Verified reviews from Bajaj EV owners. Know the pros and cons from real riders.
Bajaj Pulsar 150
In 2009 i just seen pulsar150, then i set my mind my first bike will be pulsar.i ride so many bikes but pulsar is best. Before i buy i seen lots of bike but my mind set is pulsar.i used this bike 40k plus kilo. Overall my bike is best. Because its my dream bike. Alhamdulillah
Bajaj Discover 125 Disc
আমি ২০২০ থেকে ডিস্কোভার ১২৫ ব্যাবহার করে আসছি। দেখতে এখনো নতুনের মত। এখনো কোন যন্ত্র পরিবর্তন করতে হয় নি৷ এত স্মোথলি চলছে বাইকটি। তবে একটা সমস্যা আগে পেয়েছিলাম পাওয়ার লস করতো। মাইলেজ প্লাস সার্ভিস এ আমি সন্তুষ্ট। ব্রেকিং এ একটু হতাশ করবে। সঠিক টায়ার প্রেসার থাকলে ব্রেকিং এ ও ভালো কনফিডেন্স পাওয়া যায়। বেশি সময় জ্যাম এ পরলে ইঞ্জিন ভালো হিট হয় বার বার ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। যেহেতু ওয়েল কুল্ড এমন হওয়াটা নরমাল। লং লাস্টিং এর জন্য বাইকটি সেরা। অফিসিয়াল কাজে বাইকটি নিরদ্বিধায় ব্যবহার করা যেতে পারে।
Bajaj Pulsar 150
Pulsar SD bike is one of the best choice for middle class family, it's outlook and performance are best for for all people of all classes, younger and olders. I personally choose it because its budget friendly
Bajaj Pulsar NS160 Twin Disc
Pulsar ns 160..... is the wild wolf in Bangladesh. ভালো দিকঃ কন্ট্রোলিং, লুক, পাওয়ার এসব দিক থেকে এই সেগমেন্টের best bike. Ground clearance বেশি হওয়া উচু speed breaker সহজেই পার হওয়া যায়৷ চাকা চিকন ওয়া সত্ত্বেও মাটি আকরে থাকে তাই ব্রেকিং যথেষ্ট ভালো, ভেজা রাস্তাতেও confidence ভালো পাওয়া যায়৷ উচু Handel হওয়ায় ব্যাক pian হয় না৷ খারাপ দিকঃ পার্টস সব জায়গায় পাওয়া যায় না৷ oil cooled হওয়ায় ইন্জিন পাল্টানোর সময় প্যারা লাগে৷ Front disc আরেকটু বড় হলে ভালো তো৷ fornt সাসপেন্সন good but not best.
Bajaj Discover 125 Disc
বাইকটি কিনেছিলাম প্রয়োজন এবং শখ দুটোই মেটাতে, বাইক কেনার অভিজ্ঞতা ভাষায় প্রকাশ কারার মতন না।১২৫সিসি অনুযায়ী আমার দিক দিয়ে বেস্ট একটা বাইক ভালো মাইলেজ,১২৫অনুযায়ী বেস্ট স্পিড, বেস্ট ব্রেকিং সিস্টেম ।আফটার সেলস সার্ভিস ও ভালো।
Bajaj Discover 125 Disc
আমার বাবা মা বাইক চালানো অনেক ভয় পায়।তারপরেও ভালোবাসা থেকে বাসা অফিস যাতায়াত এর জন্যে এই বাইক টি কিনেছিলাম।বাইক টার ভালো দিক হচ্ছে বাইক এর মাইলেজ।লুক মোটামুটি। স্পেয়ার পার্টসগুলোর দাম কম।কিন্তু এই মডেলটার খারাপ দিক হলো বাইকটা হঠাৎ রানিং অবস্থায় বন্ধ হয়ে যায়।তখন কিক ও পরে যায় এবং সেল্ফ ও কাজ করে না।এছাড়া বাইক টা আমাকে ভালোই সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে।
Bajaj Pulsar NS160 Twin Disc
Best bike i had ever.It's a machine which is full of fun.I love naked bike and in my budget it was the best option for me.It has a lots of power with a good number of top speed and gorgeous affectionate look.Sitting position & the comfort is too much good for me.But the bad thing is when i want push the pickup,sometimes I didn’t get the exact power. Also when I ride ns160 above a speed beaker it’s exhaust rubbed with the road otherwise this bike is best for my kinda people whom actually enjoy their ride with a naked bike. But now for some issues and crisis I had to sell my ns160.
Bajaj Discover 125 Disc
ডিসকভার ১২৫ সিসি (ওয়ান ডিস্ক হাইড্রলিক) আরামদায়ক এবং বাংলাদেশের রাস্তা হিসেবে আমি এই বাইকে সর্বোচ্চ মাইলেজ পেয়েছি,টাকার মান হিসেবে অন্যান্য ব্রান্ডের বাইকের তুলনায় অনেক কমফ্রোটেবল আর স্পিডও আলহামদুলিল্লাহ।কন্ট্রোলিং এ কিছু সমস্যা পেয়েছি,ক্লাস দ্রুত আর বেশি জ্যাম হয়ে যায়,হাত লেগে যায় মাঝে মাঝে।এছাড়া ব্যাটারী দ্রুত দুর্বল হয়ে যায়।তবে টাকার মান হিসেবে বাইকটা পারফেক্ট।
Bajaj Discover 125 Disc
Bike's performance overall is good. But one problem in my discover125 Disk CBS. That is millages issu... I found 1litter Petro= 38-40 km millage.. This swagment's this millage not good..
Bajaj Pulsar 150
বাইক কেনার মুল উদ্দেশ্য ছিলো, উত্তরা থেকে প্রতিদিন অফিস শেষ করে ইউনিভার্সিটি গুলসান ২ এ যাওয়া, কারন অফিস শেষ করে বাসে যাওয়া টা একটু ঝামেলার এই ছিলো, আমার বাইক এর ভাল দিক হচ্ছে (পালসার ১৫০ সিংগেল ডিস্ক) কন্ট্রোলিং টা অনেক জোশ, লুকিং টাও ভাল লাগে, পালসার তো পালসার এই এর উপরে আর কিছু নাই। এর খারাপ দিক আছে কিন্তু আমার মনে নাই।।। বাইক এর মাইলেজ প্রথমে ভালোই পাচ্ছিলাম ৪৫+, কিন্তু ৬ হাজার কিলোমিটার পার হওয়ার পর এখন ৩২+ পাচ্ছি, অনেকেই বলে পালসার এর রেডি পিকাপ নাই, কিন্তু রেডি পিকাপ কি কাজে লাগে সেইটা আমার বুঝে আসেনা, আমার পিকাপ নিয়ে কোন সমস্যা নাই।।। ব্রেকিং ভালো কিন্তু পিছনের চাকা স্লিপ করে মাঝে মাঝে এইটা কোন সমস্যা নাইলহ, কারন আমি ইঞ্জিন ব্রেক এ অভ্যস্ত, আমি অনেক কম্ফোর্ট ফিল করি কারন আমি ২ বার লং রাইড করি ৪০০ কিলোমিটার করে কোন সমস্যার সম্মুখীন হয়নি, একটা জিনিস খারাপ সেইটা হচ্ছে বাজাজ এর অথোরাইজড সার্ভিস সেন্টার এ গেলে কোন কিছুর সমস্যা না থাকলেও উনারা সেইটা পরিবর্তন করে বলে।।। আর এখন বাহিরে থেকে সার্ভিস করাই মেইনটেনেস্ন খরচ এখন কম কারন মাত্র ১২ হাজার কিলো চলতেছে।।। দেখা যাক সামনের দিকে কি হয়।।।
Bajaj Discover 125 Disc
এই বাইকটি মাইলেজ কম হলেও এটি যে পরিমান আমাকে সাপোর্ট দিয়েছে তা হয়তো অন্য কোনো বাইকে পেতাম না।আমার কাছে অন্য দামী বাইক কেনার টাকা ছিলো কিন্ত আমি এইটার উপর ক্রাশ খেয়েছিলাম কারন এটির তেলও কম যায় এবং প্রচুর অত্যাচার সহ্য করে।আর এর একটি খারাপ দিক হলো কম্পোর্ট কম এবং পিছনে ডিস্ক ব্রেক।
Pulsar 150 Twin Disc ABS
এ বাইক কিনেছি মূলত আমার পরিবারের সকলের প্রয়োজনে। এ বাইকের ভালো দিক হচ্ছে কন্ট্রোল করা যায় খুব সহজে। আর খারাপ দিক হচ্ছে ওজন একটু বেশি বলে মনে হয়। মাইলেজ ৪০, পিকআপ ভালে,কম্ফোর্ট মোটামুটি, ব্রেক অনেক ভালো।পারফরম্যান্সে আমি সন্তুষ্ট। সার্ভিস খুবই ভালো।
Bajaj Pulsar NS160 Twin Disc
বাইক একটা সৌখিন জিনিস। আমি একজন টুর লাভার আর বাইকে টুর হলে তো কথাই নাই সেইজন্য বাইক নেয়া। ns 160 বাইক টি সবদিক থেকে সেরা বাজেটে এর থেকে ভালো বাইক নেই আমার মতে। বাইকটির মন্দ দিক হচ্ছে সার্ভিস করতে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয় এটার এয়ারফিল্টার চেঞ্জ করতে হলেও পুরো বাইক খোলা লাগে। বাইকটির মাইলেজ খুব হতাশ জনক সিটিতে ২৭-২৯ আর হাইওয়েতে ৩০-৩২ পাওয়া যায়। বাইকটির রেডি পিকাপ খুব ভালো। রাইডিং কমফোর্ট সেরা কিন্তু পিলিয়ন কমফোর্ট কিছু টা হতাশ জনক। ব্রেকিং সেরা। আফটার সেল সার্ভিস ভাল কিন্তু স্পেয়ার পার্টস এর দাম অনেক বেশি।
Bajaj Pulsar 150
design change kora uchit 15 year+ same design, and also added more power and changed the tyre size
Bajaj Discover 110 Drum
Very good service according to the price, I have been able to run without any problem for a long time. Although it is now considered an old model, it was once a time of triumph. Every motorcycle has some or the other problem so my motorcycle was not above the problem either. I liked its design but I didn't like the brakes. It would have been better if they were hydraulic brakes. But if you buy a motorcycle from bikebd.com, I hope you are going to get good service which I got. Greetings to all the latest motorcycle buyers interested and motorcycle lovers.
Pulsar 150 Twin Disc ABS
আমার সপ্নের বাইক বলে কথা। ২০০৩ সালে পালসার দেখে কেনার শখ হয়। ২০২০ এ তা পূরন হয়। তাও নিজের অর্জিত টাকায়। কেনায় পর থেকে এখন পর্যন্ত অফিসিয়াল এবং ট্রুর এর জন্য আমার কাছে পারফেক্ট এবং রুচিসম্মত একটা বাহন। এখন পর্যন্ত কেন ধরনের ঝামেলা ছাড়াই সে আমার সাথে চলার সঙ্গী। তবে বাজে অভিজ্ঞতা বলতে শোরুমের গুটিকয়েক সার্ভিস প্রোভাইডার এমন হয় তাদের ব্যবহার মনটাই নষ্ট করে দেবার মত। ফ্রি সার্ভিস মানে ভাওতাবাজি। আমার পরামর্শ ফ্রি সার্ভিস না করানোই ভালো। প্রয়োজনে ভালো কোন এক্সপার্ট দ্বারা শখের বাহনটির যত্নআত্তি করা উচিত। সময়ের প্রয়োজনে নিজেও টুকিটাকি শিখে রাখা উচিত।
Bajaj Pulsar 150
আমার কাছে বাজাজ একটি আস্থার নাম, একটি পরিতৃপ্তির নাম, একটি ভালোবাসার নাম। ছোটবেলা থেকেই বাইকের প্রতি অন্যরকম একটা টান ছিলো আমার। এই ভালবাসা এবং আস্থা থেকেই ২০১৫ সালের ডিসেম্বর ২৬ তারিখে Bajaj Pulsar DTSI 150cc বাইকটি কেনা হয়। বর্তমানে ১২০০০০কি.মি. রানিং। Bajaj Pulsar DTSI 150cc এর ভালো দিকসমূহঃ- ১- সিটিং পজিশন। ২- ব্রেকিং সিস্টেম। ৩- গতি নিয়ন্ত্রণ। ৪- হ্যান্ডেল বার পজিশন। ৫- মাইলেজ। ৬- পার্টসগুলো সব জায়গায় পাওয়া যায়। Bajaj Pulser DTSI 150cc এর খারাপ দিক সমূহঃ- ১- সামনের চাকা চিকন। ২- এয়ার কুল ইঞ্জিন। ৩- হেডলাইটের আলো কম। সব মিলিয়ে আমি সন্তুষ্ট। আফটার সেলস সার্ভিস খুবই ভালো। সার্ভিসিং খরচ খুবই কম। সকল ম্যাকানিকই কম-বেশি সার্ভিসং করতে পারে। সার্ভিসিং করানো খুবই সহজ।
Bajaj Pulsar NS160 Twin Disc ABS
নির্দিষ্ট বাজেটের মধ্যে একটা ভালোমানের টেকসই গাড়ি চাচ্ছিলাম যেটা আমাকে ভালো বন্ধুর মত সঙ্গ দিবে আর কমফোর্ট দিবে। অনেক ভেবে অনেক দ্বিধা দ্বন্দ নিয়ে কিনে ফেললাম আমার প্রিয় বাজাজ পালসার এনএস ১৬০। যেহেতু গাড়ির কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিলনা প্রথম গাড়ি হিসেবে পাওয়ার টর্কের কিছুই বুঝতাম না। যখন নিজের গাড়িটি চালানো শুরু করি তখনি এর রেসপন্স এর মিষ্টি শব্দ এর কমফোর্ট আমাকে বেশ আকর্ষণ করে। কিছুদিন চালানোর পরে আমার বন্ধুর গাড়ি চালানোর পরে আসল পার্থক্য টা বুঝতে পারলাম পাওয়ার এ,স্মুথনেস এ। আমার বন্ধু আমার গাড়ি চালিয়ে এর প্রশংসায় হারিয়ে গেলো। আমি নতুন করে এর ভালোবাসায় পড়লাম। যদিও আমাকে আমার প্রিয় গাড়ি একটু কষ্ট দেয় মাইলেজ দিয়ে। ৩০-৩৫ এর মতো পাচ্ছি যেহেতু ব্রেকিং পিরিয়ড চলমান। তাও আমাকে যেভাবে সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে তা নিয়ে আমি অনেক বেশি সন্তুষ্ট। এর লুকস দেখে যে কেউই একবার ফিরে তাকাবেই। আর ব্রেকিং এ এবিএস থাকায় খুব নিশ্চিন্তে ব্রেক ধরতে পারি। নেকেড বাইক হয়েও আমি একটা স্পোর্টস বাইক এর অনুভূতি পাই আমার বাজাজ এন এস ১৬০ এবিএস দিয়ে। সবাই দোয়া করবেন যেনো সচেতন নাগরিকের মতো সুন্দর ভাবে গাড়ি চালাতে পারি সবসময়।