Verified reviews from Suzuki EV owners. Know the pros and cons from real riders.
New Suzuki Gixxer SF Fi ABS
নিজের কষ্টের টাকা দিয়ে কেনা প্রত্যেকটি বাইক ই অবশ্যই নিজের কাছে বেস্ট। তারপরেও সত্যি কথা বলতে এই বাইকটা চালিয়ে আলহামদুলিল্লাহ অনেক মজা পাচ্ছি তা না। প্রতিটি বাইকে কিছু ভালো দিক কিছু খারাপ দিক থাকবে এটা স্বাভাবিক, তারপরেও এর মূল্য তুলনায় বাইক টিতে আরো কিছু ফিচারস বেশি থাকলে ভালো লাগত। যেমন লিকুইড কুলিং অথবা 6 টি কেয়ার। মাইলেজ আলহামদুলিল্লাহ মোটামুটি দেয়। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এর ইঞ্জিন নিয়ে । ওভারহিটিং। তা ছাড়া বাকি সকল দিক ভালোই লেগেছে। বাইক এর আপটার সেল SERVICE আলহামদুলীল্লহ ভাল। গাড়ী টির লুক আমার কাছে ভাল লেগেছীল তাই কিনেছিলাম।
Suzuki Gixxer Monotone
bike ta khub oshadharon service dey avarage mileage paoya jay atar torq khub valo tai ready pickup oo khub vlo kom somoy e vlo speed paoaya jay and bike tar parts available tai kono pain nite hoy na
Suzuki Gixxer Monotone
It is the best bike in the budget my gixxer 17 model dual tone running 40k km and it never let me down
Suzuki Gixxer Double Disc Edition
সপ্ন দেখেছি আমি বাইক চালাবো, নিজের একটি বাইক থাকবে। যখন H.S.C পরিক্ষা দেই তখন থেকেই বাইক এর উপর নেশা কাজ করতো। প্রথম পছন্দ ছিল Discover. ২০০৫ সালে যখন ঢাকা আসলাম অনার্স এ ভর্তি হলাম, ইস্কাটন এর বাজাজ শোরুম এ প্রায়ই যেতাম, আর বাজাজ এর বাইক গুলো দেখতাম। আস্তে আস্তে অনেক দিন কেটে গেল, বাইক শুধু দেখেই যেতাম। একটা সময় অনলাইন এ দেখলাম Discover 125ST ভারত এ লঞ্চ করলো। তারপর থেকে সপ্তাহে ২ দিন করে বাজাজ এর শোরুম এ যেতাম, কবে ST আসবে। অবশেষে অপেক্ষার পালা শেষ হলো। ST আসলো। মন ভরে দেখলাম। যখনই রাস্তায় ST দেখতাম কেমন যেন একটা খোচা ফিল করতাম বুকে। বাট, বাইক আর কেনা হলো না। অনেক দিন কেটে গেল। ২০০৫ থেকে ২০১৬ সাল। ১১ বছর ধরে বাইক এর সপ্ন দেখেই যাচ্ছি। ২০১৭ সাল.. প্রচুর রিভিউ দেখা শুরু করলাম। প্রথম চয়েজ ছিল Yamaha MT15. তখন ও বাংলাদেশে লঞ্চ করেনি। ভাবলাম MT লঞ্চ করলে MT কিনবো। ২০১৭ সালে বাইক কেনার জন্য বাজেট ছিল ২ লাখ। সেই বাজেট বাড়িয়ে ২.৫ লাখ করলাম। MT লঞ্চ করলো ৪ লাখ ৯৫ হাজার। সপ্ন গুলো মনে হয় এভাবেই নষ্ট হয়। আবার শুরু করলাম রিভিউ দেখা, আমার বাজেট এর মধ্যে কোন বাইকটি আমার জন্য ভালো হবে। অবশেষে Gixxer পছন্দ করলাম। চিন্তা করতাম কবে বাইক বিডি থেকে Gixxer এর একটা রিভিউ পাবো। সেটার জন্য ও বেশি দিন ওয়েট করতে হয়নি। ওয়াসিফ ভাই এর মিষ্টি ও প্রনোজ্জল হাসিই আমাকে পাগল করে দিয়েছিল। মনে আছে ওয়াসিফ ভাই এর Gixxer এর সেই রিভিউ...? শেষের অংশটা এক কথায় অসাধারণ ছিল।।। আমি এবং আমার ওয়াইফ এর অনেক চেষ্টার পর Gixxer বাইকটি কিনলাম। অনেকে বলে এটা পাগলামি, বাট আমার মনে হতো আমার বাইকটি আমার বেড এর পাশে নিয়ে ঘুমাই। দেখতে দেখতে আজ আমার বাইক এর বয়ষ ২ বছর ৮ মাস। আজ ও আমার বাইকটি নতুনের মতো। সময় মতো বাইক এর ইন্জিন ওয়েল চেন্জ করা, সময় মতো বাইক এর সার্ভিসিং করা সব কিছুই আমার রুটিন করা থাকতো। প্রথম চারটি সার্ভিস আমি সুজুকি থেকেই নিয়েছি। বাট এরপর থেকে সবসময় স্পেনার থেকে সার্ভিস করিয়েছি। আমি একটা সময় মাষ্টার সার্ভিস করাতে চাইলে ও স্পেনার এর আসলাম ভাই বলেন, "ভাই আপনার বাইক মাষ্টার সার্ভিস করাতে হবে না, বাইক ওকে আছে, জাস্ট জেনারেল সার্ভিস করে নিয়ে যান" আসলাম এই আচরন আমাকে হ্যাপি করে দেয়। তাই স্পেনারকে কখনোই ছেড়ে যাইনি। বাইক এর সাথে সাথে আমার হেলমেট এর উপর ও একটা নেশা কাজ করতে থাকে। আমার প্রথম হেলমেট Bilmola Rapid S Killer. আমার দ্বিতীয় হেলমেট KYT Leopard. আমার তৃতীয় হেলমেট KYT Leopard Half Face. আমার চতুর্থ হেলমেট Bilmola Dragon Ball Z Goku. সব গুলো হেলমেট Gear-X Bangladesh থেকে কেনা। যাই হোক বাইক যখন কিনি তখন আমি খুব ভালো চালাতে পারি না। বাইক এর কাগজ পত্র রেডি হওয়ার পর, আমার এক মামা অনেক রিকোয়েষ্ট করে সিলেট যাওয়ার জন্য। আমি রাজি হলাম। অফিস থেকে ছুটি নিলাম ৪ দিন। নভেম্বর ২০১৯ এ (বাইক কেনার ঠিক ১ মাসের মধ্যে) আমরা সিলেট যাওয়ার প্লান করলাম। দুপুর ২ টায় আমরা রওনা করলাম। আমার পিলিয়ন আমার ওয়াইফ ছিল। আমি তখন ও খুব ভালো রাইডার না। মনের জোর, বিভিন্ন ভ্লগার ভাইদের রিভিউ, আমার ওয়াইফ এর অনুপ্রেরনা এগুলোই ছিল আমার মূল পুজি। যা-ই হোক আমরা দুপুর ২ টায় রওনা করলাম। বাইক এর ব্রেক-ইন-পিরিয়ড মেনে বাইক চালাতে হবে। আরপিএম ৪.৫ এর বেশি ওঠানো যাবে না। চলতে লাগলাম, গন্তব্য সিলেট। ৪.৫ আরপিএম এ ৫৫-৫৭ এর বেশি গতি উঠছে না। বাট আমার মামাকে প্রায়ই আমি হারিয়ে ফেলছি। সে অনেক ভালো বাইক চালায়, আমার অনেক অনেক দূরে সে.... প্রতি এক ঘন্টা পরপর ব্রেক দিচ্ছি। কথায় বুঝলাম মামা আমার উপর একটু বিরক্ত। কিসের ব্রেক-ইন-পিরিয়ড, বাইক জোরে চালালে ইন্জিন আরো বেশি শক্তিশালী হয়। বাট আমি মানতে নারাজ। আমি ৪.৫ এর বেশি আরপিএম এ বাইক চালাবো না। যে কথা সে কাজ। আমি আমার গতিতে বাইক চালাতে থাকি। সন্ধ্যা নেমে আসলো। চারদিক অন্ধকার হয়ে আসছে। কুয়াশা বাড়ছে। শীতের কাপড় পরলাম। কিন্তু এক্সপেরিয়ান্স না থাকলে যা হয়। দুই হাতের আঙ্গুল ঠান্ডায় জমে যাচ্ছে। আমি আর বাইক চালাতে পারছি না, বাইক এর ক্লাস আর চাপতে পাড়ছি না। আমার ওয়াইফ অনেক সাহস দিচ্ছিলো প্রতিটা মূহুর্তে। একটা বাজার পেলাম। আমি, আমার ওয়াইফ আর মামা মিলে হেন্ড গ্লভস কিনলাম। এবার মনে হলো শীতটাকে একটু এনজয় করি। আবার শুরু করলাম বাইক রাইডিং। হাইওয়েতে মনে হচ্ছিলো কুয়াশার খেলা। কুয়াশা ভেদ করে এগিয়ে যাচ্ছিলাম। মনে হচ্ছিলো রাস্তা ফুরাচ্ছে না। রাত ১০ টা বেজে গেল, এখনো সিলেট দেখতে পেলাম না। বাইক চালিয়েই যাচ্ছি। হাইওয়ে পুরো রাস্তা অন্ধকার, আবার কুয়াশা। বাইক এর গতি আরো কমে যাচ্ছে। তার মধ্যে এনা পরিবহন তো আছেই, কত ধকল যে গেল, মাঝে মধ্যে হাইওয়ে বাস গুলোকে সাইড দিতে গিয়ে রাস্তার বাইরে ও নেমে গিয়েছি। কুয়াশার মধ্যে খুব ভালো দেখা যাচ্ছিল না, তবে সামনে বড় একটা বস্তা পড়ে ছিল দেখছিলাম। তখন ও ভাবিনি ডাকাত হতে পারে। আর আমার মামা...... সে তো আমার অনেক সামনে। বিশাল সেই বস্তাটা দেখে বাইক টা থামানোর মতো কোন অবস্থা আমার ছিল না। তার উপর আমি নতুন রাইডার। আমার বাইকটার সামনের চাকা সেই বস্তাটিতে অনেক জোরে ধাক্কা দিল। আমরা পরে যাইনি। বাট বস্তাটা ধাক্কা খেয়ে ২/৩ হাত সামনে চলে গেল। তখন ও বুঝতে পারিনি বস্তাটা আসলে কি ছিল।। বাইক থামালাম, হেলমেট খুল্লাম, এরপর যেটা দেখলাম একটা বিশাল সাইজ এর কুকুর। হয়তো ১/২ দিন আগে মারা গিয়েছে। কোন ভাবে এভয়েড করে আসলাম। রাত তখন ১২.৩০ আমরা সিলেট আসলাম। ১০ ঘন্টা ৩০ মিনিট লেগে গেল ঢাকা থেকে সিলেট যেতে। যাই হোক হোটেল ঠিক করে রেস্ট নিয়ে সকালে রওনা করলাম বিছানা কান্দি, এরপর দিন জাফলং, তারপর দিন ঢাকা আসলাম। সব মিলিয়ে অলমোষ্ট ১০০০/১১০০ কিমি রাইডিং করলাম। আমার রাইডিং এক্সপেরিয়ান্স আরো বাড়িয়ে দিল। আমার বাইক চালানোর ৯০% দুর্বলতা দূর হয়ে গেল। পুরো ট্যুর এ আমার ১৫০০ টাকার ফুয়েল লেগেছিল। অবশ্য ঢাকা আসার পর আরো ফুয়েল ছিল। এরপর আমি আরো অনেক ট্যুর করেছি। ঢাকা-কুমিল্লা মাসে ৪/৫ আাসা যাওয়া হয়। খুলনা গিয়েছি। তবে সিলেট ট্যুরে যেদিন জাফলং গিয়েছিলাম সেদিন ঠিক করেছি, তামাবিল বর্ডার দিয়ে আমার ড্রিম বাইক MT15 নিয়ে ইন্ডিয়া যাবো। আজ ও সপ্ন দেখি আমার ড্রিম বাইক MT15 কবে আমার ঘরে আনতে পারবো.... অবশেষে একটা কথাই বলতে চাই, সব ধরনের সেফটি নিয়ে (সার্টিফাইড হেলমেট, সেফটি গার্ড) নির্দিষ্ট গতিতে বাইক চালাবেন। হ্যাপি রাইডিং। বাইক মানেই বাইক বিডি।
Suzuki Gixxer SF FI
আসসা্লামুয়ালাইকুম ওরহমাতুল্লাহে ওবারাকাতুহু... প্রথমেই আমি বাইক বিডি এর সকল মেম্বার, মডারেটর এবং এডমিনদের প্রতি শ্রদ্ধা-সম্মান ও ভালোবাসা জ্ঞাপন করে আমি আমার বাইকের ইউজার রিভিউ শুরু করছি। 💥💥আমি মোঃমামুন মিয়া, জন্ম থেকে এখন পর্যন্ত বড় হয়ে ওঠা সব কিছুই উত্তরা(১০ নং সেক্টর) ঢাকা, বাংলাদেশে।★★★বতর্মানে আমি একজন Suzuki Gixxer SF(FI)155 DD ইউজার★★★ 💥মনের অজান্তেই ছোট থেকে কেন জানি বাইকের প্রতি আলাদা ১টা ভাল লাগা কাজ করতো, আস্তে আস্তে বড় হতে থাকলাম আর বাইকের প্রতি ভালো লাগা বা ভালোবাসা টা আরো অনেক বেড়ে গেল। 💥বাইকের প্রতি আমার ভালোবাসা থাকলেও পরিবার সব সময় এই একটি বিষয় নিয়ে আমার মতবিরোধ ছিলো যে বর্তমানে বাইকে এক্সিডেন্ট হয় বেশি তাই বাইক কিনা যাবে না,, তার পরে তাদের কে আমি এই শর্তে রাজি করাইছি যে হেলমেট ছাড়া বাইক চালাবো না, আর উচ্চ গতিতে বাইক চালাবো না,, তারপরেই আলহামদুলিল্লাহ আমার সপ্ন পূরণ হলো। 💥আমার লাইফের ১ম বাইক ছিলো Yamaha Fazer(FI) 150, বাইকের লুকিং,কন্ট্রোলিং আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো ছিলো,কিন্তু রেডিপিকাব কম থাকার কারণে আমি বাইকটি বেশি দিন ইউজ করি নাই। 💥বর্তমানে আমি Suzuki Gixxer SF(FI) 155 DD বাইকটি ব্যবহার করছি। বাইকটি তে রয়েছে ১৫৫ সি সি এর শক্তিশালী ইন্জন, যার পাউয়ার ১৪.৮ বি এইচ পি, ১৪ এন এম টর্ক, টিউবলেছ টায়ার আর আমার চাহিদা মতো রেডিপিকাব। 💥আমি বাইকটি ক্রয় করেছি ২০২০ সালে, বাইকটি এখন পর্যন্ত ৮০০০+ কিলো চালানো হয়েছে। ১ টা দিনের জন্যও বাইক টা আমাকে নিরাশ করেনাই। লুকিং, কন্ট্রোলিং, মাইলেজ সব কিছু মিলিয়ে বাইক টা আমার মন কেড়েছে। 💥 বাইক টা ক্রয় হয়েছিল সুজুকি মটেজন (উওরা ৫ নং সেক্টর) থেকে। তখন ডিসকাউন্টে বাইকের ক্রয় মূল্য ২৩০,০০০ টাকা পরেছিল। আর আমি আমার বাইকটি ২ বছরের জন্য ১৫০০০ টাকা খরচে রেজিষ্ট্রেশন করে ছিলাম। 💥 শোরুমের লোকদের পরামর্শ আর পরিচিত বড় ভাইদের পরামর্শ নিয়ে আমি খুব যত্ন সহকারে বাইকের ব্রেকিং প্রিউড শেষ করেছিলাম। তার জন্য আমার বাইকটি আজও নতুের মতোই পারফরমেন্স দিয়ে আসছে। 💥 মূলত আমি বাইকটি কিনে ছিলাম আমার শখ থেকে এবং আমার রেগুলার ইউনিভার্সিটিতে আসা যাওয়ার জন্য। এছাড়াও যখনি যেখানে যাবার প্রয়োজন হয় তখনি আমার বাইক সঙ্গী হিসেবে আমার সাথে থাকে। লং ট্যুরের ক্ষেত্রেও আমি আমার Suzuki Gixxer SF 155 DD বাইকটি ব্যবহার করি। খুব কম্ফোর্ট এবং আনন্দ নিয়ে রাইড করে নিরাপদ গন্তব্যে পৌঁছাই । 💥 Suzuki Gixxer SF 155 DD বাইকটি দিয়ে আমি টপ স্পীড তুলেছি ১০৩। অনেকেই আরো স্পীড তুলে কিন্তু আমার ইচ্ছে বা দরকার হয়নি বেশি স্পীডের। বাইকটিতে ০-১০০ বেশ দ্রুত স্পীড উঠে । 💥বাইক টি তে আমি বর্তমানে 10 W 40 সেমি সেন্থেটিক লিকোমলি লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করি,যার বর্তমান মূল্য ৬৫০ টাকা, আসি যখনি লুব্রিকেন্ট চেঞ্জ করি সাথে সাথে মবিল ফিল্টারও চেঞ্জ করি, আর এতে করে আমার বাইক আরো স্মুথ ভাবে চলে। 💥 বাইকের মেইনটেন্যান্স এর ব্যাপারে আমি কখনো কোনো ছাড় দেই নেই, সময় মতো লুব্রিকেন্ট চেঞ্জ, চেইন ক্লিনিং, চেইন ওয়েলিং, বাইক ওয়াশ, সব কিছুই আমি সময় মতো করি। 💥বাইকের সাথে যা যা স্টকে ছিলো সব কিছুই আমার পছন্দ হইছে, কিন্তু তারপরেও আমি আফটার মার্কেট থেকে কিছু পার্টস ক্রয় করে আমার মনের মতো করে বাইক টা মডিফাই করেছি। আমি বাইকটি তে কিছু লাইটিং মডিফাই করেছি যা কিনা রাতের বেলায় অন্যান্য বাইকের থেকে আমার বাইকটি কে বেশি সুন্দর আর আকর্ষণীয় করে তুলেছে। স্টক লাইট চেঞ্জ করে আমি আফটার মার্কেট এল ই ডি হেড লাগাইছি। 💥বাইকের পার্টস চেঞ্জ বলতে আমি শুধু বাইকের সামনের ব্রেক সু, এয়ার ফিল্টার, মবিল ফিল্টার এইসব চেঞ্জ করেছি। 💥 বাইকটি দিয়ে আমি ঢাকা-পটুয়াখালি-খুলনা ট্যুর দিয়েছি, Suzuki Gixxer SF (FI) বাইকটি আমাকে সব জায়গায় বন্ধুর মতো সাপোর্ট দিয়েছে। এই বাইক দিয়ে লং ট্যুরে আমি অনেক খুশি। 💥 আমার কাছে বাইকটার মিঠা( ভালো) দিকঃ ১. বাইকের লুকিং, যে কোনো রুচিশীল মানুষের ১ দেখাতে নজর কারবে Suzuki Gixxer SF (FI) বাইকটি। ২. রেডি পিকাব, বাইকটি তে রেডি পিকাব থাকাতে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই স্পীড বেশি উঠে। ৩. মাইলেজ, FI ইঞ্জিন হওয়াতে বাইকের মাইলেজ আলহামদুলিল্লাহ অনেক বেশি পাওয়া যায়। ৪. পাইপ হেন্ডেলবার, বাইকটি তে পাইপ হেন্ডেলবার হওয়াতে খুব আরামেই বাইকটি চালানো যায়, আর পিঠও ব্যাথা করে না। ৫. মোটা চাকা, বাইকটি তে মোটা চাকা হওয়াতে খুব কনফিডেন্সের সাথে কর্ণারিং করা যায়। ৬. ব্রেকিং, বাইকটির মধ্যে রয়েছে ডাবল ডিস্ক,এতে করে বাইকের কন্ট্রোলিং খুব সুন্দর হয়। ৭. রেডি পিকাব, Suzuki Gixxer SF (FI) বাইকটির মধ্যে রয়েছে রেডি পিকাব,এতে করে কনফিডেন্সের সহিত অভারটেকিং করা যায়। সত্যি বলতে এই বাইকের ভালো দিক বলে শেষ করা যাবে না। 💥আমার কাছে বাইকটার তিতা( খারাপ) দিকঃ ১. হেডলাইট, বাইকের স্টক হেডলাইটের আলোর পরিমান খুবই অল্প, এতে করে রাতের বেলা অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়। ২. পিলিয়ন সিটিং পজিশন, এই বাইকের পিলিয়ন সিটিং পজিশন কোনো ভাবেই আরাম দায়ক না, অল্প ব্রেকেই পিলিয়ন সামনের দিকে হেলে পরে। ৩. গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স, অনেক সময় ভাংগা চুরা রাস্তাতে ইঞ্জিন গার্ড রাস্তার সাথে লেগে যায়। এই বাইকের গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স কম। ৪. হর্ন, এই বাইকের হর্নের শব্দ খুবই কম, এতে করে ঢাকার মধ্যে বাইক চালাতে সমস্যা হয়। ( ভালোর তুলনায় বাইকটার খারাপ দিক খুবই অল্প) 💥💥 পরিশেষে সকল বাইকার ভাই এবং সকল ধরনের বাইকের প্রতি আমি সম্মান রেখে বলতে চাই, সব ধরনের বাইকেই ভালো-খারাপ ২ টি দিক থাকে। তবে বাইকের দাম অনুযায়ী Suzuki Gixxer Sf (FI) বাইকটি যে কোনো মানুষের পছন্দের তালিকায় ১ম স্থান অধিকার করবে। ★★ আমি শুধুমাএ আমার Suzuki Gixxer SF (FI) বাইকটির ইউজার রিভিউ বল্লাম, যদি আমার কোনো ভূল হয়ে থাকে তাহলে সকলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন★★ ধন্যবাদ।
New Suzuki Gixxer Fi ABS
আমার কাছে বাইক মানে ভালোবাসা, তাই নিজের বাইকে হাজারো দোশ থাকলেও সেটা মেনে নিয়েই থাকি কিন্তু তার পরো কিছু কথা থেকে যায় এই বাইকে কিছু সমস্যা আছে যেগুলোর দিকে আমার মনে হয় কোম্পানির মনোজগ দেয়া উচিত, যেমন বাইকের রঙ উচ্চমানের না, ব্রেক আরেকটু ভালো হলে আত্ববিশ্বাসের সাথে ব্রেক করা যেতো,সিট অনেক শক্ত এই দিক গুলা নজর দেয়া উচিত।
Suzuki Gixxer Double Disc Edition
Amar khub bike er sokh silo kintu baba raji silona ami jokhoni bike kinar jonno pera ditam tokhono baba bolto akta valo jomi sondhan paisi savare kisu din gele r sei jomir kotha bolto na pore baba k bolsi j baba bike ami kinboi dorker hole chalabo na daily akber kore musbo tao bike kinboi ai kotha ta baba mone rakhse pore ami south korea chole gelam 5 years por jokhon aslam bea kore sosur bari berate geasilam basay ase dekhi suzuki gixxer 2in disk merun silver bike basay gareje amar chok dea pani chole aslo kno jani e-commerce jokhon valo obostha tokhon ami gsxR ta nite chaisilam baba k bollam j baba oi bike ta kinbo tumi jeta diso oita bikri kore baba kisui bollo na tar mukh ta molin hoye gelo bujhte parlam j tini seta pochondo koren nai bike bikrir bisoy ta pore sopne dekhlam j bikri kore ami oo kantesi obosese siddhanto nilam ami jotodin beche thakbo allah jotodin hayat rakhbe babar ai smrity jiboneo besbo na alhamdulillah ami ai bike nea onek happy onek satisfied.
New Suzuki Gixxer SF Fi ABS
Alhamdulillah comfortable ride and good milage.free service all done and paid service 1 done . Breaking and controlling 100/100
Suzuki Gixxer SF FI
ছোট বেলা থেকেই স্বপ্ন ছিলো বাইকের প্রতি! আমি ২০১২ সালে বাইক চালানো শিখি, কিন্তু নিজের কেনার সামর্থ ছিলোনা! আর এর মাঝে এভাই ওই ভাইয়ের বাইক চালাতাম, কিন্তু কোনো স্বাধীনতা পেতামনা। আর এমনটাই হওয়ার কথা। এভাবে চলতে চলতে মাঝে মাঝে অনেক অপমান ও হতে হয়েছে যা স্বাভাবিক ছিলো নিজের নাই বলে! যাক আলহামদুলিল্লাহ অবশেষে আল্লাহ বাইক কেনার সামর্থ দিয়েছেন!❤️
Suzuki Hayate Special Edition
আমার লাইফে প্রথম বাইক এই Suzuki Hayate Special Edition 110সিসি Low প্রাইস ভিতরে সবচেয়ে best বাইক এটাই /বাইক কেনার জার্নি টা খুবই কষ্ট দায়ক ছিলো ফ্যামিলি কখনোই বাইক কিনে দিতে রাজি হয়নি তারপর অনেক অনুরোধ পরে যখন বাইক কিনলাম এখন daly use সেই ফ্যামিলি বলে বাইক সত্যিই প্রয়োজনীয় জিনিস। বাইক কন্টোলার আমার কাছে খুবই ভালো তবে বাইকের চাকা একটু বেশি চিকন তবে মাইলেজ ৫৫+ পায় অন্য অন্য গাড়ির তুলনায় এই বাজেটে এই গাড়িটা অনেক smooth যে চালায়েছে সেই গাড়ির প্রেমে পড়েছে। সুজুকি সার্ভিস সেন্টার খুবই help ফুল বাইকটার smartness আমাকেও স্মার্ট করে তোলে সবকিছু মিলিয়ে বাইকটা আমার লাইফে লাকি একটা জিনিস সবকিছুই সহজে করতে পারি কোনো কিছুই প্যারা লাগে না আমার।সবসময় সেভ driving করি আলহামদুলিল্লাহ
New Suzuki Gixxer Fi ABS
I have a dream to ride a naked sport bike . In March I fulfill my dream . The new Suzuki Gixxer is a parfect naked sport bike for young age . The looks and performance of this bike is awesome . Milage is avarage but ok . Braking is good . Service and spares part are so expensive . But I fullfill my dream that's the big thing in my life .
New Suzuki Gixxer SF Fi ABS
''Simba'' ata amar bike er nam, ami r amar wife mile nam ta diyeci, Bike ta amar onek pochonder cilo jokhon theke bike kinar dream dakhtaci, 1st e ami sudu gixxer fi abs ta nite chaccilam, bike o kinte gelam showroom, giye dakhi amar wife sf er pre booking diye rakhece, Ami o gixxer er pre booking diyecilam, Nilam bike ta Alhamdulillah khub valo e cholce. Age bad side boli, city ride e 2 km e onek hit hoye jay, highway te rest dile valo e support day, '''Service'' ami akhon obdi 4 ta service koriyeci 3 ta free 1 ta paid kono service e amar valo lage nai free service er somoy tader acharon valo lage nai na service, O R akta kotha bolte vulei gaci, Bike tar Price Onek bashi ai price e oil cool engine ta khub dorkar cilo.
Suzuki Gixxer Double Disc Edition
Amazing bike, good for cornering, fast and reliable in heavy traffic.
Suzuki Gixxer Monotone
This bike is awesome. I like its look and controlling.
New Suzuki Gixxer SF Fi ABS
সুজুকি জিক্সার এসএফ (ব্ল্যাক রেড কম্বিনেশন) 2017 এর মডেল, এটা আমার দ্বিতীয় বাইক। 2017/18 সালে কেমন জনপ্রিয় ছিল এই বাইক, তা বেশিরভাগ বাইকপ্রেমী হয়তো জানেন। রিভিউয়ার না যদিও আমি কোন, তারপরও তুলে ধরব আমার ব্যক্তিগত মতামত। তখনকার 2 লক্ষ 60 হাজার বাজেটে এর পারফরম্যান্স ছিল দুর্দান্ত, যার কারণে 129 টপ স্পিড তুলতে পেরেছিলাম। কনফিডেন্স সহকারে ওভারটেক করতে পারতাম,এর ম্যাক্স পাওয়ার এন্ড টর্ক আমার কাছে সন্তোষজনক মনে হয়েছে, কখনো হতাশ করেনি। এভারেজ মাইলেজ পেতাম 42 প্লাস, যা হাই রেভ করলেও 38 নিচে কখনো নামতে দেখিনি। লুকস যার যার ব্যক্তিগত পছন্দের জিনিস, তাও অনেককে দেখছি বা দেখতাম বাইকের পাশে দাঁড়ানো, ছবি তুলতে চাইত, ছবি তুলত। আমিও তাকে ঠিক সময়ে সার্ভিস দিতাম বিনিময় সেও আমাকে তার বেস্ট সার্ভিসটি দিত, তবে স্পেয়ার পার্টস এর দাম তুলনামূলক কম হতে পারত। বাইকটির নিয়ন্ত্রণক্ষমতা দুর্দান্ত যা রাইডার টু রাইডার ভেরি করে, যেকোনো পরিস্থিতিতে সহজেই তাকে নিয়ন্ত্রণে নিতে পারতাম। তবে এবিএস ব্রেকিং থাকলে রাইডার আর একটু রিলাক্স থাকতে পারবে। বাজেট ফ্রেন্ডলি, ফুয়েল এফিশিয়েন্সি, ব্র্যান্ড ভ্যালু,পারফরম্যান্স, লুকস এর সবকিছুর সমন্বয়ে আমি একে "অলরাউন্ডার" বলবো।