Verified reviews from Bajaj EV owners. Know the pros and cons from real riders.
Bajaj Pulsar 150 Twin Disc
জীবনের প্রথম ভালোলাগার বাইকটির নাম পালসার। ভালো লাগা থেকেই পালসার ডবল ডিক্স বাইকটি কেনা। বাইক টা যেদিন হাতে পাই আমার স্বপ্নের একটা দিন ছিল।এক কথায় অসাধারণ। পালসার বাইক আমাদের মত বাইকারদের জন্য অল্প টাকার মধ্যে মোটামুটি সবকিছুই দিয়েছে। আমি পালসার নিয়ে সন্তুষ্ট। এর মাইলেজ ব্রেকিং নিয়ে আমি সন্তুষ্ট। এক কথায় আমার কাছে এর পারফর্মেন্স অসাধারণ। অল্প টাকার মধ্যে সবকিছু। আর বাইকটির সার্ভিসের কথা চিন্তা করলে উত্তরা মটরস খুব যত্নের সাথে বাইকটি ফ্রি সার্ভিসিং এর ব্যবস্থা করেছেন। যেটা প্রত্যেকটা বাইকারদের জন্য একটা সুখবর। কেননা বাইকের সার্ভিস যদি অন্য কোথাও করতে হতো তাহলে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হতো! এককথায় নিরাপত্তা থাকত না! উত্তরা মটরস তাদের নিজস্ব সার্ভিসিং সেন্টারে বাইকটি অনেক যত্নের সাথে সার্ভিস প্রদান করে থাকেন। এই কারণে উত্তরা মটরস কে জানাই ধন্যবাদ। আর সার্ভিসিং এর ক্ষেত্রে প্রথম কয়েকটা সার্ভিস ফ্রি থাকে! আর ফ্রি সার্ভিস শেষ হয়ে গেলে নামমাত্র অল্প কিছু টাকা দিলে উত্তরা মটরস খুব যত্নের সাথে বাইকটি প্রপারলি সার্ভিস করে দেন। আমার কাছে সব কিছুই অসাধারণ লেগেছে। আমি পালসার এর মেম্বার হতে পেরে আমি নিজে গর্বিত।
Pulsar 150 Twin Disc ABS
It is a daaaam good machine with comfort and casual look. Easy to ride, good breaking system, & overall balanced matchine.
Bajaj Pulsar NS160 Twin Disc
২০১৯ এর শেষের দিকের কথা। বাজেট ২ লক্ষ টাকার মধ্যে। সে সময় এই বাজেটে প্রতিযোগিতার বাজারে নিজের সাধ্যের মধ্যে সুখটুকু খুঁজে নেয়ার হিসেব মিলাতে মিলাতে পথ চলা শুরু হয় Bajaj Pulsar NS 160 এর সাথে। তখন বাইক তেমন ভালোভাবে চালানোর অভিজ্ঞতা ছিল না। বলা যায় আমার বাইক চালানোর হাতেখড়ি হয় NS160 দিয়েই। ছোটবেলায় আমাদের প্রাইমারি স্কুল যেভাবে আমাদের জীবনে একটি অন্যরকম জায়গা করে নিয়েছে, ঠিক তেমনি এই বাইকটিও জীবনের প্রথম বাইক হিসেবে একটি আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। এবার আসা যাক সেই স্কুল লাইফের মতোই বাইকের সাথে কিছু মধুর ও তিক্ত অভিজ্ঞতার কথায়। প্রথমেই বলবো লুকের কথা, ২ লক্ষ টাকা বাজেটের মধ্যে সব থেকে সুন্দর ও এগ্রেসিভ লুকের বাইকগুলোর মধ্যে Pulsar NS160 কে এগিয়ে রাখবো সবার আগে। তবে তার ও আগে NS200 এর প্রতি আলাদা একটা ভালোলাগা কাজ করতো। সেদিক থেকে পছন্দের তালিকায় NS160 অনেকটাই এগিয়ে ছিল। তারপর আশা যাক বাইকটির বিল্ট কোয়ালিটিতে, ইন্ডিয়ান বাইকগুলোর বিল্ট কোয়ালিটি নিয়ে অনেকের নানা মত থাকলেও NS160 এর কালার কোয়ালিটি এবং বিল্ট কোয়ালিটি নিয়ে আমার অভিজ্ঞতায় আমি কখনোই প্রশ্ন তোলার সুযোগ পায়নি। তারপর আশা যাক বাইকটির ব্রেকিং এবং কন্ট্রোল নিয়ে, বর্তমানে বাইকটির ABS (Antilock breaking system) ভার্সন থাকলেও সেসময়ে শুধু সিঙ্গেল এবং ডাবল ডিস্ক হিসেবেই পাওয়া যেত। আমার বাইকটি ছিল ডাবল ডিস্ক। তবে ABS না থাকাতেও ব্রেকিং অভিজ্ঞতা কখনো খারাপ ছিল না। এছাড়াও, বাইকটির পারিমিটার ফ্রেম এবং সেন্ট্রাল অফ গ্রাভিটি একটু উপরে হওয়ায় এর কন্ট্রোলিং যথেষ্ট ভালো ছিল। এর থ্রি পার্ট হ্যান্ডেলবারের জন্য এর সিটি ও হাইওয়ে কমফোর্ট যথেষ্ট ভালো। এবার আসি এর পারফরমেন্স নিয়ে, বাইকটির ইনিশিয়াল থ্রোটল রেসপন্স যথেষ্ট ভালো। কিছু কিছু সিচুয়েশনে এই রেসপন্স খুবই গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে হাইওয়েতে। বাইকটি নিয়ে আমি দেশের বিভিন্ন জায়গায় ট্যুর করেছি। ওয়েল কুলড ইঞ্জিন হওয়ায় লম্বা সময় চালানোর পরেও এর পাওয়ার ডেলিভারি জনিত কোন সমস্যায় পড়তে হয়নি কখনো। বাইকটি দিয়ে আমি সর্বোচ্চ 131 km/h গতি তুলতে পেরেছি। যদিও রাইডারের ওজন, বাতাসের গতি এবং বাইকের কন্ডিশন অনুযায়ী এর তারতম্য হয়। NS160 এর মাইলেজ পার লিটার ডিসেন্ট বলা চলে, সিটিতে ৩২-৩৪ এবং হাইওয়ে তে ৩৮-৪০ এর মত পেয়েছি। তবে এটি সম্পুর্ণ নির্ভর করবে বাইকের কন্ডিশন এবং রাইডিং স্টাইলের উপর। NS160 এর আফটার মার্কেট সার্ভিস নিয়ে আমি সন্তুষ্ট। মাঝে মাঝে কিছু সমস্যার সম্মুখীন হলেও উত্তরা মোটরস থেকে প্রতিবারই তার সমাধান পেয়েছি। এর স্পেয়ার পার্টস সহজলভ্য হওয়ায় কখনোই কোন সমস্যায় পড়তে হয়নি। এ ছাড়াও সহজলভ্য হওয়ায় পার্টস এর দাম যথেষ্ট সহনীয়। ভালো খারাপ নিয়েই একটি বাইক। এতক্ষন সব ভালো দিক বললেও এখন কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতার কথাও বলবো, বাইকটির ওজন যথেষ্ট বেশি। প্রায় ১৪৫ কেজি, যদিও চালানো অবস্থায় এটি ফিল হয়না তাও এই সেগমেন্ট অনুযায়ী যথেষ্ট ভারী বলা যায়। বাইকটির সিটিং হাইট একটু বেশি হওয়ায় ৫'৭" উচ্চতার কম মানুষদের জন্য একটু কষ্ট সাধ্য হয়ে যায় বাইকটি কন্ট্রোল করা। যারা অনেক ভালো মাইলেজ পার লিটারকে প্রাধান্য দিবে NS160 তাদের অনেক ক্ষেত্রেই নিরাশ করতে পারে। সর্বশেষ খারাপ দিক বলতে গেলে অয়েল কুলড ইঞ্জিন হওয়ায় এর ইঞ্জিনে ১২০০ এমএল ইঞ্জিন অয়েল প্রয়োজন হয়। বাজারে NS 160 এর গ্রেডের (20W50) ১২০০ এমএল ইঞ্জিন অয়েল পাওয়া যায়না, তাই একই সাথে ২টি ইঞ্জিন অয়েল কিনতে হয়। যা কিছুটা ব্যয় সাপেক্ষ। এই ছিল ভালো খারাপ মিলিয়ে Bajaj Pulsar Ns 160 এর সাথে আমার পথ চলা। সবাই হেলমেট পরে বাইক চালাবেন, ট্রাফিক আইন মেনে চলবেন। ধন্যবাদ।
Bajaj Pulsar 150
Once upon a time national bike of Bangladesh. But now it becomes under rated.
Bajaj Pulsar 150 Twin Disc
Very smoothe and enjoyable
Bajaj Pulsar 150
I think this bike is so smart for use at Bangladesh, most bike lovers loves bajaj pulser. I am very happy to use pulser.
Bajaj Discover 125 Disc
Jkhn theke taka income soro korlm. Tkhn thekei sopno bike jodi amr thakto. 23 bosor por aaj amr songi hisebe jokto holo amar bajaj. Bike ti overall good. Mileage ta sovai valo pacche ami kom pacchi .karon bujlmna. Average 39. Arekto beshi hole valo hoto. Looking r design e ati super dhasing bike. Amr family niye aii bike ride korar jonno i think best. Breaking ta arekto improvement er proyojon.. tobo bolbo amr discover amr best.. amr partner
Bajaj Pulsar 150
অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল বাইক কিনবো,অবশেষে স্বপ্ন টা পূরণ হলো,কেনার পর সব দিক দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ, খুবই ভালো সার্ভিস পাচ্ছি। ২ বছর কেনা হয়েছে এখন ৩০+ মাইলেজ দিচ্ছে, যে কোন সমস্যা হলে সব যায়গা থেকে এর সার্ভিস করানো যায়। সার্ভিসের খরচ ও বেশি না।
Bajaj Pulsar 150
সব দিকে দিয়েই ভালো তাই পালছার বাইকটা বেশি পছন্দ এটা একান্ত নিজের মন্তব্য
Bajaj Pulsar NS160 Twin Disc ABS
Pulsar NS 160 twin disc abs refresh edition Price range er dik diye tulona korle kono doubt nai je eitai Bangladesh er best looking beast, bt eita dekhte jemon misty temni kichu tita dik o ache jemon shb cheye baje pillion seat mone hoise amr kache,spare parts pete ektu jhamela,r amr r amr porichito frnd jara ei refresh ta niyechi shobar bike er e emn kichu onakangkhito prblm hoise ja kono notun bike ei kammo na,shb kichu miliye amr bike amr kache always e shera😁😁
Bajaj Pulsar 150 Twin Disc
আমরা আশা করব প্রাইজের তুলনায় আরও ভাল কিছু দেওয়ার জন্য
Bajaj Pulsar NS160 Twin Disc
At this price range Ns 160 gives better power and mileage with unique look. spares parts are available with reasonable price.
Bajaj Pulsar 150
১. তখন পালসার নতুন মডেল ছিল এবং আমার সামর্থ্য অনুযায়ী এটাই পছন্দের তালিকায় ছিল। ২. বাইকের পার্টস অনেক সহজে পাওয়া যায় এবং এর মূল্য তুলনামূলক কম। বাইকের ব্রেকিং সিস্টেম ভালো, সব বয়সের মানুষের সাথে এটা মানানসই একটি বাইক। ৩. পালসার এর ব্রেকিং সিস্টেম অনেক ভালো অন্তত আমার তো মনে হয়। মাইলেজেও আমার আশানুরূপ দেয়। এবং বাইকের বসার সিস্টেম অনেক সুন্দর অনেক আরামদায়ক। ৪. সম্প্রতি আমার বাইকটি সার্ভিসিং করিয়ে ছিলাম এতে 15000 থেকে 20000 মত খরচ হয়েছিল অন্যান্য বাইকের তুলনায় এই খরচটি কম বলেই মনে করি, সহজেই সব স্পেয়ার পার্টস পাওয়া যায়। ৫.
Bajaj Discover 125 Drum
Alhamdulillah onek happy ai bike nia
Bajaj Pulsar 150
2011 মডেল এর বাইক। আমার ভাই কিনেছেন 2017 সালে 2nd হ্যান্ড হিসাবে। 2019 পর্যন্ত ব্যবহার করে। 2020 থেকে আমি ব্যবহার করা শুরু করি। আমার ভাই যখন বাইক তা কিনে একটু বোকাসকা ছিল তাই বাইক তা কিনার সময় বুঝে নাই যে বাইক এ fault আসে। প্রথমবার কাজ করানো পর যখন দেখে 1 বছরের মাথায় আবার কাজ করানো লাগবে তখন সে আর use করতো না বাইক তা আবার কাজ ও করাইতো না। এই বাইক তখন আমি ব্যবহার শুরু করি। মবিল drain দিসিলাম যখন তখন দেখি মাত্র 450ml মবিল drain হইসে তাও আবার ঘন কালো। সামনের ব্রেক ফ্লুইড এর তো কথাই নেই শুকায় jelly হয়ে গেসিল। তাও এই পালসার আমার কলেজ দিনের সঙ্গী। নীল পালসার মানেই আশফাক আসতেসে। বাইক এর durability অনেক। 3জন বসে উত্তর দিয়াবাড়ি ঘুরতাম। কোরবানি এর সময় পিছনে crate বসায় সেখানে 2 মন মাংস তুলে বাসায় নিয়ে এসেছি। আমার বন্ধু 2জন কে বাইক চালানো শিখাই এই বাইক দিয়ে। millege একটু কম দেয়। 25-30। মাপা হয়নাই ঠিক ভাবে। কিন্তু এর বেশি দেয় না সেটা sure। পারফরম্যান্স এর কথা বললে এখনো নতুন পালসার এর মত না হলেও একটা পুরাতন পালসার তারউপর একটু কাজ করানো প্ৰয়োজন বাইক হিসাবে অনেক ভালো। নিজের টাকায় কাজ করাই দেখে কাজ করানো হয় না। কলেজ স্টুডেন্ট এতো টাকা manage করা একটু সময় সাপেক্ষ। কিন্ত যা জমায় তা দিয়ে সার্ভিসিং করাই আলহামদুলিল্লাহ এতেই আমি খুশি।
Bajaj Pulsar NS160 Twin Disc
হটাৎ করে কেন জানি NS ভালো লেহগে যায়! এর মধ্যে ইভ্যালীর অফার চলছিলো, অর্ডার করার ৫৬ দিন পরে পেয়ে গেলাম বাইক, ২৯/৭/২০২০ থেকে এখন পর্যন্ত ভালোই service পাচ্ছি। শুধু ১২০০মি.লি. ইঞ্জিনওয়েল পেরা দেয়, মাইলেজ ৩৮+, পিলিয়ন এর সিট কম্পোটেবল না। প্রতি মাসে servicing এর জন্য সর্বনিম্ন ২০০০+ টাকা খরচ হবেই। ১৭০০০কি.মি. চালানোর পরে চেইন স্পকেট পালটাতে হইচে। দুনিয়ায় ১০০% ভালো কিছুই নেই। ভালো খারাপ মিলিয়ে আমি আমার বাইক কে ভালোবাসি।