Verified reviews from Bajaj EV owners. Know the pros and cons from real riders.
Bajaj Pulsar NS160 Twin Disc
সময়টা ছিল ২০১৮ একদিন রাতে মা কে বলি ভাই এর তো গাড়ি আছে আমায় ও একটা বাইক কিনে দাও সাথে বড় বোন ছোট বোন উৎসাহ দেওয়ায় মা রাজি হয় আর বলে কাল সকালে বাইক কিনতে যাবে আমার ভালোলাগার বাইক ছিল পালসার আর এস বাংলাদেশে গতি সীমা পারমিশন 165cc তে সীমাবদ্ধ আর তাই শোরুম থেকে আমাকে পরামর্শ করা হয় পালসার আর এস এর নেকেট স্পোর্টস বাইক পালসার ns160 নেওয়ার জন্য গাড়িটি দেখে আমার ও আমার পরিবারের সবার পছন্দ হয়ে যায় কিন্তু দুঃখের বিষয় ছিল একটি গাড়িটি তখন শোরুমে স্টক ছিলনা আর শোরুম থেকে জানানো হয় গাড়িটি নিতে চাইলে আমাকে গাড়িটি প্রিবুক করতে হবে আর তাই আমরা কিছু টাকা বুক করে আসি তখন ছিল রমজান মাস আমার একদম স্পষ্ট মনে আছে 27 রমজানের দিন ঠিক দুপুর বেলা আমাকে শোরুম থেকে ফোন করে আমাকে জানানো হয় আপনার গাড়িটি শোরুমে এসে উপস্থিত আপনি চাইলে আপনার গাড়িটি এখনো নিয়ে যেতে পারেন আমি ফোন কল পর সাথে সাথেই গাড়ির বাকি টাকা নিয়ে আমার বাসা থেকে রওনা দেই এবং শোরুমে গিয়ে আমার গাড়িটি রেডি করে বাসায় এসে আগে আমার মাকে দেখাই সবারই গাড়িটি খুব পছন্দ হয়েছিল আর তখন থেকেই শুরু হয় আমার পালসার এর সাথে পথ চলা আর দেখতে দেখতেই আমার পালসার সাথে চার বছর অতিক্রম হয়ে প্রায় পাঁচ বছর পড়ে গেল আর এই চার বছরের মধ্যে আমি আমারই গাড়ি নিয়ে অনেক পথ পাড়ি দিয়েছি আর এই পথ পাড়ি দিতে দিতে কখন যে গাড়িটা কে ভালোবেসে ফেলেছি আমি নিজেই জানিনা আল্লাহর রহমতে আমি 4 বছরের মধ্যেই গাড়ি নিয়ে এখনো কোনো বড় দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়নি আমি আমার এই গাড়ি নিয়ে অনেক ধরনের রাস্তা অতিক্রম করেছি বৃষ্টি ভেজা রাস্তা ভাঙাচোরা রাস্তা আবার মাওয়া হাইওয়ের মত পির ডালাল অনেক ভাল রাস্তাও অতিক্রম করেছি এই চার বছরের মধ্যে আমার ও আমার পালসার এর সাথে অনেক স্মৃতি তৈরি হয়েছে আর যদি গাড়ির পারফরম্যান্সের কথা বলি আমার যা চাহিদা ছিল তার পুরোটাই পালসার এনএস আমাকে পরিপূর্ণ করে দিয়েছে এই চার বছরের যাত্রায় পালসার এনএস আমাকে কখনোই নিরাশ করেনি আসলে সত্য কথা বলতে এত লম্বা সময় কোনো বস্তুর সাথে যদি কাটানো হয় তাহলে তার প্রতিও একটা ভালোবাসা জন্মায় আমার সাথে ও ঠিক তাই হয়েছে আমারও পালসার উপর একটি অন্যরকম ভালোবাসা' জন্মেছে আর হয়তো তাই আমি তার প্রসঙ্গে কোন দুর্নাম করতে পারছিনা আসলে প্রতিটি গাড়ির ভালো-মন্দ দিক থাকে কোন গাড়ি স্বয়ংসম্পূর্ণ নয় পালসার এর ও কিছু খারাপ দিক আছে কিন্তু ওই যে বললাম এটার প্রতি একটা ভালবাসা জন্মে গেছে তাই তার খারাপ দিকগুলো এখন আমার খারাপ লাগে না পরিশেষে আমি একটি কথাই বলতে চাই আমি আমার এই চার বছরে যাত্রায় একটি ভালো পার্টনার পেয়েছিলাম যে আমাকে কখনোই নিরাশ করেনি
Bajaj Discover 125 Drum
This bike is very comfortable and satisfied with this bike.
Bajaj Discover 110 Disc
আসসালামুআলাইকুম। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন । আজকে আমার পাগলা ঘোড়া নিয়ে কিছু কথা শেয়ার করতে যাচ্ছি ।তো যে কারনে বাজাজ ডিসকভার ১১০সিসি ক্রয় করা হয় ঃ বাইকের বাজেট ধরন অনুযায়ী খুব সুন্দর একটি বাইক । বাইক কিনার কারণ ছিল মার্কেটিং এর জব করি যার জন্য প্রতিদিন 100 থেকে 150 কিলোমিটার রাস্তা চলাচল করতে হতো যার কারণে আমি এই বাইকটি কিনি। ভালো দিকগুলো বলতে গেলে বাইকটি সব কিছুই আমার কাছে ভালো লেগেছে। খারাপ দিক এর মধ্যে হলো হাতে পেইন হয় এবং কোমরে ব্যথা হয় 50 এর উপরে গেলে ভাইব্রেশন শুরু হয়। মাইলেজের কথা বলতে গেলে এক কথায় অসাধারণ 60 থেকে 65 এর মাঝা মাঝি পেয়েছি। মূলত পেট্রোল এবং অক্টেন ইউজ করতাম।। সিবিএস ব্রেকিং ছিল যার কারণে ব্রেকিং খুব ভাল ছিল কম্ফোর্টেবল এর কথা বলতে গেলে তেমন একটা খারাপ না আবার খুব বেশি ভাল বলা যায় না। তবে গাড়িটিতে শূন্য থেকে 80 পর্যন্ত সবকিছু কন্ট্রোলে থাকে এর উপরে গেলে কোন কিছুই আর আপনার হাতে থাকবে না।। রেডি পিক আপের কথা বলতে গেলে 110cc গাড়িতে আমার মনে হয় এই গাড়িটি এগিয়ে থাকবে।। সার্ভিসের কোথায় আসতে গেলে পার্টস এর দাম কম সুলভ মূল্যে বাজারে পাওয়া যায় এতে খরচ খুব কম হয়।। কিছু কিছু সমস্যা যেটা হল চেইন স্পোকেট খুব তাড়াতাড়ি লুজ হয়ে যায় ক্লাসপ্লেট তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যায়গাড়িটিতে ব্যাটারি খুব দুর্বল ছিল যার কারণে দুই মাস হতেই আমার ব্যাটারি নষ্ট হয়ে যায়। আমি মোট গাড়িটি 18 হাজার কিলোমিটার চালিয়েছি। বয়স মাত্র দশ মাস।।অভার অল আমি স্যাটিসফাইট গারিটি নিয়ে।। ধন্যবাদ। কোন ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
Bajaj Pulsar 150 Twin Disc
I was Pulsar lover from younger age, still now & will be in Future .The Over all performance is good. But i faced some problem from begaining.The Ball racer problem & bad service on Service centres are the main problem i ever faced.Wish Bajaj will provide better service & Use original Spare parts. Thanks
Bajaj Pulsar 150 Twin Disc
আলহামদুলিল্লাহ পালছার বাইক আমি ৭ বছর ধরে চালাচ্ছি, আমার বাসায় R15 v3 আছে তারপরেও পালছার চালিয়ে খুব মজা।আমার বাবা,কাকা,বড় ভাই সবাই পালছার প্রেমি,আলহামদুলিল্লাহ মাইলেজও ভালো পাইছি পালছার বাইকে। পালছার একটা বেষ্ট বাইক,কারণ এটা তে ফ্যামিলি নিয়েও সচারাচর চলাফেরা করা যায়। এবং খুবই আরাম দায়ক বাইক।
Bajaj Pulsar 150
Performance is satisfactory to me.
Bajaj Pulsar 150
It was one of the low price stylish bike of Bajaj. I used it for 10 years and found it good. Mileage of this bike is average (till now in city ride 40+). But due to less cc sometimes when it is rode more than 90/h it shakes. After all for genuine its a average bike.
Bajaj Pulsar 150 Twin Disc
বাইকটা সিলেকশন করার প্রথম কারণ ছিল এটার পার্টসের দাম,পার্টস এভেইলেবলিটি,লং টাইম ধরে ব্যবহার উপযোগী একটা বাইক।ভালো দিকঃ দারুন মাইলেজ,পার্টসের দাম কম,পার্টস এভেইলেবল।লং টার্ম ব্যবহার করার করার জন্য উপযুক্ত একটা বাইক।খারাপ দিকঃ মেইনটেইন করতে হবে নিয়মিত।কন্ট্রোলিং টা আরো একটু ভালো হলে বেটার হতো।আফটার সেল সার্ভিয়বেশ ভালো।সবাই-ই বেশ আন্তরিক ভাবে কাজ করে।সব মিলিয়ে যেন সাধ্যের মধ্যে সবকিছু পাওয়া।
Bajaj Pulsar 150 Neon
always remember that you are riding a bike. don't let the bike ride you.
Bajaj Discover 110 Disc
প্রথমত বলি আমি একজন স্টুডেন্ট ও ছোট খাটো একজন ব্যবসায়ী।তো বাড়ি থেকে আসা যাওয়ার জন্য একটা বাহনে খুবই রকার ছিলো।।।তাই বাইকটি কিনলাম।। আর বাইক এর প্রতি ভালবাসা আমার সেই শৈশব থেকে।।।ভাবতাম যে মানুষ বাইক নিয়ে কত জায়গায় যায়,আমি যে কোনদিন যাবো।।।আলহামদুলিল্লাহ, আমিও এখন মাঝে মধ্যে ট্যুর দিয়ে থাকি।।।।আলহামদুলিল্লাহ আমার বাইকটি খুবই ভালো ভাবে সার্ভিস দিচ্ছে। আমি খুবই সন্তুষ্ট এই ব্যবহার করে।।।।আরো গর্বিত বাইক বিডি গ্রুপের একজন সদস্য হতে পেরে।
Bajaj Pulsar 150
শখ এবং প্রয়োজনের তাগিদে আমি আমার স্বল্প বাজেটে পালসার 150cc SD বাইক কিনি। ভালো লাগে পালসারের ডিজাইন টা, আবার একই ডিজাইন শুধু মাত্র গ্রাফিক্স পরিবর্তন করে বারবার মার্কেটিং করে সেই জন্য খারাপ ও লাগে। আমার বাইকের মাইলেজ, পিকআপ, কম্ফোর্ট, ব্রেক সহ এর পারফর্মেন্স এখন পর্যন্ত মোটামুটি ভালই পাচ্ছি। আমার বাইকটির আফটার সেলস সার্ভিস ভালোই পেয়েছি এবং সার্ভিসের ক্ষেত্রে তেমন একটা খরচ হয়নি বললেই চলে।
Bajaj Pulsar 150
আমার নাম মোঃ হাসিবুল ইসলাম জিসান। আমি বাজাজ পালসার ১৫০সিসি বাইক রাইড করি।৫৫,০০০হাজার কি.মি চালাই। ১২০০কিমি পর পর ইঞ্জিন মবিল চেঞ্জ করি। *আমার এলাকা রূপগঞ্জ (ভুলতা,গাউছিয়া) *আমি ছোট থেকে বাইক অনেক ভালোবাসি। ইচ্ছা ছিল বাইক কিনব অ্যান্ড বাইকার হব। ইচ্ছাটা এক সময় পুরন হল। *বাইকিং লাইফ এ বাইক এর টুক টাক অনেক প্রব্লেম বড় ভাইদের থেকে সমাধান পেয়েছি। *আমি মনে করি ঢাকা শহরে ব্যাস্ততম রাস্তা ঘাট নিত্তিনতুন জানজট দিন দিন বেরে যাচ্ছে। এ হ্মেড়ে বাইক আমাদের জিবন কে অনেক সময় সঠিক সময়ে সঠিক স্থান নিয়ে যায়।তাই আমি বাইক অনেক ভালোবাসি। *আমি বাইক টি বাজাজ শোরম থেকে নিয়েছি। ২০১৭ সাল নিয়েছি।যার বাজার মুল্ল ১৯৯৫০০টাকা ছিল সাথে ১০বছর এর রেজিষ্ট্রেশন ২৬৫০০টাকা নিয়েছিল। *বাইক টি কিনার দিন বাসায় সবাই জানত। মা বাবা ভাই সবাই সাথে গিয়েছিল। *আমার বাইক ৫০বার এর মত সাভিস দেয়া হয়েছে। *২৫০০কিমি রাইড এর পর ৩৭+ মাইলেজ পেয়েছি। *আমি প্রতিদিন সকাল এ কিক দিয়ে স্টার্ট করি। ২/৩ মিনিট ইঞ্জিন গরম করি। *আমি মটুল ১০w৪০ ব্যবহার করি।যার বাজার মুল্য ৫৫০টাকা। *আমার বাইক এর ৫টি খারাপ দিক হলঃ- ১.বাইক ইঞ্জিন অনেক গরম হয় ২.বাইক হেড লাইট এর আলো হাইওয়ে তে অনেক কম ৩.তেল বেশি খায় ৪.পিছনের ব্রেক কম দরে। ৫.ক্লাচ অনেক হার্ড। *আমার বাইক এর ৫টি ভালো দিক হলঃ- ১.রেডি পিক আপ সব সময় ভালো। ২.কন্ট্রোলিং অনেক ভালো। ৩.সিটং পজিশন অনেক ভালো। ৪.কম্ফোর্ট পাওয়া যায়। ৫.সাউন্ড সুন্দর। আমি মনে করি বাইক আমাদের জীবন। তাই সবসময় সেফটি টা আগে আমাদের খেল রাখতে হবে। সাবধানে বাইক চালাবো সারা জীবন বাইক চালাতে পারবো। নামঃ হাছিবুল ইসলাম (জিসান) ঠিকানাঃ ভুলতা-গাউছিয়া,রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ। মোবাইল নাম্বারঃ ০১৭৯১১১০৭১২ (01791110712).
Bajaj Pulsar 150
আমি জুয়েল গাজীপুর বাসা। পালসার বাইকটি ৬ বছর ধরে চালাচ্ছি। আল্লাহ তায়ালার রহমতে খুবই ভালো সাভিস পাচ্ছি।
Pulsar 150 Twin Disc ABS
Alhamdulillah amar mote valo ekti bike. Pulser sob model kom beshi use korechi. Pulser bike er sob parts available paoya jai. Ami bike er khuti-nati problem nijei solved korechi . Millege city & highway miliye average e 40+ peyechi. Ruff drive korle 35km paoya jai. Mobil Motul synthetic use korechi per 500 km por por.
Bajaj Pulsar 150
বাইক টি কেন কিনেছি এর কোন বরনর্না হতে পারে বলে আমার আদো জানা নেই। আমার কাছে বাইক মানে অক্সিজেন। আমার বাইকটির ভালো দিক হলো এই যে আজ দুই বছর যাবত আমাকে কখনো নিরাশ করেনি, তবে এর একটি খারাপ দিক আমার কাছে খুবই বাজে লাগে ট্রেন কভার এর থেকে প্রায় সময় বাজে নয়ইজ আসে।মাইলেজ এখনো চৌচল্লিশ প্লাস পাচ্ছি। সিটিং পসিশন বলতে গেলে মাঝেমধ্যে জ্যামে বসে থাকলে অসুবিধা হয়। প্রায় সময়ই তো ইঞ্জিন ব্রেক ইউস করা হয় তো ওইভাবে এখনো ব্রেকের কোন সমস্যা পায়নি।আমি এর পারফর্মেন্সএ স্যাটিসফাই। বাজাজ এর পার্টস এক্ষণ হাতের কাছেই পাওয়া যায় সুলভ মুল্লে,তাই পেরা নিতে হয় না, সার্ভিসিং আয়ত্বের ভিতরে।
Bajaj Avenger 160 ABS
আমি এর আগে হোন্ডা হরনেট বাইক ইউজার ছিলাম,,,,একটু উঁচু হওয়ার কারনে আমার ওয়াইফ পছন্দ করতনা,,,,কিন্তু আভেঞ্জার বাইক টা অনেক কমফোর্ট ফিল করে,,,,,বাইক টার মাইলেজ ভালো,,,,কন্ট্রোল ভালো,,,,,বাজাজ এর সার্ভিসিং খুভ ভালো,,, আমার খুব প্রিয় একটি বাইক
Bajaj Pulsar NS160 FI With ABS
One of the best bikes for beginners as it offers 160CC.NS 160 is most powerful bike for pickup and performance and its very good.