্দ করার সময় আমি মাথায় রেখেছিলাম, বাজেটের বিষয়টি, সেই সাথে ওই বাজেটে কত গুলো বাইক আছে, সেই বাইক গুলোর মাইলেজ, পারফর্মেন্স, কোম্পানি কি সব কিছু, বাইকবিডি কে ভালবাসি প্রথম থেকেই, তাই বাইকবিডির রিভিউ গুলো দেখেছি অনেক বার ।(যদিও সব গুলো কম্পানির ছিলো) সব কিছু যোগ বিয়োগ করে পরিবারের সাথে আলোচনা করে বেছে নিয়েছিলাম BAJAJ Discover 100 বাইকটি। বাইকটি যে দিন কিনেছিলাম সেই দিনটা আমার কাছে পবিত্র ঈদের দিনের মত লেগেছিল, কি যে একটা অনুভুতি হয়েছিল তা বলে বুঝাতে পারবো না। শো-রুমে গিয়েছিলাম আমার বাবা ও চাচার সাথে, চাচা বাইকের বিষয়ে অনেক অভিজ্ঞ হওয়ার কারনে খুটিনাটি সব কিছু ভালো ভাবে দেখে নিয়েছিল, যা অনেকের ই ভুল হয়। BAJAJ Discover 100 red colour বাইকটি প্রথম চালানোর সময় আমার অনেক ভালো লেগেছে এবং বিভিন্ন বিষয়ে অভিজ্ঞতা হয়েছে । প্রথম অবস্থাতে আমি বাইকটি থেকে খুব একটা ভালো মাইলেজ পাইনি, পরবর্তিতে ২য় সার্ভিসিং এর পর থেকে আমি অনেক ভালো মাইলেজ পেয়েছি হাইওয়েতে মাইলেজ পেয়েছি ৬০-৬৫ কিমি/লিটার আর সিটিতে ৫৫-৬০ কি.মি/লিটার। বাইকটি প্রতি বছর ভালো টেকনেশিয়ান দিয়ে সম্পূর্ণ মেরামত করে থাকি। প্রতি বছরে ফুল সার্ভিসিং করা হয়েছে।সব সময় পেট্রোল অ্যান্ড অকটেন মিশিয়ে উঠানো হয়েছে। মাইলেজ পার লিটারে ৫৫-৬৫ কি.মি। প্রথমে আমি ব্যবহার করতাম Supper V ইঞ্জিন অয়েল। কিন্তু এই অয়েল ব্যবহার করে আমি খুব একটা ভালো ইঞ্জিন সাউন্ড এবং স্মুথ পাইনি পরবর্তীতে বড় ভাইদের সাথে কথা বলে Supper 4T ইঞ্জিন অয়েলটি ব্যবহার করছি। তখন আমি অনেক ভালো স্মুথনেস পেয়েছি আর এখন আমি Shell 10w30 গ্রেডের ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করছি। আমি যে সকল পার্টস পরিবর্তন করেছি তা হলো : ১. সামনের,পিছনের চাকা দুটোই পরিবর্তন→টিউবলেস (১ বার করে) ২. ক্লাচ প্লেট পরিবর্তন (১বার) ৩. চেন সেট পরিবর্তন (১বার) ৪. ব্যাটারি পরিবর্তন (১বার) ৫. প্লাক পরিবর্তন দুটিই (৪ বার করে) ৬. এয়ার ক্লিনার ফম পরিবর্তন (৪ বার) ৭. ব্রেক সু পরিবর্তন দুটিই ( ৩ বার করে) ৮. মবিল পরিবর্তন প্রতি হাজার কি.মি.তে,, ব্যবহার করা হয়েছে Shell advance ,,, 10W - 30 গ্রেডের ৯. মবিল ফিল্ডার পরিবর্তন (৪ বার) ১০.ক্লাচ লিভার ফলস্ হওয়ার কারনে পরিবর্তন করা হয়েছে (১ বার) ১১. বল রেসার পরিবর্তন ( ৩ বার) যে সকল খারাপ দিক রয়েছে 1. হেডলাইট এর আলো কম। 2. গিয়ার একটা বেশি থাকলে সঙ্গে সঙ্গে গিয়ার মেইনটেইন করতে হয়। (একটু দেরি হলে স্টার্ট অফ হয়ে যায়) 3. ব্রেক করার সময় চাকা সাফোর্ট কম দেয় (যদিও অন্য বাইক থেকে অনেক ভালো) 4. ক্লাচ প্লেট দ্রুত চলে যায় 5. গিয়ার ৫ টা হলে ভালো হতো,( ৪ টা দেওয়ার পর ইঞ্জিনের সাউন্ড ক্লিয়ার হয় না। যে সব ভালো দিক রয়েছে 1. ডাবল প্লাগ ( একটি সমস্যা হলে আরেকটির সাফোর্ট এ বাইক চালানো যাই) 2. মাইলেজ ভালো 3. অনেক আরামদায়ক 4. কন্ট্রোলিং ভালো 5. পার্টস এভলএবল প্রথম দিকে বাইকটির ফিউজ কেটে যেত, পরবর্তীতে এই সমস্যা সমাধান হয়ে গেছে । এখন সাসপেশন ও কার্বোরেটর পরিষ্কার করতে হবে বলে জানিয়েছে মেকানিক। পিছনের সাস্পেনশনের বুস দুটি পরিবর্তন করেছি। তাছাড়া আর কোন কিছু পরিবর্তন করতে হয়নি। দুই বার ট্যাপেড আর একবার টাইমিং চেইন এডজাস্ট করিয়েছি। রাস্তার অবস্থা ও বাইকে লোডের কথা মাথায় রেখে আমি আমার বাইকের পিছনের সাস্পেনশন টা এডজাস্ট করিয়ে নিয়েছি , সেই সাথে সংযোগ করেছি একটি হর্ন। BAJAJ Discover 100 বাইকটির সামনে ও পিছনের চাকায় রয়েছে যাথাক্রমে যাথাক্রমে ৩.০০.১৭ এবং ২.৭৫.১৭ মিলি মিটার এর টায়ার, যার জন্য ব্যালেন্সিংটা খুব ভালো ছিল না । আমি প্রতিনিয়ত আমার পরিবারের সদস্য দের নিয়ে ঘুরে বেড়াই, আমার বাড়িতে আমার বাইক ছাড়াও আর কোন বাইক নেই। তবে, সবার কাছে আমার Discover বাইকটা পছন্দের। বাবা, মা বলে আমার বাইকটা অনেক আরামদায়ক। বাইকটা আমি নিত্যদিনের সকল কাজে ব্যবহার করি। আর কোন প্রকার অভিযোগ ছাড়া বাইকটি চলছে তো চলছে। বৃষ্টির দিনে মাটির রাস্তায় বাইকটি চালানো অনেক কষ্টকর ব্যাপার। অনরোড টায়ার ব্যবহার করার জন্য মাটির ভেজা রাস্তায় একটু কষ্টকর । এক বার পিছলে পড়ে হাল্কা পা পুড়ে গিয়েছিল যা আমার এই বাইকের সাথে এক মাত্র বাজে অভিজ্ঞতা। যখন আমি ছোট বাইক চালাতাম, তখন স্বপ্ন ছিল আমার এমন একটা বাইক থাকবে, যে বাইকটি দিয়ে আমি সব ধরনের রাস্তায় চালাতে পারবো, ইচ্ছা হলে হাইওয়ে তে চালাবো(যদিও হাইওয়ে ভালো ভাবে চলা যাই না), ইচ্ছা হলে অফরোড এ চালাবো। বাইকটি থাকবে সাধ্যের মধ্যে। সেই দিক থেকে, সবকিছু বিবেচনা করে আমার BAJAJ Discover 100 বাইকটি আমার কাছে সেরা। আমি নিজে লং রোডে সব সময় সকল প্রকার সেফটি নিয়ে রাইড করি । আপনারাও সব সময় সকল প্রকার সেফটি গার্ড ও হেলমেট ব্যবহার করবেন ধন্যবাদ ❣️
Bajaj Pulsar 150
মুলত আমার খুব ইচ্ছা ছিল আমি সুজুকি সিংগেল ডিস্ক ১৫০ কিনবো, এইটা এখনো আমার পছন্দের একটা বাইক, বাবার সাথে ৩মাস যুদ্ধ করে তারপর রাজি করিয়ে বাইক কিনতে যায়, বাইক দেখে পছন্দ করলেও মা পিলন দেখে পছন্দ করেনি। মা বলেছিল এই গাড়িতে আমি উঠতে পারবো নাহ। সুজুকি আমার শুধু নিজের জন্য কিনলে কিনতে পারতাম, বাবা-মা সবাই মত দিয়েছিল কিন্তু মায়ের ওই কথাটা আমার কানে বাজছিলো।ইচ্ছা না থাকলেও যুগের সাথে তাল মেলানোর জন্য নিয়ে নিলাম পালসার। তবে আমি সেটিস্ফাইট। জীবনে বেচে থাকলে আর আল্লাহ সামর্থ দিলে শখ মেটাতে পারবো কিন্তু মায়ের হাসি-খুশি মুখ দেখতে পারবো নাহ।
Bajaj Pulsar NS160 Twin Disc ABS
1/riding is my passion and riding is my addiction So that’s why I am buy this bike.2/Riding quality very comfortable and running quality is very joss Balancing is very nice because bajaj using in this bike parameter type chachis. ABS braking is very nice. Throttle response is very smooth naked sports bike er augment a amar mone hoy Budget bike aita colour combination is very muscular. The Bajaj NS160 gets a BS VI 160.3 cc engine that makes 15.2 BHP and 14.6 Nm of peak torque.bhp 15.2 ta kom . Milage Niya ami beshi shontoshto na cause ami pai 28/32 bortoman amader desh er orthonitik jai poristiti tar karone ato kom milage er bike chalaya pushano jay na.After sales service is good but Official spare parts is very costly
Bajaj Pulsar 150
অসাধারণ একটি বাইক আমাকে নিরাশ করেননি কোনো সময়।এবং অন্য সব গুলা বাইকের মধ্যেই এইটাই সেরা একটি বাইক এর বডি টা অনেক শক্তিশালী এই বাইক 10 বছর ব্যবহার করা গেলে অন্য বাইক 7 বছর যাবে। ভালো বাসার আরেক নাম বাজাজ পালসার অল্প টাকায় অসম্ভব সুন্দর একটি বাইক।এবং সকল পরিবেশে ভালো ভাবে ব্যবহার করা যায় ভালো রাস্তা কাঁদা রাস্তায় সব জায়গায় কম বেশি ব্যবহার করা যায়।এবং এর Sound কোয়ালিটি এত সুন্দর বুঝা যায় যে আমি একটা বাইক চালাচ্ছি।22 বছর বয়সে 4 টা বাইক ব্যবহার করেছে কিন্তু পালসারের মত মজা অন্য কোনো বাইক আমাকে দেয়নি।
Bajaj Platina 110 H Gear
আমি মোঃ আল-আমিন । আমি চট্টগ্রামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি । বাইকের প্রতি যখন থেকে ভালবাসা জন্মায় তখন থেকেই আমার ইচ্ছে হয় আমি একদিন আমার স্বপ্নের বাইক ক্রয় করবো । প্রথমে যখন হোন্ডা লিভো বাজারে আসে তখন যেখানে যায় হোন্ডা শুরুম দেখলে বাইক একবার হলেও দেখে যেতাম তারপর যখন টিভিএস রেডিয়ন বাইক বাজারে আসে তখন থেকেই সেই বাইকটি আমার অনেক ভালো লাগতে শুরু করলো এবং অনেক বার এই বাইকটি গিয়ে শুরুমে গিয়ে দেখি সবশেষ যখন বাজাজ প্লাটিনা এইচ গিয়ার বাইকটি আসে রাতের ঘুম হারাম হয়ে যায় কখন কিনবো ইনশাআল্লাহ আল্লাহর রহমতে ও মায়ের দোয়া ছিল বলে গত ২০--০৩--২০২১ সালে আমার স্বপ্ন পূরণ হয় আল্লাহর কাছে লক্ষ কোটি শুকরিয়া আদায় করছি । এই প্লাটিনা এইচ গিয়ার ১১০ বাইকটি আমার জীবনের প্রথম ভালোবাসার বাইক । প্লাটিনা এইচ গিয়ার বাইকটি আমি এখন পর্যন্ত ৬৫০০ প্লাস কিলোমিটার চালিয়েছি। আমার বাইকের জন্য বাজেট কম ছিল তাই আমি প্রথম তিনটি বাইক বাছাই করি যেমন হোন্ডা লিভো , টিভিএস রেডিয়ন ও প্লাটিনা ১১০ এইচ গিয়ার । এই তিনটি বাইক নিয়ে ইউটিউবে প্রচুর ভালো মন্দ রিভিউ দেখে আমার কাছে মনে হল প্লাটিনা এইচ গিয়ার বাইকটি বাকি দুইটি বাইক থেকে আমার জন্য সেরা বাইক । তাই দেরি না করে প্লাটিনা এইচ গিয়ার ১১০ ব্লেক ব্লু কালারের এই বাইকটি ক্রয় করি । বাইকটি ক্রয় করতে আমার খরচ হয়েছে দুই বছরের রেজিষ্ট্রেশন সহ ১২৫৪০০ টাকা । আল্লাহর রহমতে ভালো সার্ভিস পাচ্ছি । প্লাটিনা এইচ গিয়ার বাইকটি দিয়ে আমি বাইক চালানো শিখি । এই বাইকটি আমি কারন সেমি ডিজিটাল মিটার , কম্বাইন ব্রেকিং , ভালো কমফোর্ট ফিল ও মাইলেজ এর উপর ভিত্তি করে । বাইকটি যেদিন কিনি সেই দিনটি ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে স্মরনীয় একটা দিন । যেদিন বাইকটি ক্রয় করতে যাবো সেদিন অফিস ছুটির পর আমার অফিসের দুই কলিগ কে সাথে করে বাইকের শুরুমে চলে যায় ও সাথে আমার বাসার তিন জন বন্ধুকে ফোন করে শুরুমে চলে আসতে বলি বাসায় কাউকে না জানিয়ে কারণ বাসায় সবাইকে চমকে দেয়ার জন্য । বাইকের ব্রেক ইন পিরিয়ড চলাকালীন সময় ৪০ - ৫০ এর বেশি স্পিড এর বেশি কখনো উঠায়নি । খুব ভালোভাবেই ব্রেকি ইন পিরিয়ড ২৫০০ কিলোমিটার বাইক চালিয়েছি কোন সমস্যা ছাড়াই । যখন আমার বাইকের ওডো মিটার এ ১৬০০+ কিলোমিটার চালিয়েছি তখন কিভাবে যেন আমার বাইকের মিটার নষ্ট হয়ে যায় আমি মনে অনেক কষ্ট পেয়েছিলাম কারণ বাইকটি বাজারে নতুন আসছে তাই বাইকের মিটার কোথাও পাইনি আমি অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছিলাম আমি ধন্যবাদ জানাই বাজাজ বাইক শপ এর সিনিয়র টেকনিশিয়ান নয়ন দাদা চট্টগ্রাম এর বাজাজ এর পার্টস হেড রজ্জন দা ও উত্তরা মটরসকে এর উনারা আমাকে অনেক কষ্ট করে আমার বাইকের জন্য মিটার ব্যবস্থা করেছে অনেক অল্প সময়ে । প্রথম ৩০০ কিলোমিটারে প্রথমবার এবং ১০০০ কিলোমিটারে ২য় বার ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করেছি। আমি সবসময় বাজাজের নিজস্ব সার্ভিস সেন্টারে বাইকের সার্ভিস করায় তারা খুব যত্ন সহকারে সার্ভিস করেন ও তাদের ব্যবহার অনেক ভালো । প্লাটিনা এইচ গিয়ার 110 বাইকটি নিয়ে আমি চট্টগ্রাম থেকে কাপ্তাই লেক হয়ে রাঙামাটি পিলিয়ন সহ লং ট্যুরে গিয়েছি আল্লাহর রহমতে কোন সমস্যা হয়নি । আমি এই বাইকটি থেকে মাইলেজ পাই ৫৮ থেকে ৬৩+ আমি টপ স্পিড পছন্দ করিনা তাই কখনো টপ স্পিড চেক করি নাই । আমি সবসময় ৫০- ৬০ এর বেশি স্পিডে বাইক রাইড করিনা । ফাঁকা রাস্তায় সবোর্চ্চ ৭৫ স্পিডে পিলিয়ন সহ এর বেশি কখনো তুলতে ইচ্ছে করে না । বাইকে সহজেই ০ থেকে ৬০ সহজেই উঠে যায় তারপর আরো স্পিড উঠতে একটু সময় লাগে । প্লাটিনা এইচ গিয়ার বাইকটি থেকে এখনো ৬০-৭০ কিলোমিটার স্পিডে তেমন ভাইব্রেশন অনুভব করিনি । আমি শুরু থেকে ইঞ্জিন অয়েল কোম্পানির ম্যনুয়াল বইতে উল্লেখ করা 10W30 এর ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করি । আমি মতুল ১০W30 ইঞ্জিন অয়েল সবসময় ব্যবহার করি মাশাআল্লাহ খুব স্মুথ ভাবে চলে কোন বাজে নয়েজ আসে না ইঞ্জিন থেকে । আমি বাইকে মডিফিকেশন পছন্দ করিনা তাই কোন মডিফিকেশন করি নাই । প্লাটিনা এইচ গিয়ার ১১০ বাইকের কিছু ভালো দিক যা আমার কাছে ভালো লাগে - ০১ -- মাইলেজ - মোটামুটি ৬০+ যায় । ০২ -- বাইকের কমফোর্ট - যা দীর্ঘ সময় বাইক রাইড করলেও কোন ক্লান্তি বোধ করি না । ০৩ -- বাইকের গিয়ার ইন্ডিকেটর - ১১০ cc বাইকে যা আমি নতুন রাইডার হিসেবে গিয়ার শিফট নিয়ে টেনশন করতে হয় না । ০৪-- ব্রেকিং -- বাইকে আছে ডিস্ক ব্রেক সহ কম্বাইন ব্রেকিং সিস্টেম । যা আমাকে খারাপ পরিস্থিতির মধ্যেও ভালোভাবে ব্রেকিং করতে সাহায্য করে । ০৫--বাইকে গিয়ার সংখ্যা ৫টি যা ১১০ cc বাইকে আমার জানামতে এটাই প্রথম । এটার পাঁচ নং গিয়ার এর নাম HI যা দেখতেও ভালো লাগে ০৬-- মেইনটেনেন্স খরচ - বাইকের মেইনটেনেন্স খরচ অনেক কম এখন পর্যন্ত আমি ইঞ্জিন অয়েল ও অয়েল ফিল্টার আর একবার ডিস্ক প্রেড ছাড়া এখন পর্যন্ত আমার আর কোন খরচ করতে হয় নাই । ০৭- বাইকের ব্রেলেন্স - আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো ০৮--টিউবলেছ টায়ার - আমার পছন্দের । সবশেষে একটাই কথা বলবো এই বাইকটি আমার বাইকের বাজেট অনুযায়ী সবদিক দিয়ে আমার জন্য সেরা বাইক । প্লাটিনা এইচ গিয়ার ১১০ কিছু খারাপ দিক যা --- ০১-- চিকন চাকা - আরেক সাইজ বড় হলে আর ভালো হতো । ০২-- হেডলাইটের আলো - হেডলাইটের আলো কম । এই বাইকের এই দুইটি খারাপ দিক ছাড়া আর সবকিছু আমার কাছে ভালো লাগে । আমার দৃষ্টিতে প্লাটিনা ১১০ বাইকের রেটিং ০১- মাইলেজ ৯/১০ ০২- বাইকের লুক ৭/১০ ০৩--ইন্জিন পারফরমেন্স ১০/১০ --- কারন পাহাড়ে চালানোর সময় কোন সমস্যা হয়নি স্মুফ ভাবে চলে । ০৪-- কমফোর্ট ১০/১০ ০৫-- ব্রেকিং ১০/১০ কারণ আমি সবসময় ইন্জিন ব্রেক ব্যবহার করি যা অল্প জায়গায় গাড়ী থেমে যায় । ০৬--হেডলাইট ৮/১০ থ্রটল রেসপন্স ৯/১০ সবশেষে একটা কথাই বলবো যে এই বাইকটি এই প্রাইজে আমার কাছে একটা সেরা বাইক । সকল বাইকার ভাইদের বলবো সবাই ভালো মানের সার্টিফাইট হেলমেট ব্যবহার করবেন সবসময় । সবার প্রতি রইল অনেক অনেক ভালোবাসা ও শুভকামনা । ধন্যবাদ সবাইকে ভালো থাকবেন সবসময় এই দোয়া করি ।
Bajaj Discover 125 Disc
আমি আমার ব্যাক্তিগত প্রয়োজনে বাজাজ ডিসকভার 125 সিসি ডিস্ক ব্রেক বাইকটি ২০১৮ সালে ক্রয় করি।বর্তমানে মটরসাইকেল আমাদের চলার পথকে অনেক সাশ্রয়ী করে তুলেছে।বাইকটির ভাল দিক হচ্ছে বাইকটি চালিয়ে আমি অনেক কমফোর্ট অনুভব করি এবং বাইকটি চালাতে অনেক ভালো লাগে। বাইকটি মাইলেজ নিয়ে আমি অনেক সন্তুষ্ট,এই বাইকটি অনেক কমফোর্ট পূর্ণ একটি বাইক এবং বাইকটির ব্রেকিং সিস্টেম অনেক ভালো।এই বাইকটি আমাকে অনেক ভালো পারফরমেন্স দিচ্ছে। বাইকটিতে আফটার সেলস সার্ভিস অনেক ভালো,বাইকটির স্পেয়ার পার্টস সবজায়গায় পাওয়া যায় তাই বাইকটি সার্ভিস করতে কোন সমস্যা হয় না এবং সার্ভিস চার্জ অনেক কম লাগে।ধন্যবাদ।
Bajaj Pulsar 150
বাইকটি বাংলাদেশের গন বাইক নামে পরিচিত। সবার ক্রয় ক্ষমতার ভিতরে এর দাম।চলার জন্য ভালো একটা বাইক
Bajaj Pulsar 150
Good bike 5 years used no problem engine class so smooth
Bajaj Pulsar 150 Neon
সেই ছটো বেলা থেকেই দেখাতাম, বাজারের সবচেয়ে সেরা বাইক পালাসার।আর বাংলাদেশে যার ভালো বডি তাদেরকে সবাই সালমান খান বলে, আর বাইক মানে কোন বাইকের নাম জানুক আর নাই জানুক, পালসার চিননা এমন মানুষ মনে হয় বাংলাদেশে নাই।Pulsar সকল ইায়াং জেনারেশনের ড্রিম বাইক ছিলো এক সময়, আমার কাছে এখনো Pulsar Best Bike❤️