Verified reviews from Bajaj EV owners. Know the pros and cons from real riders.
Bajaj Discover 110 Drum
The bike is well. But it should be mordanized
Bajaj Discover 125 Disc
আমার চালানো ১২৫ সিসির বাইক গুলোর ভেতর অন্যতম সেরা মনেহয়,এটার সব চেয়ে ভালো লাগে ব্রেকিং সিস্টেম, এ্যান্টি স্কিড ব্রেকিং সিস্টেম টা খুব ভালো ভাবে কাজ করে অনেক জোরে ব্রেক করার পরেও চাকা স্কিড করেনা তবে এক্সট্রিম (হাতের সমস্ত শক্তি দিয়ে ধোরলে স্কিড করে) বাইক টার আরেকটা সমস্যা এর চেইনে,চেন থেকে নয়েজ আসে (হোন্ডার বাইক গুলোর মতো) অনেক রিলেয়বল বাইক রিসেল ভ্যালুও অনেক ভালো গ্রামে স্বাভাবিক ভাবেই ভালোনা মেকানিক থাকে না এই বাইক টার জন্য তেমন সার্ভিসও প্রয়জন হয়না এবং রিসেল ভ্যালু অনেক অনেক ভালো ক্রেতার অভাব হয়না এবং ভালো দামে সেল করা যায়, এবং এটার এক্সেলারেশন আছে মুটামুটি এবং মাইলেজ রাভ চালাইলে ৪০-৪২ এবং ইকো মোডে চালাইলে ৫৫-৬০ পপর্যন্ত যেতে পারে নিজের অভিজ্ঞতা তবে এবং গিয়ার ইন্ডিকেটর আছে নতুন মডেলে নতুন যে মডেল ট্যাংকে থ্রিডি লোগো এটার বিল্ড কোয়ালিটি একটু সংসয় আছে তবে সব মিলিয়ে বাইক টা একজন সাধারন ইউজার এর সব চাহিদাই পুরোন কোরতে পারবে বলে আমার মনেহয়
Bajaj Pulsar 150 Twin Disc
Songkhep a bolle Pulser DD is one of the best bike hobe sob dik bebachona korle.
Bajaj Pulsar 150
বাংলাদেশের মানুষের কাছে এই বাইক টি খুব জনপ্রিয়, এই বাইকের স্পেয়ার পারস খুব সহজেই পাওয়া যায়।২০১৩ সাল থেকে পালসার বাইক ব্যবহার করি।।
Bajaj Pulsar 150
It is a best bike for students and comfortable for all. This bike looks good and awesome. It is the best experience bike, The bike is useful for driving and riding also, Mostly best is in mileage and style and design. This bike having comfortable seat design and good digital and analog meter.
Bajaj Pulsar 150
Bajaj pulsar 150 this bike for all-rounder bike for this segment. This bike look, comfort, breaking great. I hope everybody satisfied ride this bike. Use helmet and ride save. Thanks.
Bajaj Pulsar 150
Pulsar 150 series is arguably the most trusted bike in our country. I am From a middle class family and I roam around the dhaka city for tuition purposes. For regular commuting I think pulsar is best because it’s too comfortable. The balancing is so perfect and once you get used to riding this bike nothing can beat the wholesomeness of riding pulsar.
Bajaj Pulsar NS160 Twin Disc
ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়ার সময় (২০১৫ সাল) এক বন্ধু তার Zara 120 CC বাইকের পিছনে উঠতে বলল মিনিট ১০ এর মতো তার পিছনে বসার পর বললাম বন্ধু আমি চালাতে পারবে একটু দেখাই দে। সে নিরাশ না করে একটু দেখাই দিল ক্লাস,ব্রেকের কাজ দেন একটু চালানোর পর মনের মধ্যে বাইক চালানোর একটা স্বপ্ন জন্ম নিল এইভাবে তার কাছ থেকে তিনদিনে মোটামুটি বাইক চালানো শিখলাম এবং তিনজন নিয়ে প্রায় ১৫ কিলো মিটার চালানোর পর নেমে গেলাম। এরপর একদিন বন্ধুকে বললাম একটু চালানোর কথা, সে ডাইরেক্ট নিষেধ না করে ব্যস্থতা দেখিয়ে ঐদিন কেটে গেল। সেই থেকে একটা পণ করলাম নিজের বাইক ছাড়া আর কারও বাইক চালাবো না। ইন্টার লেভেল শেষ করে অনার্সে লাইফে উঠলাম বললাম বাইক কিনে দিতে সবই ঠিকঠাক ছিল কিনে দিবে ব্যাট ঐ সময় আমাদের এলাকার দুইটা ছেলে বাইক এক্সিডেন্টে মারা যায় ফ্যামিলি থেকে বাইক আর দিবে না একটা সাইকেল দিল। ব্যাট মনের ভিতরে বাইকের প্রতি যে ভালোবাসার জন্ম নিল তাতো দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে একটা পর্যায় ফ্যামিলিকে বললাম নিজের টাকা দিয়ে বাইক কিনবো মনে রাইখেন। যেই কথা সেই কাজ গ্রামের বাড়ি থেকে অনার্স করতেছি তাই টিউশনির ডিমান্ড অনেকটাই কম ছিল তবুও হাল না ছেড়ে নিজের সাইকেল নিয়ে প্রায় ৭-৮ কিলো দূরে কয়েকটা প্রাইভেট ব্যাচ ধরলাম। ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে অনার্স করার ধরুন নিজে প্রাইভেট পড়ার পাশাপাশি টানা ৪ টা প্রাইভেট পড়াতাম।এই ভাবে অনার্স থার্ড ইয়ারের মধ্যেই কিছু টাকা জমিয়ে ১২০০০০ দিয়ে এক বড় ভাইয়ের মাধ্যমে পালসার এন এস নিয়ে ছোট স্বপ্নটা পূরণ করলাম। যদিও পরে ধারকৃত কিছু টাকা বড় ভাই দিয়েছিল। এভাবে ছোট একটা স্বপ্নের বাস্তবায়ন হলো।★বাইকটি এখন পর্যন্ত তেমন কোনো সমস্যা দেয়নি তবে বাইকের সাউন্ড সিস্টেম একটু বেশি মনে হয় পাশাপাশি অন্যান্য বাইকের চেয়ে অধিক স্লিপ করে বলে মনে হইছে। ★ বাইকটি আমার কাছে অনেক কমফোর্টেবল লাগে, পিকআপ,ব্রেক এগুলো যথেষ্ট ভালো ব্যাট মাইলেজ তুলনামূলক কম পাই প্রথমত ৩৫-৪০পেলেও বর্তমানে ২৭,৩০,৩২ পাই। ★ আমার কাছে বাইকটির সার্ভিস একটু ব্যয়বহুল মনে হয় আর সব জায়গায় বাইকটি সার্ভিসিং করানো যায় না। বাইকের পার্টস গুলোও একটু ব্যয়বহুল মনে হয়।
Bajaj Pulsar NS160 Twin Disc
Bike tar mileage bad e sob dik thekei satisfied.servicing always on time kora hoe.bajaj service center thekei.service man ra jai bole tai chnge kori..city te around 27 28 mileage pai.cityr baire chalano hoe ni.thank you
Bajaj Pulsar NS160 Twin Disc ABS
Pulsar NS 160 ABS is my first bike. I love this bike mostly because of its look and performance. I brought it from the authorised dealer point of Bajaj motorcycle showroom.The price was 2,19000 BDT. I can’t forget the day because I was wait for the day for a long time. The date was 10 October 2021. I'm using the bike from the past 8 months.. Actually i had a thought of taking good looking naked bike with a good mileage. I just bought it mainly because of performance and obviously for stunning look also.So it's very helpful and comfortable for the daily usage purpose. I am 5’10” that’s why I can ride it comfortably. I can control the bike very easily because of my hight. People who are under 5’5” I think they should avoid this bike because that is much taller than other bike in this segment. Rider seat is much comfortable but pillion seat is not so comfortable. The performance of this bike is much good for its quick acceleration and top speed. Mileage is also good. But I am facing a problem with front break. Sometimes fail the break, mostly when bike is in broken part of the road. I think that is happening for ABS. Because I also ride Non ABS version I can’t face that problem. But rear break is much good. I face some problems while giving service of my bike because there are no well experienced mechanics in the service center. But spare parts are available and not so costly that’s a good part. There are some pros of Pulsar NS 160 ABS:(1) Excellent Looks & Style (2) Powerful & Fuel Efficient (3) Eye-Catching Looks (4) Smooth Engine and Performance (5) Anti-lock Breaking System(ABS) (6) Comfortable riding Seat There are some cons of Pulsar NS 160 ABS: (1) Engine Oil Quantity (1300ML) (2) Headlight (3) Pillion Seat (4) Turning radius (5) Carb Weight and Seat Hight Overall I love my bike and I think that Pulsar NS 160 is a best budget motorcycle in 160 segment. Ride safe.Everyone should must use certified Helmet. Happy Riding. Thank you!
Bajaj Discover 125 Drum
১২৫ সিসি সেগমেন্ট এ এখনো রাজত্ব করে যাচ্ছে ডিসকভার।বাংলাদেশের রোড কন্ডিশন ফ্রিকোয়েন্টলি গ্রামীন ও শহরে রাস্তায় চলাচল উপযোগী বাইক হিসেবে বাইকটি আমার কেনার প্রথম কারন।অন্যন্য ১২৫ সিসি বাইকের ডিজাইনের থেকে এটার ডিজাইন বেশ ম্যাচিউর লাগে দেখতে।তাছাড়া বাইকের সিটিং পজিশনটাও দারুন অনেকক্ষন চালালেও ব্যাক পেইন কম হয়।৫টি গিয়ার থাকার কারনে বেশ স্মুথ ভাবেই রাইড করা যায়।সিটি রাইডে বাইকটির মাইলেজ পাচ্ছি ৫৮ কি.মি হাইওয়েতে ৬৫+।তবে বাইকটির নেগেটিভ ইস্যু হলো এর অটো চক প্রবলেম।মেইনটেনেন্স খরচ খুব কম হয় আর স্পেয়ার পার্টস সহজলভ্য দামে সস্তা হবার করনে ঝামেলা কম হয়।উত্তরা মোটরস এর আফটার সেলস সার্ভিসও ভালো পেয়েছি।সর্বোপরি বাইকটি ১০ বছর থেকে চালাচ্ছি মেজর কোন সমস্যা ছাড়াই।
Bajaj Pulsar 150 Twin Disc
বরাবরই ছোট থেকা বাইকের প্রতি আগ্রহ টা খুব বেশি, প্রথম পালসার বাইক দেখি কোলকাতায় ২০০৩ কিংবা ২০০৪ সালের কথা, স্পোক চাকার পালসার ১ম মডেল। যাই হোক ছোট করেই শেষ করি, বাইক চালাই ২০০৯ সাল থেকে আব্বুর বাইক হিরো স্পলেন্ডর, ২০২১ এ অবশেষে নিজের টাকায় পালসার টুইন ডিস্ক ১৫০সিসি বাইক টা কিনি যদিও বাইক টা আমাকে ১৫০সিসির চেয়ে বেশি পারফরম্যান্স দিয়েছে, রেডি পিক-আপ না হওয়া স্বতেও রেডি পিক-আপ এন্ড ইমারজেন্সি টান ও লং এ একটা ভালো ব্যালেন্সিং এন্ড ব্রেকিং এর ও ব্যাপার আছে এই মডেল টায়। বাইক টা বাজারে নতুন আসায় আমার পিছের চাকার ডিস্ক ব্রেক এর ব্রকেট নস্ট হয়ে জায় কোনো কারনে যা অ-মেরামতযোগ্য, তাই পুরো মাস্টার চেম্বার সহ চেঞ্জ করা লাগসিল এবং খুব বেগ পেতে হয়েছিল তা খুজে বের করতে,যদিও এখন বাজারে এভেইলেবেল। " তবে পরিশেষে কি একটা কথাই। কি জানেন? " বাইক যত দামী ই হোক না কেন যত হাই সিসির হোক না কেন। টান,ব্যালেন্স, ব্রেকিং সবই ডিপেন্ড করে নিজের উপর বা চালক এর উপর। এক্সেলেরেশন, প্রপার গিয়ার শিফটিং, ক্লাচ ট্যাপ-রিলিজ, ব্রেকিং প্রতি টা বিষয় ই আলাদা বাইক ' কোম্পানির ' বাইক ভেদে। সব বাইক যে সেইম পারফরম্যান্স দিবে তা নয়। আগে বাইক কে বুঝতে হয়, বাইক কে অন্তর দিয়ে বুঝলে বাইক ও আমার কথা শুনবে সিম্পল ব্যাপার। ওহ ভালো কথা আমার পালসারটি যদিও এখন আর নেই, ক্ষনিকের জন্য এসেছিল আমার জীবনে। ধন্যবাদ।
Bajaj Pulsar 150
আসলে খুব সখের বশয়েই বাইক টি কিনেছিলাম,বাইক টি যে আমার খুব দরকার ছিল তা কিন্ত না। বাইকটির ভাল দিক: ১.বাইকটি সব বয়সের লোকের সাথে মানান সই ।২.সার্ভিসি খরচ কম । ৩. পার্টস সহজলভ্য ৪.বাইকটি অনেক টেকসই।৫.মাইলেজ ভাল। খারাপ দিক: ১.লুকস্ টার তেমন কোন পরিবর্তন নেই।২.হেডলাইটের আলো কম। ৩.সামনের চাকাটি বেশিই চিকন। মাইলেজ: বাইকটি ৫০০০০ কি. মি. চলছে,এখন ও মাইলেজ ৩৮-৪০ কিমি/ লি । পিকআপ: মোটামুটি ভাল। কমফোর্ট (৯০/১০০) এবং ব্রেক মোটামুটি ভাল এছাড়া বাইকটির ওভারঅল পারফোমেনস ভাল। আফটার সেলস সার্ভিস: খুব একটা ভাল না ,সার্ভিসিং খরচ খুব বেশি নই।
Bajaj Discover 110 Disc
Maje maje kisu prb face kri Brek prb fuel beshi khooros hoi
Pulsar 150 Twin Disc ABS
বাইকটির ফ্রন্টে ব্যবহার করা হয়েছে ২৮০ মিলিমিটার ডিস্ক প্লেট অ্যান্ড রেয়ার এ ব্যবহার করা হয়েছে ২২০ মিলিমিটার ডিস্ক প্লেট। বাইকটিতে সামনে ব্যবহার করা হয়েছে ১০০/৭০ সেকশনের টিউবলেস টায়ার এবং পিছনে ব্যবহার করা হয়েছে ১৩০/৭০ সেকশনের টিউবলেস টায়ার । উভঁয় চাকার রিম গুলো হলো এলোয় রিম এবং রিমের সাইজ হলো ১৭। আমার এই বাইকটি টোটাল ৬বার সার্ভিস দিয়েছি তা ছাড়া আর কোনো সার্ভিস আমি দেইনি ।আর আমি সার্ভিস করাই কর্ণফুলি মেইন সার্ভিস সেন্টার থেকে । ২৭০০ কিলোমিটার পূর্বে মাইলেজ পেয়েছি ৪০ করে এবং ৫০৫০ কিলোমিটার এর পড়ে মাইলেজ পাই ৪৫। আমি মনে করি যত্নে রতন মিলে তাই আমি আমার বাইকটি সব সময় ই যত্নে রাখি। এখন পর্যন্ত আমার বাইক এর ব্রেক সু ১ বার এবং বল রেসার ২ বার পরিবর্তন করি। আমি সর্বদা চেষ্টা করি অন্যের থেকে একটু আলাদা থাকতে তাই সেটা আমার বাইক এর ক্ষেত্রেও কেনো না আমি আমার যেই বাইক টি ইউজ করতেছি এইটা আমি কালার এর কিছু পরিবর্তন আনছি যেটা ব্রাজিল এ দেখা যায় এই কালার টা । বাইকটি দিয়ে আমার সর্ব্বোচ টপ স্পীড পেয়েছি ১৩৫ ।
Bajaj Discover 125 Disc
During covid 19, since my father started using personal car, I started using his bike. To be honest, I am satisfied enough with this bike for it's excellent mileage & amazing build quality. Though this model is backdated compared to this generation, but I am comfort with this bike due to it's build quality & longer mileage.
Bajaj Pulsar 150
Nijer bike niye kisu bolar nai khub e vloBut bike bd amr kache khub vlo lage
Bajaj Pulsar 150 Twin Disc
বাইক আমার ভালবাসা। আমি একজন রাইডার পাশাপাশি রাইড শেয়ার করি। বাইক টি ওভারআল সব দিকই ভালো মাইলেজ সিটি তে ৩৮-৪০ এবং ৪০-৪৫ হাইওয়ে তে। বাইকটির আফটার সেল সার্ভিস খুবি ভালো। বাইকটির খরচ খুবি কম। আমার কাছে বাইকটি খারাপ লাগার মতো তেমন কিছু নেই এইটা বাজেটের বেস্ট বাইক।