Verified reviews from Suzuki EV owners. Know the pros and cons from real riders.
Suzuki Gixxer Double Disc Edition
A good bike with great acceleration
Suzuki Gixxer Monotone
আমি বাইকটি কিনেছি ২০২০ এর জুলাই মাসে। এর আগে আমার বড় ভাইয়ের ১২৫সিসি এর বাইক চালাতাম। জিক্সার কিনার একটি অন্যতম কারণ হচ্ছে এর লুক। আমার দিক থেকে বললে এই সেগমেন্ট এ সবচেয়ে আকর্ষণীয় লুক জিক্সার এর। আর সাথে মোটামুটি বাজেট ফ্রেন্ডলীও। সব মিলিয়ে জিক্সার আমার জন্য পারফেক্ট মনে হয়েছে বিধায় কিনেছি। আর বাইকের খারাপ দিকে বলতে তেমন কিছু নাই। সোজা কথা আমার বাইক আমার কাছে সেরা। কেউই পারফেক্ট হয় পারফেক্ট বানায় নিতে হয়। আমিও আমার বাইককে নিজের মতো করে নিছি। জিক্সার রেডি পিক আপ এর গাড়ি সবাই জানে। আর বাইকের কন্ট্রোলিং ও মানানসই। আমি মাইলেজ ৩৫+- পাই। আর সার্ভিস নিয়েও কোনো প্রব্লেম হয় না। এক কথায় জিক্সার খুবই সেটিস্ফাইং বাইক এই সেগমেন্ট এ। ধন্যবাদ।
Suzuki Gixxer Monotone
Suzuki Gixxer 155cc মালিকানা রিভিউ। আমার নাম আরিফ। আমার বয়স ৩২ বছর। বাসা নরসিংদী জেলা, রায়পুরা থানা, ভিটি মরজাল। আমার জীবনের প্রথম বাইকটি ছিল। Hero Honda স্পেন্ডেল+ 100cc ২০১৩ সালে । তাঁর পড়ে Bajaj Pulsar 150cc ২০১৬ সালে। বর্তমানে Suzuki Gixxer 155cc বাইকটি ব্যবহার করছি। আজ আমার এই বাইকটির ব্যপারে আপনাদের সাথে বিশেষ অভিজ্ঞতা শেয়ার করলাম। বাইক চালানো শিখেছি আমার বন্ধু জাকিরের হাত ধরে। তখন Dayang 80cc বাইক দিয়ে জাকির ভাইয়ের হাত ধরে আমি বাইক চালানো শিখি। ভালোভাবে বাইক চালানো শিখতে সময় লাগে ১৫ দিনের মত। কিছু দিন পরে হঠাৎ করে আমার বাবা Hero Honda 100cc মোটরবাইক ক্রয় করে। আর তখন আমার বাবা বাইক চালানো শিখে নাই। তখন আমার খুব আনন্দ লাগে। একটানা তিন বছর বাইক চালিয়ে পরে উক্ত বাইকটি বিক্রি করে দেই । তাঁর এক সপ্তাহের মধ্যে পুরাতন একটি Bajaj Pulsar 150cc বাইক রেজিস্টশন সহ দুই লক্ষ তের হাজার টাকা দিয়ে কিনেছিলাম। বাইকটি আমাদের থানা এলাকার এক বড় ভাইয়ের ছিলো। তাঁর কাছ থেকে কিনেছিলাম। ঐ ভাই ৪ মাসের মত বাইকটি ব্যবহার করেছিলো। তাঁর পরে আমি এক বছরের মত বাইকটি চালাই। এবং তা আবার বিক্রি করে দেই। তাঁর পরে suzuki Gixxer 155cc বাইকটি ক্রয় করি নরসিংদী, আমার বড় ভাইয়ের শোরুম থেকে নতুন ২,৪২,০০০ টাকা রেজিস্ট্রেশন সহ M H মোটর্স সুজুকি শোরুম থেকে। তখন ৬০০০ হাজার টাকা ছাড় দিয়েছিল আমাকে। সুজুকি শোরুম মালিক সিজার ভাই সে একজন ভালো মনের মানুষ। আমি যখন ফোন দিলাম বাইক নেওয়ার জন্য। বললাম আমার জন্য বাইক নিবো। তখন বললেন চলে আসো। আমি বললাম ভাই দুই দিন পরে আসবো। তখন বললেন কেন দুদিন পরে আসবা? আমি বললাম কিছু টাকার কমতি আছে। তিনি আমাকে বললেন কোন সমস্যা নাই,পরে দিলে হবে। তখন আমি চলে গেলাম তাঁর শোরুমে, তখন খুব আনন্দ পাই নতুন গাড়ি কিনব। দ্রুত চলে গেলাম তাঁর শোরুম নরসিংদীতে। বাইকটি ভালোলাগার প্রথম কারন জাপানি প্রযোক্তি। বাইকটি বেশী দিন হয়নি বাজারে আসছে তখন। বিষয়টি খুব ভালো লাগে আমার। আমি একটা ব্যবসা করি। সবদিক বিবেচনা করে আমার বন্ধু নজরুল ভাইয়ের সাথে কথা বলার পর, বললো বাইকটি খুব ভালো হবে মনে হয়। এই চিন্তা করে দুজন সুজুকি শোরুমে চলে গেলাম। ১। প্রদানত কারণ বাইক দিয়ে দেশের সকল সুন্দর্য খুব কাছাকাছি থেকে উপভোগ করা যায়। এবং যেখানে সেখানে যাতায়াত করা যায়। তাই বাইক রাইডিং আমি অনেক ভালবাসি। ২। বর্তমানে আমি Suzuki Gixxer 155cc বাইকটি ব্যবহার করছি। সুজুকি জিক্সার বাইকটি যখন বাংলাদেশের বাজারে প্রথম দেখলাম। তখন আমি তার ভক্ত হয়ে গেলাম। ৩। সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকটির কালার, লুক, ডিজাইন, এবং পার্ফমেন্স দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে যায়। ৪। আমার সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকটির দাম ২,৪২,০০০/- হাজার টাকা রেজিষ্টেশন সহ। নরসিংদীর এম,এইচ মোটর্স থেকে নেওয়া হয়। ৫। সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকটি আমি যেদিন কিনতে গিয়েছিলাম। সেদিন কি যে, আনন্দ লাগছিল আমার। তা আমি কাউকে বলে ভাষায় প্রকাশ করতে পারবনা। ৬। সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকটি প্রথম এক বড় ভাইয়ের থেকে নিয়ে পাঁচ মিনিট চালিয়ে ছিলাম। আমি আরও অন্য যে, বাইক চালিয়েছি তার থেকে অনেক গুণ ভাল লেগেছিল। তাই কেনার জন্য আমি অনেক আগ্রহ সহকারে শোরুমে গিয়েছিলাম। ৭। আসলে সত্যি বলতে ছোট বেলা থেকেই বাইকের প্রতি অগাধ ভালো লাগা কাজ করত। তাই মূলত বাইক চালাই। আর আমি যে, ব্যবসা করি তা বাইক ছাড়া চলেই না। তাই বাইক চালাই। ৮। এক কথায় সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকটি নজর কারা বাইক। ৯। প্রতিদিন আমি যখন সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকটি রাইড করি, আমার কাছে মনে মনে হয়, এই সেগমেন্টের সেরা একটি বাইক চালাচ্ছি। ১০। আমার সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকটি প্রথম বার, সুজুকি সার্ভিস সেন্টার থেকেই সার্ভিস করিয়েছিলাম। ১১। আমার সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকটি ২,৫০০ কিলোমিটার এর আগে মাইলেজ পেতাম ৩৮ থেকে ৪০ কিলোমিটারের মত প্রতি লিটারে মাইলেজ পেতাম। ২,৫০০ কিলোমিটার অতিক্রম করার পর, প্রতি লিটারে ৪৩ থেকে ৪৫ কিলোমিটার প্রতি লিটারে মাইলেজ পাচ্ছি। ১২। আমার সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকটি আমার শরীর থেকেও বেশি যত্ন করি। প্রতি দিন সকালে ভালো ভাবে মুছামুছি + পরিস্কার করে তার পর বাইক রাইডিং করি। ১৩। আমার সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকে প্রথমে Suzuki Oil গ্রেড 20w40 শোরুম থেকে চেঞ্জ করি। তার পর Shel Oil 20w40 বাহিরের দোকান থেকে কিনে ইউজ করতাম। তার পর অন্য ব্রেন্ডের মবিল কিছু দিন ইউজ করেছি। এর পর Total Oil 20w50 গ্রেড ব্যবহার করেছি। এবং আমার বাইকে অয়েল ৯০০ মিলি গ্রাম দিয়ে থাকি। দাম ৩২০ টাকা। দীর্ঘ সময় ব্যবহার করে থাকি। তার পর থেকে মনে হচ্ছে বাইকের সাউন্ড অন্য রকম হয়ে যাচ্ছে। তার পর তাকে বাদ দিয়ে, এখন আমি Shell 20W40 ব্যবহার করতেছি। দাম ৫০০ টাকা । তবে বাইকের সাউন্ড এখন আগের থেকে পরিবর্তন হচ্ছে বলে মনে হয়। ১৪। চেইনসেট চেঞ্জ করি। সামনের চাকার হাইড্রোলিক ব্রেকশো দুই সেট চেঞ্জ করি। সামনের সাসপেনশন এর অয়েল সিল দ্বিতীয় বার চেঞ্জ করি । বল রেচার চেঞ্জ করি। পেছনের চাকার ড্রাম রাবার দ্বিতীয় বার চেঞ্জ করি। এয়ার ফিল্টার পাঁচ বার চেঞ্জ করি। আর মবিল ফিল্টার প্রতি পাঁচ হাজার কিলোমিটার পরপর চেঞ্জ করি। মিটার ক্যাবল চেঞ্জ করি। দ্বিতীয় বার সামনের চেন্স পোকেট চেঞ্জ করি। মাইল মিটার চেঞ্জ করি। কার্বোটার চেঞ্জ করি। একটি প্লাগ চেঞ্জ করি। ১৫। আমার সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকটিতে ইয়ামাহা ফেজার ভার্সন ১ এর উইনসিট ইন্সটল করি। পেছনের চাকার মাডগাট ইন্সটল করি। এলইডি হেড লাইট এবং এল ই ডি ফগ লাইট চার সেট প্যাসিফিক ৭এস ইন্সটল করি। ১৬। সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকটি আমি ১২৪ পর্যন্ত গতি তুলতে পেরেছি। ১৭। প্রথমে বাইকটির ৫টি খারাপ দিকের কথা বলি। ১। বাইকের সাসপেনশন খুবই হার্ড। ২। বাইকটির পিলিয়ন সিট খুবই সক্ত। ৩। বাইকের হেড লাইটের আলো খুবই কম। ৪। বাইকটির ব্রেকিং আরো ভালো দরকার ছিল। ৫। বাইকটির বডি কিট কিছু দূর্বল মনে হয়। ১৮। এবার বাইকটির ৫টি ভালো দিকের কথা বলি। ১। বাইকের লুক অসাধারণ। ২। বাইকের বডি কালার, ডিজাইন অনেক ভালো। ৩। বাইকটি প্রচন্ড রেডি পিকাপ আছে। ৪। বাইকের কন্ট্রোলিং অনেক অনেক ভালো। ৫। বাইকের মাইলেজে আমি সন্তুষ্ট। ১৯। সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকটি দিয়ে সিলেট মাজার জিয়ারত করি তিনবার। বিছানা কান্দি দুবার। সাদা পাথর একবার। শ্রীমঙ্গল দুইবার। সুনামগঞ্জ তাহিরপুর একবার। জাফলং একবার, এবং নিলার্দী লেক,এবং কক্সবাজার, ইনানী। তারপর রাজশাহী রাজবাড়ি দুইবার, কুষ্টিয়া, লালনশাহ সেতু, হাড্ডিঞ্জ ব্রিজ, মিঠামইন, অস্টগ্রাম, ইটনা, নিকলি, টাঙ্গাইল ২০১ গম্বুজ মসজিদ, সিন্দুকছড়ি , সাজেক । আমার বড় ট্যুর হলো পঞ্চগড় জেলার """তেতুলিয়া""" জিরো পয়েন্ট, সহ আরো অনেক নাম না জানা জায়গায় ভ্রমণ করি। ২০। বাইকটির বিশেষ আকর্ষণ হলোঃ আমি ৬০০০০ অতিক্রম করার পরে স্টক টায়ার চেঞ্জ করিনি। ২১। আরও একটি ব্যপার হলো এই ৬০,০০০ হাজার কিলোমিটার রাইডের মধ্যে মাত্র একবার ফুল সার্ভিস করি। তাও আবার আমার এলাকার দক্ষ একজন হোন্ডা মেকানিক মোঃ আল আমিন এর কাছ থেকে। তার একটি ভালো দিক হলো সে বাইকের ওয়ারিং খুব ভালো পারে। ঠিকানা বারৈচা বাজার,বেলাবো, নরসিংদী। ঢাকা সিলেট হাইওয়ে রোড, পেট্রোল পাম্প এর বিপরীত পাশে। ২২। সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকটির ব্যপারে আমার অলমোস্ট কোন অভিযোগ নেই। বাইকটির পারফরম্যান্সে আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ। এই ছিল সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি বাইকের ০৫ বছর ০৩ মাস ২৫ দিনে ৬০,০০০ হাজার কিলোমিটার পথ অতিক্রম করার অভিজ্ঞতা আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। ধন্যবাদ।।
Suzuki Gixxer Monotone
First of all, i think that it's performance is too good to ride. I also have a enough good millage record with it from city and highway. It's look & design is too classy & mind-blowing. From this bike my service & spears experience is enough good, all tools are manageable from any bike shop. Finally, i really feel & face that this bike have the best control system, but rear durm break should be improved. That's all from me. Tnx
Suzuki Gixxer SF FI
Bangladesher onek guli bike er best looking, comfort,er dik diye suzuki bike ta best,... best prize mileage,,look sob dike best tai ami ai bike ta nilam
New Suzuki Gixxer Fi ABS
Sell kore disi akhn kono bike nai ,, resell value valoo
Suzuki Gixxer Double Disc Edition
বাইকটি মাইলেজ, ব্রেক ও ব্যালেন্স অনেক দারূণ।
New Suzuki Gixxer SF Fi ABS
Suzuki gixxer sf it's very good
New Suzuki Gixxer SF Fi ABS
I have been riding this bike for nearly 3 years. It has been an increadible journey. In my opinion its the best in this price range.
Suzuki Gixxer Double Disc Edition
Very comfortable and nice looking
Suzuki Gixxer Monotone
এটি আমার খুব পছন্দের একটি বাইক। ১লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা এই প্রাইজ এ বেস্ট বাইক এটা। পাওয়ার, লুকস, মাইলেজ, টাইয়ার সাইজ সব দিক থেকে বাজেট এ বেস্ট বাইক। আমি এই বাইক টা ২ বছর যাবত ব্যাবহার করছি কোনো রকম সমস্যা ছাড়া। maintance খরচ খুব ই কম। আমি এই বাইক নিয়ে বেশ কয়টি লং ট্যুর দিছি তার মধ্যে সাজেক, বান্দরবন,রাঙামাটি,কক্সবাজার গেছি। কোনো রকম সমস্যা ছাড়া ৭ দিন এ ১২০০কিমি রাইড করেছি। এমনকি রাইডিং কমফোর্ট অনেক ভালো কোনো হতে ব্যাথা বা মজায় ব্যাথা হয়নি। এখনো পর্যন্ত Suzuki Gixxer mono tone Black colour ব্যাবহার করছি।ব্রেকিং ও অনেক ভালো, অনেক বড় দুর্ঘটনা থেকে প্রপার ব্রেকিং থেকে বেঁচে গেছি ইনশাল্লাহ্। মাশাআল্লাহ সার্ভিস।
Suzuki Gixxer Monotone
আমার অনেক দিনের শখ ছিল একটা বাইক কিনবো। অনেকে অনেক দিনের কথা বলেছে কিন্তু আমার পছন্দের বাইক ছিল সুজুকি জিগজার মনোটোন বাইকটি। যেদিন বাইক কিনতে যাব সেদিন অনেকগুলো শোরুমে খোঁজ করে কোথাও পাওয়া গেল না এবং আমি হতাশ হয়ে গেলাম। আমার এক কাছের বড় ভাই সে বলল দাঁড়াও কোথাও খুঁজে পাই কিনা! যেই কথা সেই কাজ আমার বড় ভাই একে একে টাঙ্গাইল ময়মনসিংহ কয়েকটা জায়গায় খোঁজ নিয়ে দেখলো কোথাও কোথাও এ মডেলটি নাই অবশেষে বাইপাইল জাপান বাইক সিটিতে খোঁজ নিয়ে জানা গেল একটি স্টকে আছে তারা বলল যদি এক ঘন্টার মধ্যে আমরা যাইতে পারি তাহলে ওটা আমাদের জন্য রেখে দিবে। তৎক্ষণাৎ আমরা রওনা দিলাম এবং গিয়ে যখন শুরু হয়ে পৌছালাম গিয়ে দেখি শোরুমে একটিমাত্র বাইক আছে কিন্তু ওখানে বুক লেখা। ওই বুক লেখা সাইনবোর্ড দেখে আমি হতাশ হয়ে গেলাম পরে কাউন্টারে গিয়ে জিজ্ঞেস করলে তারা বলল মৌচাক থেকে এটা ফোনে বুকিং দিয়েছে তারা আসতেছে আমরা গিয়ে বললাম যে আমরা কল করেছিলাম এটা আমার জন্য রাখা আছে তখন উনি বললো ঠিক আছে এটা আপনার জন্যই রাখা আছে। সকল কার্যক্রম শেষ করে যখন বাইক টা আমার কাছে হ্যান্ডওভার করল তখন যে কি ভালোলাগা কাজ করলো বলে বোঝানো যাবে না এই হল আমার জীবনের প্রথম বাইক।আমার বাইকের পারফরম্যান্স মাইলেজ সব কিছু নেই আমি সন্তুষ্ট হতাশা আছে সেটা হচ্ছে বাইকের গিয়ার লিভার টা অনেক শক্ত এই সুজুকি জিগজার যদি গিয়ার লিভারটার যে প্রবলেম সেই টা সলভ করে ওভারঅল আমাদের মত যারা নিম্নমধ্যবিত্ত আছে তাদের জন্য বাজেটের মধ্যে একটা সুন্দর বাইক। আর আমার বাইকের অফিসিয়াল যে সার্ভিসিং সেটা দিয়ে আমি অবশ্যই খুব সন্তুষ্ট তারা খুব যত্ন সহকারে সার্ভিসিং করে।
Suzuki Hayate
আমি পেশায় একজন ছাত্র। আমার ছোটবেলা থেকেই বাইকের প্রতি ভালোবাসা ছিলো। আর আমার সেই ভালোবাসা থেকেই সুজুকি হায়াতে বাইকটি কেনা। বাইকটি আমার অনেক পছন্দের। বাইকটির ভালো দিকগুলোই বেশি যেমন ভালো রেডি পিকাপ, অনেক আরামদায়ক রাইডের সময়, ভালো মাইলেজ, দেখতেও বেশ ভালো। বাইকটি আমি 4 বছর ধরে ব্যবহার করে আসছি এই পর্যন্ত বাইকটি আমাকে হতাশ করেনি। আমি বাইকটি নিয়ে কয়েকটি লং ট্যূর দিয়েছি। সব দিক বিবেচনা করে বাইকটি আমার কাছে দাম হিসেবে ভালো মনে হয়েছে।