Verified reviews from Hero EV owners. Know the pros and cons from real riders.
Hero Ignitor 125 Techno
আমি যখন বাইকটি ক্রয় করি তখন আমি ছাত্র(বিবিএ-৬ সেমিস্টার)।মূলত ছোটবেলা থেকেই ২ চাকার বাহনের প্রতি আমার একটা অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করতো।কিন্তু বাইক ক্রয় করার মত সামর্থ্য ছিলো না। হিরো এবং পাঠাও এর সম্মেলিত ভাবে অল্প ডাউনপেমেন্ট দিয়ে কিস্তিতে একটা অফার আসে। সেই অফারটির জন্য আল্লাহ রহমতে আমার বাইকের আশা পূরন হলো। আমি ১২৫ সিসি বাইক হিসাবে দাম এবং সার্ভিস কম্পেয়ার করে হিরো ইগ্নিটর বাইকটি বেশ ভালো কেগেছে। রেডি পিকাপটাও বেশ ভাল। মাইলেজ টাও ভালো পাই ।ঢাকার মধ্যে ৪০-৪৫ কি.মি । এই বাইকের স্পেয়ার পার্টস তুলনামুলক ভাবে কম দামে পাওয়া যায়। এই বাইকের একটা সমস্যা আমার বেশি লাগে সেটা হচ্ছে এয়্যার ফিল্টার খুব দ্রুত নষ্ট হয়।এখন পর্যন্ত ৪৪০০০ কিমি চালিয়েছি এই বাইকটি দিয়ে।
Hero Thriller 160R Refresh
আমি থ্রিলার বাইক টা কিনেছিলাম আমার বাজেট দুই লাখ টাকা ছিল বলে দুই লাখ টাকার মধ্যে থ্রিলার ছাড়া আর কোন বাইক মার্কেটে গত বছর ছিল না ছিল না বলতে 2 লাখ টাকার মধ্যে আমার রিকয়ারমেন্ট ডাবল ডিস্ক এবিএস আবার এফআই তিনটা জিনিস আমি পাচ্ছি তো আমার কাছে ছিলো ছাড়া আর কোন বাইক এই মুহূর্তে পছন্দ করার মত অপশন ছিল না। আর আমি একটু আনকমন টাইপের বাইক বেশি পছন্দ করি এখনো মার্কেটে আসার দুই বছরের মতো হতে যাচ্ছে দুই বছর পরেও রাস্তায় এভেলেবেল দেখা যায় না।
Hero Passion Xpro Xtec
বাংলাদেশে অতি সম্প্রতি হিরো লঞ্জ করেছে ১১০ সিসি সেগমেন্টের একটি নতুন বাইক প্যাশন এক্সটেক! আমার জানামতে এই ভার্সনটা ইন্ডিয়াতেও লঞ্জ হয়নি যেহুতু ওদের ওখানে অলরেডি বিএস-৬ ভার্সন আছে। কিন্তু এটা বিএস-৪ হলেও কিছু কিছু ফিচারে বিএস-৬ ভার্সনের চেয়েও এগিয়ে। বাইকটিতে প্রথমেই যে জিনিসটা আমার নজর কেড়েছে সেটা হচ্ছে এর লুক! বিএস-৬ এর মত ডুয়েল টোন না হলেও ম্যাট গ্রে কালারের ওপর লাল বা নীল রঙের স্ট্রাইপ খুবই পশ একটা লুক দিয়েছে। যদিও লুক জিনিসটা ব্যক্তিগত রুচির ওপর নির্ভর করে কিন্তু ১১০ সিসিতে এরকম ক্লাসি লুকের বাইক আমি অন্তত আর দেখিনি। সেই সাথে এর ১০০% ডিসি LED প্রজেকশন হেডল্যাম্প এর ইউনিক ডিজাইন ওভারঅল লুকটা আরও প্রিমিয়াম করে দিয়েছে। হিরোর একমাত্র ১৬০ সিসি প্রিমিয়াম বাইক ছাড়া আর কোন বাইকে এরকম ডিসি LED হেডল্যাম্প দিতে দেখিনি। সেই হিসেবে বোঝাই যাচ্ছে ১১০ সিসি হলেও এটাকে হিরো একটা প্রিমিয়াম বাইক হিসেবেই ডিজাইন করেছে! তাই লুক ও ডিজাইনে আমি ৫★ দেব। এরপর যে ফিচারটা ভালো লেগেছে তা হলো সামনের চাকায় বরাবরের মতই ডিস্ক ব্রেক আর সেই সাথে পেছনের ড্রাম ব্রেকের সাথে বিএস-৬ ভার্সনের মতই আইবিএস মেকানিজম অর্থাৎ পেছনের ব্রেক চাপলে একই সাথে সামনের ব্রেকও এনগেজ হবে। ব্রেকিং এবং কন্ট্রোলেও তাই আমি এই সেগমেন্ট হিসেবে ৫★ দেব। এই বাইকে আরও যে জিনিসটা ভালো লেগেছে তা হলো বিল্ট ইন ইউএসবি চার্জার। ইঞ্জিন চালু থাকলে ইঞ্জিনের শক্তি দিয়ে মোবাইল চার্জ করবে বলে ব্যাটারি বসে যাবার রিস্ক নেই। আর এটার ১০০% ডিজিটাল মিটার কনসোলও এই সেগমেন্ট-এ প্রথম। তাও আবার এর সাথে আছে ব্লুটুথ কানেক্টিভিটি যা দিয়ে রানিং এ কেউ কল দিলে ডিসপ্লেতে কলারের নাম/নাম্বার সহ দেখা যাবে! আর সবচেয়ে ইউনিক ও প্রিমিয়াম ফীল দিয়েছে যে জিনিসটা সেটা হলো বাইকের চাবি অন করার সাথে সাথে ডিসপ্লেতে আমার নাম সহ লেখা উঠে- Hello Sofiqul Islam! এটা জোস লাগে আমার কাছে। যেন আমার বাইক আমাকে ডেকে বলছে- চলেন বস, হয়ে যাক একটা রাইড! ১১০ সিসির একটা বাইকের কাছে স্বভাবতই ফিচারের চেয়ে মাইলেজ বেশি প্রাধান্য পায়। এটাতে হিরোর পেটেন্ট i3S টেকনোলজি থাকায় ঢাকা সিটি রোডেও ৫০+ মাইলেজ পাওয়া যায়। মাইলেজেও আমি এটাকে ৫★ দিচ্ছি তবে হিরোর সার্ভিস এবং স্পেয়ার পার্টস এভেইলেবিলিটি আরও ভাল করতে হবে। পার্টস এর দাম অরিজিনাল পার্টস হিসেবে মেনে নেয়া গেলেও কোন পার্টস না থাকলে এভেইলেবল করতে অনেক সময় ভালোই অপেক্ষা করতে হয়। এই ব্যাপারটায় ওয়ার্কশপগুলোকে আরেকটু আন্তরিক হতে হবে। আর পারফরম্যান্সও সেগমেন্ট বিচারে বেশ ভাল লেগেছে আমার কাছে। দামটা আরেকটু কম হলে কাস্টমারদের জন্য আরও ভালো হতো এবং আরও বেশি মার্কেট পেতো বলে মনে করি। বিশেষ করে ১.২০ লাখের মধ্যে হলে আমার ধারণা এই সেগমেন্টে এটাই বেস্ট চয়েজ হতো সবার। যদিও ঢাকায় এই সেগমেন্টে অনেকে রাইড শেয়ার করার জন্য আরও কম দামে এন্ট্রি লেভেলের বাইক পছন্দ করবে কিন্তু যারা রেগুলার অফিস যাতায়াত করার জন্য ভাল মাইলেজের সেই সাথে একটু এক্সিকিউটিভ লুকের আর একটু ভাল ফিচারওয়ালা বাইক চান তাদের জন্য এটা একটা টপ লিস্টেড বাইক হতে পারে। আমার মনে হয় বাজেট সমস্যা না থাকলে ১১০ সিসির অন্য যেকোন বাইক কেনার আগে অন্তত একবার এই বাইকটা ফিজিক্যালি দেখে যাওয়া উচিৎ সবার। ধন্যবাদ।
Hero HF Deluxe Tubeless Refresh
বহুদিন ধরে হিরো HFHF Deloux 100cc বাইকটি ব্যবহার করছি। ১০০সিসির বাকি বাইক গুলো কম বেশি ব্যবহার করেছি তবে এতেই সবচেয়ে মজা বেশি পেয়েছি যেমন কম্ফোর্ট তেমনি মাইলেজ,তেল নিয়ে অন্তত কখনো চিন্তা করতে হয়নি। যদি বাইকটির নেগেটিভ বিষয় বলি তাহলে হচ্ছে টায়ার। টায়ারটি টিউবলেস না হওয়ায় প্রায়ই সমস্যাই পরতে হয়। এই ১০০সিসি বাইক গুলোকেও কোম্পানি টিউবলেস টায়ার দিলে সব চেয়ে ভালো হয়। তাছাড়া ডেইলি ইউস এ দারুন পারফর্মেন্স পাচ্ছি। এক কথায় এই বাইকটি অসাধারণ। বাইকটি ব্যবহার করছি ৩ বছর + এখনও তেমন কোনো তিক্ত অভিজ্ঞতার শিকার হই নি।ভালোই চলছে। ধন্যবাদ
Hunk 150 Double Disc
Hunk 150cc It's a wonderful bike. Most of the greats said is Braking & control. Milage is average & not bad inter city 30-35km & out of city 40km per little.
Hunk 150 Double Disc
I have only one thing for suggestions that is tyre size, except that everything thing is okay.
Hero Hunk Matt Edition Dual Disc
Best 150 cc bike in Bangladesh within this budjet. Comfort, control and milage is also good enough.
Hunk 150 Double Disc
Bike iz a life as a wings for ever bike lover.who ride bike frm they're soul...im using hero hunk frm 2014.i called her by lal tomatoo.itz good things abt braking,comfort....Bad thing milage.i got 30/32km per litter....
Hero Passion Xpro i3S
আসসালামুআলাইকুম। প্রথমেই সরি কারণ ১ বাইকটি আমার নায়। আমার বাবার। ২ আমি ১৮ এর নিচে ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়াই এই ৩ বছর চালিয়েছি। আমার বাবার বাইকটি হিরো হোন্ডা পেশন প্রো ২০১১ তে কিনা। আমি চালানো শিখি ২০১৮ তে প্রায় ৪ বছর হতে চল্ল চালচ্ছি। এক কথায় সেই একটা বাইক। কথায় আছে নাহ পুরান চাল ভাতে বাড়ে। আমার বাবা কিপটা মানুষ নাহ ঠিক মতন সার্ভিস করায় নাহ ভালো মানের তেল ভরে। তাও বাইক দিব্বি চলতাসে। বাইক্টার বয়স ১২ বছর প্রায়। এখনো দিব্বি চলতাসে ইঞ্জিন একবারো খোলা হয় নাই। আর ব্রেক পারফরম্যান্স বাইক এর বয়স অনুযায়ী পারফেক্ট। এখানে ৪৫ মাইলেজ দেয় বাইক্টি ৭০হাজার কিলোমিটার চলেছে। ইনশাআল্লাহ সামনের মাসে নতুন বাইক কিনব। আমার ইচ্ছা জিক্সর কিনার। অইটা থাকবে বেচব নাহ। দেখি আরো কত বছর চলে।
Hero Glamour BS4 i3S
হিরো হোন্ডা গ্ল্যামার ২০০৭, আমার প্রথম বাইক। মূলত বাইক টি আমার কেনা নয়। এটি আমার বাবার ক্রয়কৃত বাইক। বাবার পিছে বসে সবসময় চলতাম। মূলত বাবার বাইক দেখেই বাইক এর প্রেমে পরেছি। বাবার বাইক দিয়েই বাইক চালানোর হাতেখড়ি হয়েছিল। বর্তমান এ বাইকটি আমিই চালাই। ১২৫ সিসির বাইক হিসেবে এর রেডি পিকাপ ডিসেন্ট বলা চলে। ড্রাম ব্রেকিং সিস্টেম হওয়ায় ব্রেকিং বেস্ট না হলেও মোটামুটি ভালই। তবে কন্ট্রলিং আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। এর মাইলেজ ও মোটামুটি চলে। তবে বাবার বাইক হওয়াতে এর মধ্যে এক অন্যরকম ফিলিংস পাওয়া যায়। সার্ভিস নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই, এর স্পেয়ার পার্টস খানেই এভেলেবেল এবং সার্ভিস কস্ট অ খুব কম। দিনশেষএ বলতে চাই আমি এই বাইকটি নিয়ে সন্তুষ্ট।
Hero Thriller 160R
বাইক টি দুই লাখ টাকা বাজেটের মধ্যে অসাধারন একটি বাইক। যার ব্রেকিং & কন্ট্রোলিং স্মুথ। লং রাইড করার পরও কোন ব্যাক পেইন পাইনাই। সমস্যা পেয়েছি কিছু যার মধ্যে ইঞ্জিন হিট এবং হেট লাইটের আলো অন্যতম। হেডলাইট এর এই আলো নিয়ে হাইওয়ে রাইড করা যায় না।
Hero Hunk Matt Edition Dual Disc
Service niye moteo satisfied na ekta thik krte bllo arekta jhamela kore rkhe mileage o kn jni mone hocche kom pacchi but look amr kase vlo lge ei budget e besh vlo look
Hero Hunk 160
Hero has done a good job with the new hunk. The breaking performance remarkably better than before.
Hunk 150 Double Disc
Perfect Commuter Bike with Good Milage.