Verified reviews from Suzuki EV owners. Know the pros and cons from real riders.
Suzuki Gixxer SF FI
আমার বাইকটি Suzuki Gixxer Sf fi (2019)Black আমি বাইক ব্যবহার করি ২ বছর জাবদ। বাইকটি আমার মামা কিনে দেয়।২২০০০ কি.মি. + বাইকটি চালিয়েছি,এর মধ্যে তেল মবিল ছাড়া আমার তেমন কোন খরচ হয়নি। মেইনটেনেন্স বলতে বাইকটিতে সময় মতো সার্ভিস করিয়েছি। সময় মতো মবিল ফিল্টার ও এয়ার ফিল্ট পরিবর্তন করেছি।এর মধ্যে এক বার সামনে ও পেছনের ব্রেক প্যাড পরিবর্তন ও পেছনের চাকার মাউন্টেন রাবার পরিবর্তন করা হয়েছে। বাইকটি আসলে খুব ভালো সার্ভিস দিয়েছে । আমার বাইকে প্রতি লিটার অক্টনে ৪০+ কি.মি. মাইলেজ পাই। এর এক্সপেয়ার পার্টস গুলোর দাম একটু বেশি। এখন সমস্যা চেইন স্পোকেট চেঞ্জ করতে হবে। যদিও 20 হাজার কিলোমিটারের পর চেন স্পোকেট চেঞ্জ করতে হয়। ধন্যবাদ
Suzuki Gixxer Monotone
Just an excellent bike for young generation... Because of low maintainance, good fuel efficiency, good control, quick acceleration, i mean everything is awesome❤️
Suzuki Gixxer Monotone
বাইকটি দেখতে সুন্দর আর চালায়েও অনেক মজা যার জন্য কিনছিলাম, কমফোর্টেবল অনেক, জ্যামের মাঝেও ভালোভাবে চালানো যায়, মনোশক আর গিয়ার অনেক হার্ড। পার্টস এর দাম মাঝারি মানের, তবে বাইক এর পারফরম্যান্স জোস লেভেল এর।
Suzuki Gixxer SF FI
খুবই ভাল, বলার কিছু নাই আমি আপতত এটা নিয়েই হ্যাপি
Suzuki Gixxer Monotone
এমনেতে সব দিক দিয়ে অসাধারণ সার্ভিস পাচ্ছি, মাইলেজ পাচ্ছি ৩৮ কি: ৩০ হাজার রান করার পর কেনো সমস্যা দেখা দেয়নি, শুধু অয়েল ফিল্টার টা চেন্জ করা হইছে, আল্লহর রহমতে এখন পর্যন্ত সব কিছু ঠিক ঠাক
Suzuki Gixxer Double Disc Edition
বাইক কিনেছিলাম ২০১৪ সালে। বাইক বিডিতে আছি ২০১৯ থেকে।আসলে এই পেইজ থেকে অনেক কিছু জানা যায় যা হয়তো এখানে না থাকলে বুঝতে পারতাম না। 😍😍😍বাইক বিডির সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এবং ভালোবাসা এত সুন্দর করে বাইক বিডিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য ।
Suzuki Gixxer Monotone
Suzuki Gixxer is good looking bike. Performance is good. But service and parts I'm not satisfied.
Suzuki GSX-R150 ABS
Suzuki gsxr150 very very good bike in 150cc limit in BD.Threr are no bike to compare Suzuki gsxr150 top speed .one kind of look performance speed alrounder bike.so now i tell many bad thing this bike but all adjustable. sharing my 7000km+ user experience (problems) 1.Non abs variant e veja/kada/bali wala road e samner brake ektu jore dhorlei skid kore (tyre issue). ABS variant nile braking niye issue hobe na kono . 2. bike looks small comparing other bikes( only looks ta) 3. spare parts are very expensive. air filter costs 750-800 tk whereas the sister bike suzuki gixxer's air filter only costs 250-300. 4. engine oil capacity is 1300 ml which is very painful. at first you need to buy two bottles and can use 1300 ml . rest 700 ml bottle can be used in next 2 refills (300/300).Unfortunately after 3 oil changes ,need to buy 2 bottles again which doesn't favor my wallet 🥹 5. suspension feedback isn't good. As it's track oriented bike. 6. Weight distribution isn't balanced on front and rear side. you'll feel more weight in the front side which by the way prevents tank slapeprs i guess but causes wrist pain. Also at higher speed, the bike feels too light and seems like the bike is floating on the air rather than on the road 😓 7. Requires regular maintenance. Fi system needs to be cleaned after 5000 km (avg, depending on fuel quality). 8. Pillion seat is small and not comfortable at all!
Suzuki Hayate
The gear shifting pattern, throttle response, seat height, torque made me fan of Suzuki hayate 110.... Very helpful for beginners even in ofroad.
Suzuki Gixxer SF FI
This Page Is Very Helpful For Bikers.
Suzuki Gixxer Monotone
আমি একজন সুজুকি জিক্সার ইউজার।আজকে আমি আপনাদের সাথে আমার বাইকের কিছু এক্সপেরিয়েন্স শেয়ার করবো। ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে আমি চট্টগ্রামের সুজুকি অর্থোরাইজড ডিলার পয়েন্ট থেকে আমার বাইকটি কিনি।আলহামদুলিল্লাহ আজকে পর্যন্ত আমার বাইকটি ১১ হাজার কিলোমিটার রানিং করেছি।আলহামদুলিল্লাহ এখনো পর্যন্ত আমি কোন সমস্যার সম্মুখীন হয়নি।আমি আমার বাইকের মটুল ৩১০০ 20w40 মিনারেল মুবিলটা ব্যবহার করছি। ফিডব্যাক ভালো পাচ্ছি। বাইকে আমি অকটেন ব্যবহার করছি এবং মাইলেজ 35-36 পাচ্ছি। অনেকে বলে ব্রেকিং এর জন্য সিংগেল ডিস্ক ভালো না৷ তবে আমার রিভিউ হচ্ছে আমি মোটামুটি ভালো সাপোর্ট পাচ্ছি৷ ব্রেকিং এর ক্ষেত্রে আমার কোন অভিযোগ নেই। আমার একটা জায়গায় অভিযোগ আছে সেটা হলো বাইকের সুইচ গুলো খুবই শক্ত হয়ে গেছে এবং যেটা একদম কাম্য নয়। পরিশেষে এটি ছিল আমার প্রথম বাইক রিভিউ। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।
Suzuki Gixxer SF FI
সবার কম বেশি যেখানে পছন্দের বাইক আর ওয়ান ফাইভ হয়ে থাকে সেখনে আমার পছন্দ আমার ব্লাক ডেবিল এস এফ, বাইক টার ভালো গুন হচ্ছে তার রাইডিং কম্ফোর্ট, মাইলেজ,আর লুক। আর খারাপ যা লেগেছে এর ক্লাচ অনেক বেশি হার্ড লাগে তবে সময়ের সাথে সাথে মানিয়ে নেওয়া যায় পরে এতো খারাপ লাগে না তবু ও বলবো এইটা একটা খারাপ দিক, ২নং হচ্ছে এর পিলিয়ন সিট, বয়স্কদের জন্য একটু কষ্ট সাধ্য এ ছাড়া আলহামদুলিল্লাহ সব কিছুতে আমি সন্তুুষ্ট। আমি আমার বাইক চালিয়েছি ১১,৪৯৯ কিঃমিঃ এতে আমি নিয়মিত ইঞ্জিন ওয়েল, ফিল্টার, সামনে চাকার ব্রাক পেড, ২ বার প্লাগ ছাড়া আর কিছু পরিবর্তন করতে হয় নি, ফ্রী সার্ভিস এ কোন টাকা লাগে না তবে পেইড সার্ভিসে ৪০০ টাকা পে করতে হয়। সার্ভিসে কোন ক্রিপ্নতা করি না নিয়মিত ২ মাস পর পর সার্ভিস দিয়ে থাকি সুজুকি সার্ভিস পয়েন্টে তাদের রায়েরবাগ শাখা, সার্ভিস এর মান বলতে গেলে ৫/১০, আমি এভারেজ মাইলেজ পেয়ে থাকি ৪০/৪২ যা আমার কাছে অনেক। এর পিকআপ অনেক অনেক কার্যকারি, অনেক ফাস্ট এন্ড স্মুথ। ওভারটেকিং এ ভালো ফিডব্যাক পেয়েছি। আর এর চাকা ১০০/১৪০ হয়াতে ব্রেক এ কোন প্রকার কম্প্রোমাইজ করতে হয় না। আলহামদুলিল্লাহ এখন পযর্ন্ত চাকা স্কিড করেনি বা কোন দূঘটনার শিকার হতে হয়নি। পরিশেষে বলা যায় যেকোন বাইকের কন্ট্রোল নিজের কাছে, সব সময় মাথা ঠান্ডা করে বাইক চালাবেন, সময় একটু বেশি লাগেও সেফলি বাইক রাইড করে বাসায়, পরিবারের কাছে যান, সব সময় হেলমেট পরুন, বিপদ বলে আশে না। লেখায় ভুল হয়ে থাকলে মাফ করবেন,ধন্যবাদ। আই লাভ বাইক বি ডি।
Suzuki Gixxer Monotone
Suzuki Gixxer 155cc মালিকানা রিভিউ। আমার নাম আরিফ। আমার বয়স ৩২ বছর। বাসা নরসিংদী জেলা, রায়পুরা থানা, ভিটি মরজাল। আমার জীবনের প্রথম বাইকটি ছিল। Hero Honda স্পেন্ডেল+ 100cc ২০১৩ সালে । তাঁর পড়ে Bajaj Pulsar 150cc ২০১৬ সালে। বর্তমানে Suzuki Gixxer 155cc বাইকটি ব্যবহার করছি। আজ আমার এই বাইকটির ব্যপারে আপনাদের সাথে বিশেষ অভিজ্ঞতা শেয়ার করলাম। বাইক চালানো শিখেছি আমার বন্ধু জাকিরের হাত ধরে। তখন Dayang 80cc বাইক দিয়ে জাকির ভাইয়ের হাত ধরে আমি বাইক চালানো শিখি। ভালোভাবে বাইক চালানো শিখতে সময় লাগে ১৫ দিনের মত। কিছু দিন পরে হঠাৎ করে আমার বাবা Hero Honda 100cc মোটরবাইক ক্রয় করে। আর তখন আমার বাবা বাইক চালানো শিখে নাই। তখন আমার খুব আনন্দ লাগে। একটানা তিন বছর বাইক চালিয়ে পরে উক্ত বাইকটি বিক্রি করে দেই । তাঁর এক সপ্তাহের মধ্যে পুরাতন একটি Bajaj Pulsar 150cc বাইক রেজিস্টশন সহ দুই লক্ষ তের হাজার টাকা দিয়ে কিনেছিলাম। বাইকটি আমাদের থানা এলাকার এক বড় ভাইয়ের ছিলো। তাঁর কাছ থেকে কিনেছিলাম। ঐ ভাই ৪ মাসের মত বাইকটি ব্যবহার করেছিলো। তাঁর পরে আমি এক বছরের মত বাইকটি চালাই। এবং তা আবার বিক্রি করে দেই। তাঁর পরে suzuki Gixxer 155cc বাইকটি ক্রয় করি নরসিংদী, আমার বড় ভাইয়ের শোরুম থেকে নতুন ২,৪২,০০০ টাকা রেজিস্ট্রেশন সহ M H মোটর্স সুজুকি শোরুম থেকে। তখন ৬০০০ হাজার টাকা ছাড় দিয়েছিল আমাকে। সুজুকি শোরুম মালিক সিজার ভাই সে একজন ভালো মনের মানুষ। আমি যখন ফোন দিলাম বাইক নেওয়ার জন্য। বললাম আমার জন্য বাইক নিবো। তখন বললেন চলে আসো। আমি বললাম ভাই দুই দিন পরে আসবো। তখন বললেন কেন দুদিন পরে আসবা? আমি বললাম কিছু টাকার কমতি আছে। তিনি আমাকে বললেন কোন সমস্যা নাই,পরে দিলে হবে। তখন আমি চলে গেলাম তাঁর শোরুমে, তখন খুব আনন্দ পাই নতুন গাড়ি কিনব। দ্রুত চলে গেলাম তাঁর শোরুম নরসিংদীতে। বাইকটি ভালোলাগার প্রথম কারন জাপানি প্রযোক্তি। বাইকটি বেশী দিন হয়নি বাজারে আসছে তখন। বিষয়টি খুব ভালো লাগে আমার। আমি একটা ব্যবসা করি। সবদিক বিবেচনা করে আমার বন্ধু নজরুল ভাইয়ের সাথে কথা বলার পর, বললো বাইকটি খুব ভালো হবে মনে হয়। এই চিন্তা করে দুজন সুজুকি শোরুমে চলে গেলাম। ১। প্রদানত কারণ বাইক দিয়ে দেশের সকল সুন্দর্য খুব কাছাকাছি থেকে উপভোগ করা যায়। এবং যেখানে সেখানে যাতায়াত করা যায়। তাই বাইক রাইডিং আমি অনেক ভালবাসি। ২। বর্তমানে আমি Suzuki Gixxer 155cc বাইকটি ব্যবহার করছি। সুজুকি জিক্সার বাইকটি যখন বাংলাদেশের বাজারে প্রথম দেখলাম। তখন আমি তার ভক্ত হয়ে গেলাম। ৩। সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকটির কালার, লুক, ডিজাইন, এবং পার্ফমেন্স দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে যায়। ৪। আমার সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকটির দাম ২,৪২,০০০/- হাজার টাকা রেজিষ্টেশন সহ। নরসিংদীর এম,এইচ মোটর্স থেকে নেওয়া হয়। ৫। সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকটি আমি যেদিন কিনতে গিয়েছিলাম। সেদিন কি যে, আনন্দ লাগছিল আমার। তা আমি কাউকে বলে ভাষায় প্রকাশ করতে পারবনা। ৬। সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকটি প্রথম এক বড় ভাইয়ের থেকে নিয়ে পাঁচ মিনিট চালিয়ে ছিলাম। আমি আরও অন্য যে, বাইক চালিয়েছি তার থেকে অনেক গুণ ভাল লেগেছিল। তাই কেনার জন্য আমি অনেক আগ্রহ সহকারে শোরুমে গিয়েছিলাম। ৭। আসলে সত্যি বলতে ছোট বেলা থেকেই বাইকের প্রতি অগাধ ভালো লাগা কাজ করত। তাই মূলত বাইক চালাই। আর আমি যে, ব্যবসা করি তা বাইক ছাড়া চলেই না। তাই বাইক চালাই। ৮। এক কথায় সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকটি নজর কারা বাইক। ৯। প্রতিদিন আমি যখন সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকটি রাইড করি, আমার কাছে মনে মনে হয়, এই সেগমেন্টের সেরা একটি বাইক চালাচ্ছি। ১০। আমার সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকটি প্রথম বার, সুজুকি সার্ভিস সেন্টার থেকেই সার্ভিস করিয়েছিলাম। ১১। আমার সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকটি ২,৫০০ কিলোমিটার এর আগে মাইলেজ পেতাম ৩৮ থেকে ৪০ কিলোমিটারের মত প্রতি লিটারে মাইলেজ পেতাম। ২,৫০০ কিলোমিটার অতিক্রম করার পর, প্রতি লিটারে ৪৩ থেকে ৪৫ কিলোমিটার প্রতি লিটারে মাইলেজ পাচ্ছি। ১২। আমার সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকটি আমার শরীর থেকেও বেশি যত্ন করি। প্রতি দিন সকালে ভালো ভাবে মুছামুছি + পরিস্কার করে তার পর বাইক রাইডিং করি। ১৩। আমার সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকে প্রথমে Suzuki Oil গ্রেড 20w40 শোরুম থেকে চেঞ্জ করি। তার পর Shel Oil 20w40 বাহিরের দোকান থেকে কিনে ইউজ করতাম। তার পর অন্য ব্রেন্ডের মবিল কিছু দিন ইউজ করেছি। এর পর Total Oil 20w50 গ্রেড ব্যবহার করেছি। এবং আমার বাইকে অয়েল ৯০০ মিলি গ্রাম দিয়ে থাকি। দাম ৩২০ টাকা। দীর্ঘ সময় ব্যবহার করে থাকি। তার পর থেকে মনে হচ্ছে বাইকের সাউন্ড অন্য রকম হয়ে যাচ্ছে। তার পর তাকে বাদ দিয়ে, এখন আমি Shell 20W40 ব্যবহার করতেছি। দাম ৫০০ টাকা । তবে বাইকের সাউন্ড এখন আগের থেকে পরিবর্তন হচ্ছে বলে মনে হয়। ১৪। চেইনসেট চেঞ্জ করি। সামনের চাকার হাইড্রোলিক ব্রেকশো দুই সেট চেঞ্জ করি। সামনের সাসপেনশন এর অয়েল সিল দ্বিতীয় বার চেঞ্জ করি । বল রেচার চেঞ্জ করি। পেছনের চাকার ড্রাম রাবার দ্বিতীয় বার চেঞ্জ করি। এয়ার ফিল্টার পাঁচ বার চেঞ্জ করি। আর মবিল ফিল্টার প্রতি পাঁচ হাজার কিলোমিটার পরপর চেঞ্জ করি। মিটার ক্যাবল চেঞ্জ করি। দ্বিতীয় বার সামনের চেন্স পোকেট চেঞ্জ করি। মাইল মিটার চেঞ্জ করি। কার্বোটার চেঞ্জ করি। একটি প্লাগ চেঞ্জ করি। ১৫। আমার সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকটিতে ইয়ামাহা ফেজার ভার্সন ১ এর উইনসিট ইন্সটল করি। পেছনের চাকার মাডগাট ইন্সটল করি। এলইডি হেড লাইট এবং এল ই ডি ফগ লাইট চার সেট প্যাসিফিক ৭এস ইন্সটল করি। ১৬। সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকটি আমি ১২৪ পর্যন্ত গতি তুলতে পেরেছি। ১৭। প্রথমে বাইকটির ৫টি খারাপ দিকের কথা বলি। ১। বাইকের সাসপেনশন খুবই হার্ড। ২। বাইকটির পিলিয়ন সিট খুবই সক্ত। ৩। বাইকের হেড লাইটের আলো খুবই কম। ৪। বাইকটির ব্রেকিং আরো ভালো দরকার ছিল। ৫। বাইকটির বডি কিট কিছু দূর্বল মনে হয়। ১৮। এবার বাইকটির ৫টি ভালো দিকের কথা বলি। ১। বাইকের লুক অসাধারণ। ২। বাইকের বডি কালার, ডিজাইন অনেক ভালো। ৩। বাইকটি প্রচন্ড রেডি পিকাপ আছে। ৪। বাইকের কন্ট্রোলিং অনেক অনেক ভালো। ৫। বাইকের মাইলেজে আমি সন্তুষ্ট। ১৯। সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকটি দিয়ে সিলেট মাজার জিয়ারত করি তিনবার। বিছানা কান্দি দুবার। সাদা পাথর একবার। শ্রীমঙ্গল দুইবার। সুনামগঞ্জ তাহিরপুর একবার। জাফলং একবার, এবং নিলার্দী লেক,এবং কক্সবাজার, ইনানী। তারপর রাজশাহী রাজবাড়ি দুইবার, কুষ্টিয়া, লালনশাহ সেতু, হাড্ডিঞ্জ ব্রিজ, মিঠামইন, অস্টগ্রাম, ইটনা, নিকলি, টাঙ্গাইল ২০১ গম্বুজ মসজিদ, সিন্দুকছড়ি , সাজেক । আমার বড় ট্যুর হলো পঞ্চগড় জেলার """তেতুলিয়া""" জিরো পয়েন্ট, সহ আরো অনেক নাম না জানা জায়গায় ভ্রমণ করি। ২০। বাইকটির বিশেষ আকর্ষণ হলোঃ আমি ৬০০০০ অতিক্রম করার পরে স্টক টায়ার চেঞ্জ করিনি। ২১। আরও একটি ব্যপার হলো এই ৬০,০০০ হাজার কিলোমিটার রাইডের মধ্যে মাত্র একবার ফুল সার্ভিস করি। তাও আবার আমার এলাকার দক্ষ একজন হোন্ডা মেকানিক মোঃ আল আমিন এর কাছ থেকে। তার একটি ভালো দিক হলো সে বাইকের ওয়ারিং খুব ভালো পারে। ঠিকানা বারৈচা বাজার,বেলাবো, নরসিংদী। ঢাকা সিলেট হাইওয়ে রোড, পেট্রোল পাম্প এর বিপরীত পাশে। ২২। সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকটির ব্যপারে আমার অলমোস্ট কোন অভিযোগ নেই। বাইকটির পারফরম্যান্সে আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ। এই ছিল সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকের ০৫ বছর ০৩ মাস ২৫ দিনে ৬০,০০০ হাজার কিলোমিটার পথ অতিক্রম করার অভিজ্ঞতা আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। ধন্যবাদ।।
New Suzuki Gixxer SF Fi ABS
Bike bd is love
New Suzuki Gixxer SF Fi ABS
Good looking & In this budget, its good enough.
Suzuki Gixxer Double Disc Edition
আমি কখনো কোন নারীর প্রেমে পড়িনি তবে হ্যা আমি আমার বাইকের প্রেমে অবিরত পড়ি বাইক আমাকে সাহস যোগায় চলার পথের শক্তি যোগায় বাইক কেনার পিছনে রয়েছে এক গল্প । ছোট থেকেই স্বপ্ন ছিল বাইকের কিন্তু আমি ছিলাম মধ্যবিত্ত তারপর বড় হয়ে নিজের কাজের টাকা গুলা জমানো শুরু করি আব্বা এবং ভাই বাকিটা দিলেন হুটহাট করেই কিনে নিলাম বাইক টা বাইক লুকিং খুবই ভাল কিন্তু মাইলেজ কম যার জন্য চিন্তায় থাকি কারন আমি ছাত্র সব দিক মাথায় রাখতে হয়। বাইকে ব্রেকিং খুবই ভাল রাস্তায় কখনো বেঈমানী করে নাই তাদের সেলার এবং সার্ভিস সেন্টারের ব্যবহার খুবই ভাল গুরুত্তের সাথে দেখে এবং সমাধান করে আসলে বাইক একটা আবেগের নাম প্রতিদিন বাইকের নিজের জন্য যা খরচ করে বাইকের জন্য তার চেয়ে বেশি খরচ করে, নিজের জন্য খরচ করার আগে ভাবতে হয় কিন্তু বাইকের জন্য খরচ করতে ভাবনা কাজ করে না ভাল থাকুক সকল বাইকার নিরাপদ হোক সকলের প্রতিদিনের বাইকিং যাত্রা