Verified reviews from Hero EV owners. Know the pros and cons from real riders.
Hero Ignitor 125 Techno
Vhai bikebd ❤️ekhane tai er kichu chintai aschena.
Hero Thriller 160R Refresh
This Bike has been under 2lack Tk Price in Bangladesh. Considering the budget, it will be a great Motorcycle.
Hero Glamour BS4 i3S
Overall good parformance. Everything perfect in the price range. Thanks.
Hunk 150 Double Disc
I got the best control in wind and fog in highway.Milage not upto 36km/ltr. Breaking average since the rear tyre is not that thick. Being a commuter bike it performs so well in highways.
Hunk 150 Double Disc
2 year plus used krtesi…best performance passi…mileage 40-45 passi…parts er dam o kom…akta e problem ready pickup ta kom
Hero Thriller 160R
I am using this bike about 01 year. The controlling of this bike is very good and ready pick-up is very satisfying. Also fuel cost is very low. Overall this is a good bike in bd at this price rang.
New Hero Hunk 150R Dual Disc ABS
হাংক এর প্রতি অন্য রকমের অনুভূতি কাজ করে যা অন্য বাইকের প্রতি আমার করে না।এর কারন হচ্ছে ৭ বছর যাবত হাংক চালাচ্ছি, পাশাপাশি হিরো গ্লামার ও চালাচ্ছি।
Hunk 150 Double Disc
Hello I m using this bike last,3 years.I have ride these bike around more than 17000km. But still performance of this bike is too good... And also mileage 47-50 kmpl. Most of the time i think to change but when i asked myself there is no any reason to get new bike. If i buy new bike so will go for only hunk. It very sure that the quality of parts this bike are very good. For example i changed its chain sparked after 12000km.And very satisfied by this bike.
Hero HF Deluxe Tubeless Refresh
If it’s change backside design then it will a dashing bike to look. Other things are ok.
Hero Glamour BS4 i3S
এই বাজেটে সেরা বাইক গ্লামার, আমি এই বাইক নিয়ে অনেক লংটুর দিয়েছি, বরাবরই আমাকে ভালো সার্ভিস দিয়েছে এই বাইক, মাইলেজ পেয়েছি হাইওয়ে তে ৫৭ কি.মি এবং সিটিতে ৫২ কি.মি, এবং টপ স্পিড তুলতে পেরেছি সোলো রাইডে ১১৫ কি.মি, সব মিলিয়ে বাইকটা খুবই ভালো, তবে এই বাইকের ব্যাক সাইটের প্লাস্টিক কোয়ালিটি খুবই বাজে হিরো বাংলাদেশের উচিৎ এই সাইট উন্নত করা, এবং এর হেড লাইটের আলো খুবই কম এবং এসি সিস্টেম হওয়ায় হাইওয়েতে এই আলো পর্যাপ্ত নয়, ধন্যবাদ।
Hunk 150 Double Disc
Hunk, the most durable and comfortable commuter bike ever I've used. This is made of very High quality materials. Also its braking & controlling is better than the other competitors. This design is also aggressive as we like to ride. 😎 All the spare parts are available everywhere inside & outside Bangladesh. I miss my hunk still now.
Hero Thriller 160R
Literally I was surprised after first drive, I'm very satisfied to own a Hero Thriller 160r. As its performance easily I've considered its looks. The monoshock is very very soft as till best suspenion in Bangladesh. This is undoubtedly the best motorcycle in 2 lacs segment motorcycle in Bangladesh.
Hero Glamour BS4 i3S
হিরো গ্ল্যামার বাইক টি কেনার পেছনে সর্বপ্রথম কারণ হলো বাবা ২০০৩ সাল থেকে হিরোর অন্য মডেলের কয়েকটি বাইক চালিয়েছিলেন। এজন্য দীর্ঘ ১৫ বছর পরও প্রথমেই হিরোর শো-রুমে গিয়ে হিরো গ্ল্যামার বাইক টি পছন্দ করেন বাবা। অভিভাবক বয়সের জন্য আরামদায়ক এবং নতুন জেনারেশন হিসেবে আমারও পছন্দ হয় বাইক টি। বাইক টি কেনার সময় সবচেয়ে সুন্দর অভিজ্ঞতা হলো বাবা আমার নামে কিনেছিলেন বাইক টি। চোখ ভিজেছিলো সেদিন। যদিও বাইক টি প্রয়োজন ছিলো বাবার। বাইক টির ভালো দিক- হ্যান্ডেল গ্রিপ ভালো হয়৷ হাতের সাথে কমফোর্ট। সবচেয়ে বড় কথা বাবা৷ বাইক টা চালায়ে আরাম পান। বাইকটির খারাপ দিক হলো- প্লাস্টিক বডি, পেছনের চাকা তুলনামূলক চিকন, বৃষ্টির দিনে হাইড্রোলিক ধরলে স্লিপ করার চান্স বেশি, চেইন সেট দূর্বল। তবে বাইক টির মাইলেজ এখন পর্যন্ত ৫০/৫৫ যায়, আলহামদুলিল্লাহ। এক্সিলেটর পিক আপে এখন পর্যন্ত পুরো ঠেকায়ে একবার চালিয়েছি। সর্বোচ্চ গতি ৮০ কি.মি। সার্ভিসিং করাতে গিয়ে আলহামদুলিল্লাহ তেমন কোন সমস্যা হয়নি, এখনও হয়না। সকল পার্টস এ্যভেইলেবেল। সার্ভিসিং খরচ খুব একটা বেশি না।
Hunk 150 Double Disc
হান্ক বাইকটি ছোট বেলা থেকেই আমার খুব পছন্দের। তবে সাদা রং এর টা বেশি পছন্দের হলেও আমি ব্রাউন বর্ণের বাইকটিই কিনতে সক্ষম হই। আমি খুব আনন্দের সাথে এটি রাইড করে থাকি। বাইকটিতে কিছু কন্ট্রোলিং সমস্যা থাকলেও বাইকটি রাইডে আলাদা একটা মজা আছে।
Hero Splendor Plus IBS i3S
হ্যালো বাইকার্স! আমি মিঠুন। আমার স্থায়ী ঠিকানা খুলনা বিভাগের নড়াইল জেলায়। বর্তমানে আমি যশোর থাকি। বর্তমানে আমি রাইড করছি Hero Splendor+ I3s ibs 100cc । আজ আপনাদের সাথে বাইকটি নিয়ে আমার কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার করবো । আমার জীবনের দ্বিতীয় বাইক এটা। ইন্ডিয়ান গাড়ি হিসাবে আমার কাছে মোটামুটি ভালো, আমি ১০০,৫০০ হাজার টাকা দিয়ে কিনেছিলাম। কিন্তু বাইকটির মূল্য তখন ১,০৪,৫০০ হাজার টাকা বাজারে দাম ছিলো। কিন্তু তখন একটা অফারের কারনে আমি ৪০০০ হাজার টাকা ছাড় পায়। আমি কেন বাইকিং ভালোবাসিঃ আমি বাইকিং ভালোবাসি এর পিছনে অনেক গুলো কারণ রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম কারণ ছোটবেলা থেকেই মোটরসাইকেলের প্রতি একটা অন্যরকম নেশা কাজ করতো। তখন রাস্তা দিয়ে কোন মোটরসাইকেল আরোহী গেলে তাকিয়ে থাকতাম। আর তার সাথে আরো চিন্তা ছিলো যে ঐ গাড়িটা যদি আমি চালাতে পারতাম। আর ভাবতাম হেলমেট কেনো পরে। কারণটা খুজে পেতাম না। তখন অনেক ধরনের চিন্তা মাথায় আসতো। এটা নিশ্চয়ই যারা বদমাশ চুরি ডাকাতি করে তারা হেলমেট পড়ে কিন্তু যখন হেলমেট এর কার্যকারিতা জানতে পারলাম তখনই ইচ্ছে হল যে হ্যাঁ আমি বাইক রাইড করব। সুন্দর একটা হেলমেট পরব। এই থেকে বাইকের প্রতি একটা অন্যরকম ভালোবাসা তৈরি হয়ে গেছে। তাই বাইকিং আমি ভালোবাসি । বাইকিং আরো ভালোবাসি এই কারণে যে বাইকে একমাত্র যানবাহন যেটা নিয়ে স্বাধীনভাবে এবং নিরপেক্ষ ভাবে নিজের মতন করে সমস্ত জায়গায় ঘোরা যায়। বাইক নিয়ে ঘোরার সবথেকে বড় সুবিধা হলো যেটা অনেক খরচ বাঁচিয়ে দেয় সাধারণত একটা বাসে করে ভ্রমণ করতে গেলে যে খরচ হবে তার তিন ভাগের এক ভাগ খরচ শুধুমাত্র বাইকের ক্ষেত্রে হয়। আরো খরচ কম হয় আমার কেনো জানেন কারণ আমার গাড়িটা ১০০ সিসি, তাই অকটেন কম খায়। আমি যেভাবে আমার Hero Splendor+ I3s ibs 100cc বাইকটি বেছে নিলামঃ আমি যেহেতু মার্কেটিং জব করি, তাই ইচ্ছা ছিলো ছোট কোনো গাড়ি কেনার। সাথে আর একটা প্রবলেমও ছিলো টাকার। তাই এর জন্য ইচ্ছা ছিলো যে হিরো বাইক ব্যবহার করবো যতদিন মার্কেটিং জব এর সাথে জড়িত আছি। এই চিন্তা থেকেই আমার বাইক বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত আসলো এবং আমার বাজেট অনুসারে আমি Hero Splendor+ I3s ibs 100cc বাইকটি বেছে নিলাম। আমি কেন Hero Splendor+ I3s ibs 100cc বাইকটি বেছে নিলামঃ আমি স্বল্প বাজেটের ভিতর ভালো মাইলেজ পাবো এই ধরনের একটা বাইক খুজছিলাম। বাজেট কম থাকায় চিন্তা করছিলাম এই বাজেটের ভিতর Hero Splendor+ I3s ibs 100cc তে ভালো মাইলেজ পাবো, মেইনটেনেন্স খরচ কম পরবে। ঠিক এই সকল চিন্তাভাবনা যখনই করলাম তখনই দেখলাম যে এই বাজেটের ভিতর এবং রানার ব্র্যান্ডের ভিতর ভালো কোয়ালিটি Hero Splendor+ I3s ibs 100cc আমার জন্য পারফেক্ট, এই জন্য আমি এই বাইকটি বেছে নিলাম । Hero Splendor+ I3s ibs 100cc বাইকটির দাম এবং বাইকটি কোথা থেকে নিয়েছিঃ এই বাইকটির বর্তমান বাজারমূল্য ১,০৩,৫০০ হাজার টাকা মাত্র। আমি তখন ১,০০,৫০০ হাজার টাকা দিয়ে কিনি। আমি বাইকটি সরাসরি নড়াইল হিরো শো- রুম থেকে নিয়েছি। যেহেতু এইখানে আমার বাড়ি আর এই শো-রুম এর ম্যানেজার এর সাথে ভালো সম্পর্ক ছিলো। বাইক কিনতে যাবার ঘটনাবলীঃ বাইক কিনতে যাওয়ার সময় আমার বন্ধুরা ছিলো ৩/৪ জন। কোনো প্রকার ঝামেলা হয়নি, কারণ শো-রুমের ম্যানেজার পরিচিত ছিলো। শুধু মিস্ত্রিকে বল্ল গাড়িটি সেটাপ করে দিতে। সেই বাইকটা আমি চেক করে দেখব যে বাইকটা একশভাগ ঠিক আছে কি ঠিক নেই। কিন্তু যখন আমি বাইকটা কেনার সিদ্ধান্ত নিলাম তখন এই বাইকটা প্রতিটা ডিপার্টমেন্টে গিয়ে বাইকের প্রতিটা কাজ আমি নিজের হাতে করেছি এবং নিজের মতো করে করেছি। সবথেকে ভালো লাগার ঘটনাবলী বা অনুভূতি হচ্ছে আমি নিজেও মিস্ত্রির সাথে থেকে নিজ হাতে বলতে গেলে তৈরি করা একটা বাইক আমি নিজেই ব্যবহার করছি। তো এইখানে আসলে যে ঘটনাটা আছে বাইকটা কেনার পেছনে সেটা অনেক বেশি রোমাঞ্চকর বলতে পারেন । আবার অনেক বেশি স্মৃতিবিজড়িত বলতে পারেন খুব কম মানুষের ভাগ্য হয় নিজের হাতে একটা বাইক তৈরি করে নিজে ব্যবহার করার। নিজের হাতে একটা তৈরি বাইক ব্যবহার করার যে কি শান্তি কি আনন্দের সেটা একজন বাইকারই বুঝতে পারবে । Hero Splendor+ I3s ibs 100cc বাইকটি প্রথমবার চালানোর অনুভূতিঃ এই বাইকটি প্রথমবার চালানোর অনুভূতিটাও অন্যান্য বাইকারদের থেকে আলাদা কারণ বাইকটা আমি হাতে পাওয়ার আগেই চালানোর সুযোগ আমার হয়েছে। এই বাইকটা তৈরি করার পরে বাইকটি টেস্ট ড্রাইভ আমি দিয়েছি তো সেখানে আরো বেশি আনন্দ কাজ করছিল। আর সবাই বোঝেনত নতুন গাড়ি প্রথম বার চালানোর অনুভূতি কি। যে মাত্র আমি বাইকটি নিজের হাতে অ্যাসেম্বল করলাম সেই বাইকটা আমি এখন টেস্ট ড্রাইভ দিচ্ছি এবং এই বাইকটা আমি নিজে ব্যবহার করব ওই দিনের পর থেকে। আসলে সত্য কথা বলতে সাধারণত প্রতিদিন আমার বাইক ড্রাইভ দিতে হয়। কিন্তু কেন জানি না নিজের অজান্তে আমার যত অভিজ্ঞতা ছিল একটা বাইক ড্রাইভ দিতে যে কোন কোন বিষয় গুলো দেখতে হয় আমার সমস্ত ইন্দ্রিয় গুলো আরো বেশি সচল হয়ে গিয়েছিল। এই বাইকটাতে যেন কোন প্রবলেম না হয় কারণ এই বাইকটা মালিক হব আমি এবং অতি যত্নের সাথে আমি টেস্ট ড্রাইভ দিয়েছি এবং কোন সমস্যা বাইকটিতে পাইনি অসাধারণ একটা অনুভূতি ছিল। কারণ নিজে সাথে থেকে বাইকটি সেটাপ করা। Hero Splendor+ I3s ibs 100cc বাইকটি রাইড করার মূল কারণঃ বাইকটি চালানের মূল কারণ বলতে গেলে একটি বিষয় চলে আসছে পুরনো সব স্মৃতি বিজড়িত বিষয়গুলোই বলতে হবে যে সমস্ত দিক বিবেচনা করলে বা একত্রিত করলে আমার বাইক চালাতে অসাধারণ ভালো লাগে তাই আমি বাইক রাইড করি । Hero Splendor+ I3s ibs 100cc বাইকটির ফিচারঃ বাইকটি ২০২১ সালের আপডেট বাইকটিতে রয়েছে সেল্প ইস্টাট+ibs ব্রেকিং সিস্টেম । কারন আগে এই গাড়িতে ibs ব্রেকিং সিস্টেম ছিলোনা। সামনে এবং পিছনে দুটি ব্রেকই ড্রাম ব্রেক। ibs ব্রেকিং সিস্টেম হওয়া ব্রেক কন্ট্রোল খুবই ভালো। বরাবরের মতো এর সব লাইট গুলোই হ্যালোজেন লাইট এনালগ স্পিডোমিটারপ্রতিদিন বাইক চালানোর সময় আমার মনের অনুভূতিঃ যেহেতু বাইকটা নিজের কষ্টের টাকায় নিজের পছন্দমত সাধ্যের মধ্যে, নির্দিষ্ট সেগমেন্টের, একটি বাইক আমি কিনেছি। বাইক চালানোর অনুভূতি আসলে ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। তারপরও যেটুকু না বললেই নয়। যেহেতু বাইকিং ভালোবাসি আর সেই থেকেই এই বাইকটা কেনা সেহেতু ভালোবাসা জড়িয়ে রাইড করি । আমি যথেষ্ট সন্তুষ্ট বাইকটি রাইডিং করে। বাইকটি রাইড করার সময় একটা কথাই বারবার স্মরণে আসে। যে বাইক চালানো এতটাই পছন্দ করতাম যে একটা স্বপ্নের মতন ছিল। নিজের একটা বাইক থাকবে আর সেই বাইকটা নিয়ে আমি রাস্তায় নিজের মতো করে রাইড করে বেড়াবো। আসলে সে অনুভূতিটা এখন বুঝতে পারছি স্বপ্নটা সত্যি হলে মানুষের জীবনে যে অনুভূতি আসে। হোক সেটা যে কোন স্বপ্ন ঠিক সেই অনুভূতি আমার বাইকটা রাইড করার সময় আমি পাই । আমার বাইক আমি যতবার সার্ভিস করিয়েছিঃ যত বার সার্ভিস করিয়েছি সব বারই শো-রুম থেকে। কোনো বার সার্ভিস করাতে যেয়ে আমার কোনো ভোগান্তির শিকার হতে হয়নি। যা দিয়ে আমি সময় মতো সার্ভিস করি যেমন সার্ভিস সেন্টারে কিছু মেনুয়াল রয়েছে। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে সার্ভিস একটু অন্যরকম। আমি প্রতি মাসেই একটা স্পেশাল সার্ভিস দিয়ে থাকি যেটা টাকা দিয়ে এই সেবা কখনো আপনি কোন সার্ভিস সেন্টারে নিতে পারবেন না। কারণ আমার বাইক তারপরে আমি সার্ভিস করতে পারি সে ক্ষেত্রে কতটা যত্ন নিয়ে আমি বাইকটা সার্ভিস করি সেটা অবশ্যই আপনারা এখন বুঝতে পারছেন । বাইকটা আমি টোটাল ১১০০০ হাজার কিলোমিটার চালিয়েছি এবং এই ১১০০০ কিলোমিটারে আমি প্রতি মাসে একবার মাস্টার সার্ভিস করেছি। প্রতিমাসে বা বলতে গেলে প্রতি এক হাজারে একটা স্পেশাল সার্ভিস আমি বাইকটিতে দিয়েছি । যার কারণে আমার বাইকটিতে কখনো কোন প্রবলেম দেখা দেয়নি। কারন আমি প্রতিটা পার্টস সময় মত মেইনটেইনেন্স করেছি। যখন যেখানে সার্ভিস প্রয়োজন সাথে সাথে সেই জায়গাটা সার্ভিস করে ফেলেছি । হোক সেটা বাইকের বডি, ওয়ার হার্নেস, অথবা ইঞ্জিন । মোট ২৫০০ কিলোমিটার আগে এবং পরে বাইকের মাইলেজঃ এই বাইকটি নতুন কেনার পর থেকে ২৫০০ কিলোমিটার চালানোর পূর্বে আমার বাইকটির মাইলেজ পেতাম ৬০ থেকে ৬৫ কিলোমিটার প্রতি লিটারে। কিন্তু ২৫০০ কিলোমিটার চালানোর পরবর্তী সময় থেকে বা একটু আগে থেকেই মাইলেজ বাড়তে থাকে অর্থাৎ তখন আমি প্রতি লিটারে সিটি এবং হাইওয়েতে বাইকটি রাইড করে মাইলেজ পেয়েছি বা পাচ্ছি ৭০ কিলোমিটার প্রতি লিটারে। কিভাবে বাইকটির যত্ন নেইঃ আমি মোটামুটি একজন টেকনিক্যাল পার্সন সেক্ষেত্রে আমার বাইকের যত্নটা সবার থেকে আলাদা আমি বাইকের স্পার্ক প্লাগে ময়লা জমে যাওয়া, এয়ার প্রেসার সঠিক রাখা, সবসময় ফুয়েল চেক করে ব্যবহার করা, ব্যাটারির সঠিক মেইনটেনেন্স, ময়লা পরিষ্কার করা, রোদে গেলে বাইকটি ঢেকে রাখা,পানি দিয়ে পরিষ্কার করলে সাথে সাথে পানি গুলো শুকিয়ে ফেলার ব্যবস্থা করা, ক্লাচ কেবল, ব্রেক কেবল, থ্রটল ক্যাবল, চেইন এগুলো সব সময় ধুলোবালিমুক্ত রাখা, চেক করা এবং পিচ্ছল করার জন্য সময় মতো অয়েল দেওয়া, সহ প্রতিটা ক্যাবলের ফ্রি পেলে সব সময় সঠিক পরিমাণে রাখা। এই ধরনের সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম আরও অনেক বিষয় সবসময় আমি মেনটেনেন্স করে থাকি । আমার বাইকে ব্যবহৃত ইঞ্জিন অয়েলঃ আমি ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহারের ক্ষেত্রে Hero 10w30 ব্যবহার করেছি। সবসময় আমি Hero 10w30 ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করি। এখনও কোনো প্রবলেম দেখা দেয়নও। বাইকটির কি কি পার্টস পরিবর্তন করেছিঃ ১০০ সিসি গাড়ি হলেও আমি অনেক বেশি লং ড্রাইভ করি বাইকটি দিয়ে এবং একটু ওভার স্পিডে রাইডিং করি। তবে এর জন্য বাইকটিতে বেশি পার্টস আমাকে পরিবর্তন করতে হয়নি। আর যে পার্টস গুলো আমি পরিবর্তন করছি তার ভিতরে অন্যতম ছিল – অয়েল স্কিন (একবার ) এয়ারকুল্ড ( একবার) এই পার্টস গুলো মূলত পরিবর্তন করার প্রয়োজন ছিল। কারণ অতিরিক্ত লং ড্রাইভ করা হয়েছিল বাইকটি দিয়ে। একটা এয়ারকুল্ড ১০০ সিসির ইঞ্জিন দিয়ে আমি ৮০০০ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছি। বাইকটি থেকে আমার তোলা সর্বোচ্চ স্পিডঃ আসলে ১০০ সিসির গাড়ির আবার টপ স্পিড এর কথা কি বলবো। তারপরও বলি খুব মজার বিষয় ১০০ সিসি গাড়িতে আমি ৯০+ স্পিড পায়ছি। Hero Splendor+ I3s ibs 100cc বাইকটির পাঁচটি ভালো দিকঃ বাইকটির মাইলেজ তুলনামূলক হিসাবে অন্য বাইকের থেকে অনেক ভালো বাইকটির সিট প্রশস্ত এবং লম্বা হওয়ায় পিলিয়ন নিয়ে চালাতে বেশ আরামদায়ক বাইকটি মোটামুটি ছোট হওয়ায় অল্প জায়গা / জ্যামের ভেতরে কন্ট্রোল করতে অনেক সুবিধা মার্কেটিং লোকের জন্য খুবই ভালো। বাইকটি সবথেকে বড় সুবিধা বাইকটি অনেক লো মেনটেনেন্স একটি বাইক যার জন্য পকেটের অনেক টাকা বেঁচে যায় Hero Splendor+ I3s ibs 100cc বাইকটির পাঁচটি অসুবিধাঃ বাইকটির প্রথম অসুবিধা পিলিয়ন সহ সাসপেনশন খুব একটা আরামদায়ক নয় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার উপরে স্পিড তুললে বাইকটি একটু বেশি ভাইব্রেশন করে দীর্ঘ সময় ধরে বাইকটা রাইড করলে ইঞ্জিনটা অন্যান্য বাইকের থেকে একটু বেশি হিট হয়ে যায় বাইকটির মিটার অ্যানালগ তাই বারবার নষ্ট হওয়ার ভয় আছে। মাঝে মাঝে তেলের ট্যাংকির ভিতর গ্যাস সৃষ্টি হচ্ছে। Hero Splendor+ I3s ibs 100cc বাইকটি নিয়ে চূড়ান্ত মন্তব্যঃ এক কথায় আমার সাধ্যের মধ্যে ১০০ সিসি বাইকের তুলনায় আমি এটি প্রয়োজনের অধিক উপায় ব্যবহার করেছি। যা আমাকে আসলেই অবাক করেছে। পাশাপাশি সন্তুষ্ট করেছে। হিরো আসলে একটা নামিদামি ব্র্যান্ড না হলেও ইন্ডিয়ান হিসাবে সে তার পরিচয় ধরে রেখেছে। এর বেশি কিছু বলার নেই আমি মার্কেটিং জব করি তাই বলছি না একজন গ্রাহক হিসেবে এবং একজন হিরো মোটরসাইকেল ব্যবহারকারী হিসেবে আমার নিজের অভিজ্ঞতা এই ছোট রিভিউটা মাঝে শেয়ার করার চেষ্টা করলাম আশাকরি সকলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন ভুলত্রুটি যদি থেকে থাকে । ধন্যবাদ সবাইকে।
Hunk 150 Double Disc
গাড়িটি এ প্রথম পছন্দের কারন হল দাম বাজেট ফ্রেন্ডলি এবং গাড়ির দেখতেও সুন্দর দাম হিসেবে গাড়ির মান ভালো গাড়ির রং সুন্দর গাড়ির সকল প্রকার পার্টস পাওয়া যায় এবং দীর্ঘদিন যাবত ব্যবহার করার পরেও তেমন কোন সমস্যা হয়না বিক্রি করতে গেলেও দাম পাওয়া যায় আর গাড়ির সিট কম্ফর্ট অনেক ভালো মাইলেজ ও ভালো তারিক আর এটি আমার পছন্দ এবং আমি দীর্ঘ চার বছর যাবৎ হিরো হাঙ্ক ব্যবহার করে আসছি
New Hero Hunk 150R Dual Disc ABS
Valo akti bike.. look ta aktu old model hoye gese.. ar breaking ta ono valo..