Verified reviews from Suzuki EV owners. Know the pros and cons from real riders.
Suzuki Gixxer Monotone
আসলে বাইক কিনার অভিজ্ঞতা বলতে গেলে খুবই কষ্টদায়ক। আমি যখন জিক্সার সিংগেল ডিস্ক বাইক কিনি তখন মার্কেটে বাইক ছিল-ই না এ রকম অবস্থা। দীর্ঘ দিন অপেক্ষা করেও বাইক পাই না আর কোন শো-রুম প্রি-বুকিং ও নিচ্ছে না।কোন শো-রুম মানে আমি সিলেটে বসবাস করি তো তখন সিলেটে ২ টি সুজুকি শো-রুম ছিলো আর এইগুলোতে পাওয়া যাচ্ছিল না আমার এই পছন্দের বাইক টি। অতপর অপেক্ষা করতে করতে হঠাৎ একদিন খবর পাই সিলেট থেকে ৯০/৯৫ কিঃমিঃ দুরে সুনামগঞ্জ সুজুকি শো-রুমে আছে। সাথে সাথে ফেসবুকের পেইজ থেকে নাম্বার নিয়ে তাদের কল করি। তো জিজ্ঞাসা করলাম যে জিক্সার বাইক টি আছে কি না উনারা বললেন ২টা আছে। আমি বললাম যে ভাই কতক্ষণ খুলা আছে আপনাদের আমি আসতে চাই আমি কিনবো। তখন সন্ধ্যা ৭টা তারা বলল যে আপনি কোথা থেকে আসবেন? যখন বললাম সিলেট থেকে উনি বললেন আচ্ছা আজকে আর আসার দরকার নেই কেননা অনেক রাত হয়ে যাবে কালকে সকালে আসেন, কারন সকালে না আসলে হয়ত পাবেন না কারন এই বাইকের প্রচুর চাহিদা কে কখন আসে আর নিয়ে যায়। আমি বললাম যে হ্যাঁ তাই হবে আমি সকলে চলে আসবো। আমি খুব সকাল বাস টার্মিনালে চিলে যাই গিয়ে দেখি ৮.৩০ এর আগে কোন বাস নেই ।পরে আর কি করার টাইম মত বাস ছাড়লো আমিও চলে গেলাম টিক ৯.৪৫ এ আর উনারা এই মাত্র শো-রুম খুলতেছেন।অতপর আমার প্রিয় বাইকটি পাই আর এখন পর্যন্ত ১৭ হাজার চালিয়েছি। এখন আসি বাইকের ভালো এবং খারাপ দিক নিয়ে:- আগে বলি বাইকের খারাপ দিক- ১. পিলিয়ন সিট কমফোর্টেবল না। ২. ইঞ্জিন প্রচুর হিট হয়। ৩. সবচেয়ে খারাপ লাগে একটা মবিল কিনলাম ১ লিটার কিন্তু আমার বাইকে ঢুকে ৮৫০ মি.লি বাকি গুলো প্রায় সময় ফেলে দিতে হয়। ৪. বাইকের হেড লাইট হ্যালোজিন হওয়ায় আলো পর্যাপ্ত দেয় না। ৫. বাইকে সুইচ গুলো খুবই নরমাল কোয়ালিটি এবং আমি যেই সমস্যাটা দেখেছি অনেক বাইকে এবং আমার বাইকেও সেটা হচ্ছে বৃষ্টির দিয়ে এর পাস সুইচ টা কাজ করে না মানে এইটা কোন সময় জ্বলে আবার কোন সময় জ্বলে না আবার কখনো কখনো অটোমেটিক হয়ে থাকে। ৬. সবচেয়ে খারাপ দিক হচ্ছে এর পার্টসের দাম অনেক অনেক বেশি। আচ্ছা এই গেল খারাপ দিক। এখন আসি ভালো দিক:- ১. বাইকটি অনেক কম্ফোর্ট।২. বাইকের ডিজাইনটা অসাধারণ। ৩. বাইকের রেডি পিকাপটা অসাধারণ।আমার কাছে তো এই জিনিসটি সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে এই বাইকের। ৪. বাইকের ব্রেকিং যথেষ্ট ভালো। তাছাড়া উল্লেখিত খারাপ দিক গুলো ছাড়া বাকি সব কিছুই আমার কাছে ভাল লাগেছে। এখন আসি বাইকের মাইলেজ, কম্ফোর্ট, পিক আপ। পিকআপ, কম্ফোর্টের কথা তো বললাম ই আমি মুলত এই বাইকের পাগল হয়েছি এর রেডি পিক আপ এর জন্য। আর কম্ফোর্ট মানানসই। মাইলেজের কথা বলতে গেলে আমি এই পর্যন্ত বাইকটি দিয়ে অনেকটি ট্যুর দিয়েছি যেমন সিলেট থেকে ঢাকা,মাওয়া যাওয়া-আসায় আমার লেগেছে ১১৫০ টাকার অকটেন । আবার সিলেট থেকে কক্সবাজার, বান্দরবন যাওয়া আসায় আমার লেগেছে সব মিলিয়ে ২৪৫০ টাকার অকটেন। সব মিলাই আমি যা পাইছি হাইওয়েতে ৪৫/৫০ ও পাইছি আবার সিটিতে ৩০/৩৫/৪০ এমনও পাইছি আসলে এই বিষয়টি বেশিরভাগ নির্ভর করে ভালো মানের ফুয়েল এবং রাইডিং স্টাইলের উপর। এখন আসি আফটার সেলস সার্ভিস নিয়ে:- সত্যি বলতে ভাই আমি একেবারে গরিব হয়েগেছি। বাইকের পার্টসের দাম এত বেশি যা আমাদের মত স্টুডেন্টদের রীতিমত হিমসিম খেতে হয়। আর এমনি সুজুকির সার্ভিস খুবই ভালো সত্যি প্রশংসনীয়। কিন্তু বাইকের পার্টসের দামের কারনে সার্ভিস করা অনেক কষ্টকর হয়ে যায়। যদিও আমার মত যারা জানের চেয়ে বাইককে বেশি ভালবাসেন তারা তো না খেয়েও বাইকের সার্ভিস করাবেই। যাইহোক এই ছিলো আমার প্রিয় বাইকের রিভিউ বা চালানোর পর অভিজ্ঞতা। #Happy_biking #ride_safe_wear_helmet
Suzuki Gixxer Monotone
আমি এই পযন্ত যত বাইক চালাইছি সুজুকি জিক্সার মত এত সহজ stunting দেখি নাই....এক কথায় smoothing driving❤️❤️
Suzuki Gixxer Monotone
যখন ছোট ছিলাম কৌতুহল বশত সাইকেল চালানো শিখেছিলাম। তখন সাইকেল চালাতে খুব ভালো লাগতো। যখন সামনে দিয়ে কোন মোটরসাইকেল যেতে দেখতাম তখন তাকিয়ে থেকে ভাবতাম বড়ো হলে মোটরসাইকেল চালানো শিখব। ছোট থাকতে যখন মোটরসাইকেলে উঠে কোথাও যেতাম তখন খুব ভালো লাগতো, সেই থেকে মটরসাইকেলের প্রতি খুব ভালোলাগা শুরু হলো এবং সপ্নো দেখা শুরু করলাম বড়ো হয়ে মটরসাইকেল চালাবো এবং বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাবো। আমি যখন ক্লাস সিক্সে উঠি তখন আমার বাবা Honda CG125 কিনেছিলো। প্রায় সময় বাবার সাথে মটরসাইকেলে উঠে বিভিন্ন জায়গায় যেতাম এবং খেয়াল করতাম বাবা কিভাবে মটরসাইকেল চালাতো। যখন আমি ক্লাস এইটে উঠি বাবাকে বলেছিলাম আমি মটরসাইকেল চালানো শিখবো। তখন বাবা আমাকে চালানো শিখালো। ঐ দিনের অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়, এক কথায় অসাধারণ অনুভূতি হয়েছিল। বাইকের প্রতি দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়ি, বাইক চালানোর প্রতি ভালোবাসা বাড়তে থাকে। এরপর এলাকার বিভিন্ন রাস্তায় চালানো শুরু করি, আস্তে আস্তে আশে পাশে ছোট বড় বিভিন্ন রাস্তায় এবং সব শেষে হাইওয়ে রাস্তায় নিজেকে পারদর্শী করেছি সেই সাথে অনেক কিছু শিখেছি। এরপর যখন আমার বিবিএ ফাইনাল এয়ার শুরু হলো বাবাকে বলি আমাকে মোটরসাইকেল কিনে দেওয়ার জন্য। মটরসাইকেলের জন্য বাজেট ছিল সবকিছু মিলিয়ে ২ লাখ টাকা। আমি মোটামুটি সব ব্রান্ডের বাইক চালিয়েছে, এবং পছন্দের তালিকায় ছিল Suzuki. তখন সিদ্ধান্ত নিয়ে Suzuki Gixxer Monotone ক্রয় করি ১,৭৫,০০০ টাকা দিয়ে ২ বছরের রেজিস্ট্রেশন সহ Omega Motors থেকে ৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে। প্রথম বারের মতো নিজের বাইক কিনে চালাতে খুবই ভালো লাগা কাজ করছিলো, সেই মুহূর্তে খুব ইমোশনাল হয়ে গেছিলাম। আমি বাইকে ঘুরতে অনেক পছন্দ করি, নিজের বাইকে বাংলাদেশ ঘুরে বেড়ানোর ইচ্ছা এবং দেশের বাইরে। এই বাইকটি কেনার পেছনে আরো কিছু কারণ ছিল, যেমন: বাইকের লুকস আমার চোখে অসাধারণ লেগেছিল, এই বাইকের ইঞ্জিনের পাওয়ার রেসপন্স, ব্রেকিং, কন্ট্রোলিং, পারফরম্যান্স ইত্যাদি মিলিয়ে আমার কাছে খুব পছন্দ ছিল। আমি বরাবরই বাইকের ওপর খুবই যত্নশীল। ৯ মাসে ৭,৫০০ কিমিঃ চালানো হয়েছে। ম্যানুয়াল বই অনুযায়ী ১,৬০০ কিমিঃ পর্যন্ত ব্রেক ইন পিরিয়ড মেনেছি। প্রথম ৮০০ কিমিঃ ৪,৫০০ আর পিএম এবং পরবর্তী ৮০০ কিমিঃ ৭,০০০ আর পিএম চালানো হয়েছে। দিনের শুরুতে কিক স্টার্ট দিয়ে ইঞ্জিন ওয়ার্ম আপ করে চালানো হয়। Suzuki recommend 10w40 engine oil Motul ব্যাবহার করছি। ব্রেক ইন পিরিয়ড থাকা অবস্থায় প্রথম ৪০০ কিমিঃ, পরবর্তী ২ বার ৬০০ কিমিঃ পর পর মবিল পরিবর্তন করেছি এবং প্রতিবার মবিল ফিল্টার পরিবর্তন করা হয়। পরবর্তীতে ৮০০-৯০০ কিমিঃ মধ্যে মবিল পরিবর্তন করি সেইসাথে অয়েল ফিল্টার পরিবর্তন করা হয়। এখনও পর্যন্ত ২ বার ফ্রি সার্ভিস করানো হয়েছে এবং ৫,০০০ কিমিঃ হলে ৩য় ফ্রি সার্ভিস করানো হলে পর্যায়ক্রমে ৪র্থ সার্ভিস করানো হয়। বাইকের চেইন এ গিয়ার ওয়েল ব্যাবহার করি যেটা চেইন এর জন্য খুবই ভালো এবং কোম্পানি রিকমেন্ড চাকার প্রেশার সামনে ২৯, পিছনে পিলিয়ন সহ ৩৫ রাখি। এখনও পর্যন্ত বাইকের কোন পার্টস বদলানোর প্রয়োজন হয়নি। এই ৭,৫০০ কিমিঃ মধ্যে প্রথম সর্ট টুর ছিল ঢাকা-কুমিল্লা-ঢাকা এবং ২য় লং টুর ছিল ঢাকা-যশোর-চুয়াডাঙ্গা-ঢাকা। সিটিতে এভারেজ মাইলেজ ৩৮+/- এবং হাইওয়ে রাস্তায় ৪৪+/- পেয়েছি। সবসময় ভালো যায়গা থেকে অকটেন ব্যাবহার করি। এই বাইকে সর্বোচ্চ ১৩০ কিমিঃ গতি উঠাতে সক্ষম হয়েছি। বাইকের কিছু ভালো দিক: দ্রুত এক্সেলারেসন, হ্যান্ডেলিং, কন্ট্রোলিং, ব্রেকিং, ফ্লাট টায়ার থাকার কারণে স্লো ও হাই স্পিডে কর্ণারিং করা যায়। বাইকের কিছু খারাপ দিক: ফ্রন্ট সাসপেনশন একটু শক্ত থাকায় ভাঙ্গা রাস্তায় অস্বস্তিকর, পিলিয়ন ছিট ছোট ও শক্ত, পিলিয়ন থাকলে যেকোন উঁচু স্পিড ব্রেকারে বাইকের নিচের অংশে ঘসা লাগে, বাইকের প্লাস্টিক কোয়ালিটি ও সুইচ গিয়ার্স গুলো আরও উন্নত করলে ভালো হতো। এয়ার কুলিং এর বদলে ওয়েল কুলিং হলে ভালো হতো। বাইকারদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই: গতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখবেন। সব সময় সার্টিফাইড হেলমেট পরে বাইক চালাবেন। ধন্যবাদ।
Suzuki Gixxer SF FI
Belt quality lower than another segment bike 😕
Suzuki Gixxer Monotone
It’s a very comfortable and reliable partner for riding with enjoyable ready pickup.
Suzuki Gixxer Monotone
বাইকটি কেনা মূলত শখের বসেই কিন্তু কেনার পর এইটা ব্যবহার হচ্ছে অফিস আসা যাওয়াতে এবং দৈনন্দিন কাজে। জিক্সার বাইক নিয়ে আসলে কিছুই বলার নাই। যেমন তার লুকস ঠিক তেমনি তার মাইলেজ এবং কন্ট্রোল + ব্রেকিং ।আসলে জিক্সার বাইক নিয়ে কিছু লিখতে গে্লে লিখে শেষ করা সম্ভব না ।আমি আমার জিক্সার বাইক নিয়ে সম্পূর্ণ হেপি এবং সেটিস্ফাইড।
Suzuki Gixxer Double Disc Edition
সুজুকি জিক্সার বাইক টি কিনার পেছনে সবচেয়ে বড় কারন প্রতিদিনের যাতায়াত সহজতর করার জন্য বাইক কেনার অভিজ্ঞতা বলতে গেলে এস এস সি পরীক্ষার পর থেকে টাকা অল্প অল্প করে জমিয়ে বাইক কেনা হয়েছে। অনেক ধৈর্যের ফল আমার বাইক। আপনার বাইকের ভালো দিক হচ্ছে এর লুক, মাইলেজ, ইনস্ট্যান্ট এক্সেলারেশন, কন্ট্রোলিং পাওয়ার, রাইডিং কনফিডেন্স এবং খারাপ দিক গুলো হচ্ছে কোম্পানির আফটার সেলস সার্ভিস ভালো না, যেই সার্ভিসিং সেন্টারে যাই না কেনো একগাদা পার্টস চেঞ্জ এর লিস্ট ধরিয়ে দেয়। পার্টস এর দাম আমার কাছে বেশি মনে হয়েছে। বাইকের মাইলেজ ভালো এভারেজ ৪০ পাই, পিকআপ খুবই ভালো, কম্ফোর্ট নিয়ে একটু অসুবিধা সামনের সাসপেনশন ফিডব্যাক বেটার না, ব্রেকিং পারফরম্যান্স ভালো।
New Suzuki Gixxer Fi ABS
আমার সর্ব প্রথম বাইক হোন্ডা সিবিয়ার ইন্দো ২০১৭, এই বাইকটা আমি ৩২০০০ হাজার কিলোমিটার চালাই।এর পাশাপাশি আমি একটি পুরাতন জিক্সার মনোটন নেই (বিবাহিত ফ্যাক্ট) এই জিক্সার মনোটন আমি ৮ হাজার কিলোমিটার ব্যবহার করি৷ এরপরে আমি সুজুকির ফ্যান হয়ে গেলাম কারন মিড বাজেট এ যা যা প্রয়োজন তা সবই দিতে সক্ষম হয়েছে সুজুকি, যেমন তার লুকুস, কন্ট্রোলিং, এক্সিলারেশন, কম্ফোর্ট ও মাইলেজ ও খুবই ভাল। এরপরে আমি সিধান্ত নেই যে, সিবিয়ার এবং জিক্সার দুটোই সেল দিয়ে নতুন জিক্সার নিবো যেই ভাবা সেই কাজ। আলহামদুলিল্লাহ খুবই ভাল সার্ভিস পাচ্ছি। সুজুকি ওয়ে অফ লাইফ 😍❤️
Suzuki Gixxer Monotone
It's not a machine it's a Love also. It's control is best. Looks just awesome. Spare parts also available.
Suzuki Hayate Special Edition
ছাএ জীবন থেকেই সপন্য ছিল বাইকের। কিনতু সামথ্ এবং পরিবার দুটোরই বাধা বাইক নেয়া হয়নি।২০১৯ মানুষের জীবনে নেমে আসে এক অপ্রতিরোধ দুর্ভোগ কোভিদ ১৯। অফিস যাতায়াত শুবিধার জন্য পরিবারের সহমতে বাইক কেনার সুযোগ হয়।কিন্তু টাকার কারনে নিতে হয় ১১০ সিসি একটি কমিউটার বাইক।তারপরই আপনাদের রেগুলার ফলোয়ার। আমি যেহেতু নতুন বাইকার এবং এটাই আমার প্রথম বাইক তাই আমার জন্য একটু কঠিন স ব গুছিয়ে বলা। বাইকের সবচেয়ে ভাল দিক যদি বলি তা হলো এর কনট্রোিলং এবং ব্রেকিং।যা আমার মত আনারিকেও ঢাকার শহরর নিরাপদে রাইড করতে সাহস দেয়। দিতীয় হল মাইলেজ যা আমার মত চাকরিজিবীর জন্য আশির্বাদ। খারাপ বলতে তেমন কিছু নেই, কিনতু এই যুগে ঢাকার রাসতায় ড্রাম ব্রেক একটু সমস্যা যেখানে এবিএস, সিবিএস সব বাইকে।একটা ডিসক ব্রেক হলে ১০০ তে ১০০ হতো। আর যদি বলি তাহলে টায়ার সাইজ যা অনেক বেশি জরুরী। আমার অলপ গেনে যা বুঝি ১২০ রেয়ার এবং ১০০ ফ্রনট সাইজের টায়ারের নিচে দেয়া উচিত না। আর সুজুকির সার্ভিস ভালই।েফলগশিপ ছাড়া অন্যগুলার অবসথ্যা হতাসাযনক।
Suzuki Gixxer Monotone
Value for money. Good Side- Engine power, breaking. Bad side- Milage, service center. milage was great at first but now it's dropping down really quick.
Suzuki Gixxer SF FI
1. Purchasing experience While I was considering purchasing this bike For quick engine response, I had alternatives such as the Yamaha Fazer/ R15 v3 and the Apache RTR 4v. So I went to both the TVS and Yamaha showrooms. The comfort in R15 v3 was not what I anticipated. The Apache, on the other hand, was comfortable but not as elegant as other Japanese motorcycles. So I booked the Suzuki Gixxer SF FI ABS bike without hesitation; my primary priorities were comfort, design, and control refinement. 2. Riding experience You may feel some vibration at higher RPMs, but we don't need to ride at higher RPMs on every route. It isn't a deal breaker. The riding experience was smooth and elegant, with enough power to glide through traffic. 3. The appearance of this motorbike Looks are completely subjective, but I felt the Suzuki Gixxer SF FI ABS 150 to be more eye-catching and attractive than its competitors. Why? Because it is unique in its class, you will not see people riding Gixxer everywhere because they are just seeking greater power and torque. The headlights are nasty and forceful, yet the ride is nice. And I discovered that the Headlight is the finest in the region of reflector stock headlights. 4. Servicing and upkeep In this section, I'd rather state it costs a little more than other Indian brands, but it's worth every penny. And maintenance is not a daily activity; if you care about your vehicle, you will, without a doubt, take care of your bike. In the end, it's simple to maintain. However, the two Servicing Centers I recently visited made me sick of Rancon's after-sales care. 5. Advantages: a) It has a large muscular aggressive profile; b) The refinement level is excellent, and c) It is unique because only practical consumers purchase the Gixxer SF FI ABS 150. d) It features a gear position indicator. e) In my opinion, the best stock reflector headlamp. Drawbacks: a. It is somewhat underpowered; b. Switch quality might be improved; c. It gets roughly 30-35 miles per gallon in city commuting; and d. Gears and clutch are fairly hard, and I'm not sure if it's just my unit, but it seems rough. I wasn't expecting that from Suzuki. After 5000 miles, there were some corrosion difficulties in the inner sections. Conclusion: If you are searching for a practical 150cc bike that is faired, gives you the mood of a faired motorbike, and requires the smoothness of a Japanese engine, this one is for you. Just remember the things I stated in my review. Thank you very much. ride carefully
Suzuki Gixxer SF FI
আমি আশীষ কুমার বর্মন থাকি গাজীপুর। আমি আমার Suzuki Gixer SF FI ABS বাইকের ২০০০০ কিমি রাইডের ছোট্ট একটি রিভিউ আপনাদের সাথে শেয়ার করব।এই বাইকটির সাথে আমার পথচলা শুরু হয় ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে।বাইকের প্রতি অনেক ভাললাগা আর রয়েছে বাইক নিয়ে ঘুরতে অদম্য নেশা। তাই যখনি সময় পাই বাইক নিয়ে ঘরতে বের হয়ে যাই। Suzuki Gixer SF FI ABS বাইকটির কিছু ভালো দিক - - বাইকটি স্পোর্টস এবং কমিউটার দুটি লুকের আদলে তৈরি এবং কমফোর্ট সিটিং পজিশনের একটি বাইক। - বাইকটিতে রয়েছে ৫টি গিয়ার ট্রান্সমিশন তারপরেও বাইকটি সর্বোচ্চ গতিতে থাকলেও ইঞ্জিন ভাইব্রেশনের অনুভুতি কমই পাওয়া যায়। - হাইওয়েতে কোন গাড়ি অভারটেক করার জন্য বাইকটির রেডি পিকাপ আমার কাছে যথেস্ট মনে হয়েছে। - পারফেক্ট ওয়েট ডিস্ট্রিবিউশনের কারনে ভারী বাতাসেও হাইওয়েতে সমানভাবে বাইকটি রাইড করা যায়। - মাইলেজ, হাইওয়েতে প্রায় ৫৪ প্রতি লিটারে এবং সিটি রাইডে ৪৮প্রতি লিটারে পাওয়া যায়। - বাইকটিতে রয়েছে LEDহেডলাইট যার ফলে যথেষ্ট আলো সরবরাহ করে যা রাতে রাইডের ক্ষেত্রে খুবই উপযোগী। - বাইকটির ব্রেকিং কন্ট্রোলিং যথেস্ট ভালো আর সামনের চাকায় এবিএস ব্রেকিং থাকার ফলে বাড়তি কনফিডেন্স পাওয়া যায়। Suzuki Gixer SF FI ABS বাইকটির কিছু খারাপ দিক- - উচ্চ গতিতে ফুটপেগে কিছুটা ভাইব্রেশন পাওয়া যায়। - ক্লাচ কিছুটা শক্ত হওয়ার কারণে সিটি রাইডে জ্যামে ও ভাংগা রাস্তায় হাতের কব্জিতে কিছুটা ব্যাথা অনুভূত হয়। - বাইকটিতে এয়ার কুলিং থাকার ফলে একটানা রাইডে ইঞ্জিন হিটিং হয় অনেক। -পেছনের চাকার ব্রেকিং কন্ট্রোলিং কিছুটা কম মনে হয়েছে সামনের চাকার তুলনায়। - বাইকটির স্টক হর্ণের আওয়াজ অনেক কম। বাইকটির পারফরমেন্স নিয়ে আমার কিছু ব্যাক্তিগত অভিমত- বাইকটি দিয়ে আমি ইতিমধ্যে বান্দরবান,তিন্দু,রাংগামাটি, কক্সবাজার,গজনী, বিরিশিরি, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, তেতুলিয়া সহ আরো অনেক জায়গাগুলোতে গিয়েছি। লং ট্যুরের জন্য বলা যায় পারর্ফেক্ট একটি বাইক এটি।এখন পর্যন্ত আমাকে হতাশ করেনি এই বাইকটি, সব ধরনের রোড কন্ডিশনে ভালো সাপোর্ট দিয়েছে। আমি সর্বোচ্চ একটানা প্রায় ১৩০ কিমি রাইড করেছিলাম। এয়ার কুলিং হওয়া সত্বেও একটানা রাইডে ভালো সাপোর্ট পেয়েছি। এখন পর্যন্ত আমি বাইকটিতে স্পেয়ার পার্টস শুধুমাএ চেইন স্পোকেট,ব্রেক প্যাড,বল রেসার,অয়েল সিল একবার করে পরিবর্তন করা করেছি।এছারা নিয়মিত নির্দিস্ট সময় পরপর ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করা হয়েছে। শুধুমাএ প্রথম সার্ভিসিং ছাড়া আর কোন সার্ভিসিং সময় সাপেক্ষতার কারনে এখন পর্যন্ত করাইনি। এই বাইকটিতে লিকুইড কুলিং যদি দেওয়া হত তাহলে দাম বিবেচনায় একদম পারর্ফেক্ট হত। পরিশেষে সবার উদ্দেশ্যে বলতে চাই সবাই সাবধানে সতর্কতার সাথে উচ্চ গতি পরিহার করে অবশ্যই হেলমেট পরে বাইক রাইড করবেন।
Suzuki Gixxer Monotone
আমি সুজুকি জিক্সার মনোটোন বাইকটি ক্রয় করি ১জুন ২০২১ তারিখে। তখন করোনার কারণে বাইক কম এভেলেভেল ছিল আমি বুকিং দিয়ে প্রায় ১ মাস পরে বাইকটি হাতে পাই। জিক্সার বাইকটি মোটামুটি সব দিক থেকেই ভাল লাগে। পিলিয়ন সিট টা আন কম্ফোর্টএবল এবং ক্লাস ও গিয়ার শিফটিং তুলনামূলক শক্ত অন্য বাইকের তুলনায়। কন্ট্রোলিং ব্রেকিং ব্যালেন্সিং সবকিছু নিয়েই আমি সন্তুষ্ট। আমি সিটিতে মাইলেজ পাই ৪০ এবং হাইওয়ে তে ৪৫+। বাইকের সার্ভিস সব সময় সুজুকি অফিশিয়াল সার্ভিস সেন্টার থেকে করিয়েছি। স্পেয়ার পার্টস মোটামুটি সব জায়গাতেই পাওয়া যায়। সুজুকি জিক্সার বাইকটি নিয়ে আমি পুরাপুরি সন্তুষ্ট।
New Suzuki Gixxer SF Fi ABS
#কেনো আমি বাইক কিনেছিলাম এবং বাইক কেনার অভিজ্ঞতাঃ ছোট বেলা থেকেই বাইক এর প্রতি একটা অন্য রকম ভালো লাগা কাজ করতো, সেই ভালো লাগা কেই মনের মাঝে পুষে রাখতাম এবং ইনশাআল্লাহ একদিন আমারও বাইক হবে মনে মনে ভাবতাম, সেই ইচ্ছা আল্লাহ রহমতে বাবা মা পূরণ করে দেন, কলেজে উঠার দ্বিতীয় বছরে। আলহামদুলিল্লাহ বাইক কেনার পর থেকেই (বাবা-মায়ের দোয়া সাথে ছিলো ) এবং বিসমিল্লাহ বলে বাইক স্টার্ট করতাম, তাই হয়তো ৩ বছরের পথ চলায়, তেমন বড় কোনো দূর্ঘটনার শিকার হতে হয় নাই । #বাইকের ভালো এবং খারাপ দিকঃ আলহামদুলিল্লাহ সঠিক রক্ষনাবেক্ষন করার জন্য, বাইকে তেমন খারাপ দিক খুজে পাই নি, শুধু দুইবার অয়েলসিল কেটে গেছিলো, এবং বৃষ্টি পানি তে ভিজে তেলে একটু সমস্যা হয়েছিলো। এ ছাড়া আলহামদুলিল্লাহ আর কোনো খারাপ দিক আমি পাই নি ৩ বছরের রাইডিং অভিজ্ঞতায়। #আমার বাইকের মাইলেজ/পিকআপ/কম্ফোরট/ব্রেকিং এবং পারফমেন্সঃ আমি একজন বাইক লাভার এবং একজন ভ্রমণ প্রেমী ও, প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের কোনাকোনা দেখার ও ইচ্ছা। আলহামদুলিল্লাহ ২১ বছর বয়সেই দেশের ৫৬ শতাংশ অংশ ঘুরে দেখা শেষ। আর এই ঘুরাঘুরির সফল হওয়ার অন্যতম বাহন ই ছিলো আমার প্রিয় বাইক (#কালাবাবু) । আলহামদুলিল্লাহ মাইলেজ হাইওয়ে তে ৪৭-৫৪ পর্যন্ত পেয়েছি, এবং সিটিতে ৪২-৪৬ যা যথেষ্ট সন্তুষ্ট জনক। এবং লং রাইড বা যে কোনো রাইডে সর্বচ্চো কম্ফোর্ট এবং ব্রেকিং এ ভালো পারফোমেন্স পেয়েছি । #আমার বাইকের আফটার মার্কেট সেলস বা সার্ভিস অভিজ্ঞতা ও খরচ কেমন হয়েছেঃ সুজুকি বাইক হওয়ায় এর পার্টস পেতে কখনোই অসুবিধা হয় নি, (শুধু অফিসাল শোরুম এ পার্টস এর দাম একটু বেশী), তবে আমি সুজুকির সার্ভিসে খুবি সন্তুষ্ট, উনাদের কাজ খুবই নিখুত এবং দক্ষ । খরচের বিষয় বললে, একটু সতর্ক থাকলেই বেশী খরচ হয় না, সার্ভিস চার্জ ৪০০ (সঠিক সময় ইঞ্জিন ওয়েল এবং ডেমেজ পার্টস চেঞ্জ করলেই, আলহামদুলিল্লাহ বারতি খরচ হয় না, সব কিছুই ঠিক ভাবে চলে)
Suzuki Gixxer Monotone
প্রতিটা ছেলের জন্যই বাইক একটা স্বপ্ন। আমি তার ব্যতিক্রম নই। গত ১৪ ডিসেম্বর ২০২১ সালে আমার স্বপ্ন সত্য হয়। এখন পর্যন্ত আমি আমার বাইক ৭৫০০ কিলোমিটার রাইড করেছি।এর পারফরম্যান্স ,কন্ট্রোল এবং মাইলেজ আমাকে সর্বদাই মুগ্ধ করেছে।তবে কম্ফোর্ট এর ক্ষেত্রে একটানা ৮০/৯০ কিলোমিটার রাইড করলে কম্ফোর্ট কেমন যেন কমে যায়।ওভারঅল আমি আমার নীল জিক্সিকে নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ সন্তুষ্ট।
New Suzuki Gixxer Fi ABS
২০,০০০ কিমি'র পরে কেমন লাগ কেনার আগে প্রথমেই যে বিষয়টি আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে তা হল এর এ্যারোডাইনামিক স্পোর্টস ডিজাইন। মূলত বিশ্বস্থ কম্পানি আর লুকের জন্যই প্রথম পছন্দ ছিল। কিছুদিন রাইড করার পরে আরো কিছু বিষয় ভালো লেগেছে। যেমন - # অসাধারন কন্ট্রোলিং সিষ্টেম # তুলনামূলক ভাল ABS ব্রেকিং সিষ্টেম # FI ইঞ্জিনে দুর্দান্ত মাইলেজ (৫০+) পাচ্ছি # কর্নারিং এ বেশ কনফিডেন্ট পাচ্ছি # হেড লাইটে পর্যাপ্ত আলো পাই # নান্দনিক ডিজানের টেল ল্যাম্পটিও ভাল লাগে # রেডিয়াল টায়ার বা অন্য কোন কারনে রাস্তার সাথে একটা কানেকশন থাকে, এটা অন্যান্য অনেক বাইকে পাইনি। # মিটার যা দিনের বেলাতেও স্পষ্ট, তবে আরো তথ্যবহুল হতে পারত। # স্প্লিট সিট, আমার পছন্দের। যদিও আরাম কম। # পাওয়ার যথেষ্ট ভালোই পাচ্ছি, রেডি পিকআপের কারনে ওভারটেকিংয়ে সুবিধা পাই। ভালো কিছু থাকলে মন্দও কিছু থাকে: # টপ স্পীড তুলনামূলক কম (১১৫) পেয়েছি। ৮০-১০০ পর্যন্ত ভাল পারফরমেন্স পাওয়া যায়। # এয়ারকুলড ইঞ্জিন যা লং রাইডে প্রচুর হিট হয়। পছন্দের ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহারের পরে কিছুটা কমেছে। # একটানা ৫০/৬০ কিমি চালালে সাউন্ড কিছুটা ফেটে যায়। # ইঞ্জিন গার্ড, ফুট রেষ্ট বা লেগ গার্ড দেয়া থাকেনা। বাড়তি খরচ করতে হয়। # গিয়ার শিফ্টিং কিছুটা হার্ড লেগেছে, যদিও আমার সমস্যা হয়না। # প্রথমদিকে পিলিয়ন কমফোর্ট কম ছিল, এখন একটু বাড়ছে। # আগের ভার্সন থেকে পাওয়ার কিছুটা কম মনে হয়েছে, তবে Fi হিসেবে যথেষ্ট। # পিছনের ব্রেক তুলনামূলক কম কাজ করে। # গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স আরেকটু বেশি দরকার ছিল। # উচু স্প্লিট সিটে উঠতে নামতে ব্যাপক প্যারা। # প্লাষ্টিক ও কালার কোয়ালিটি, এয়ারকুলড ইঞ্জিন হিসেবে দাম একটু বেশিই নিচ্ছে। আমি যতটুকু মেইন্টেইন করার চেষ্টা করি : # বিশ্বস্ত পাম্প থেকে সবসময়েই অকটেন ব্যবহার করছি। # 10W40 সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার করি। ২৫০০ কিমির পরে চেঞ্জ করি। # প্রতিবারই ফ্লাস অয়েল ও অয়েল ফিল্টার ব্যবহার করি। # নিয়মিত ওয়াস করি ও ঢেকে রাখার চেষ্টা করি। # ভাল মানের লক ও টাচ লক ব্যবহার করছি। কি কি নষ্ট হয়েছে : # জানিনা কিভাবে যেন লেফ্ট সাইডের লুকিং গ্লাসটা ভেঙে গেছে। # চেইন জয়েন্ট ( সঠিক নাম জানা নাই) পরিবর্তন করতে হয়েছে, খট খট আওয়াজ হতো। # এয়ার ফিল্টার পরিবর্তন করেছি। # টায়ারের তেমন ক্ষতি হয়নি, স্ক্রু ঢোকার কারনে জেল দিয়েছি। # ব্রেক প্যাডে আরো ১০০০০ চলবে আশাকরি। # এছাড়া সামনের মাডগার্ডে স্ক্রাচ পরেছে। # ইঞ্জিনে কোন রকমের প্রবলেম পাইনি এখনো। মোডিফিকেশন: চোখে পড়ার মত তেমন কোন মোডিফিকেশন করা হয়নাই। সিট কভারটা প্রথমেই চেঞ্জ করেছিলাম শুধু। মুর্দা কথা এই সেগমেন্টের বাইকগুলোর মধ্যে এটা আমাকে যথেষ্ট সন্তুষ্ট করেছে। অনেক বড় লেখা সময় নিয়ে পড়ার জন্য ধন্যবাদ। পরিশেষে সবার নিরাপদ ভ্রমন কামনা করি।