Verified reviews from Bajaj EV owners. Know the pros and cons from real riders.
Bajaj Pulsar 150 Neon
Better then some of other brand and continue it
Bajaj CT 100 ES
It’s a mileage helpful bike. I would like to say for the users that this is a very economic mileage bike also a bike of control
Bajaj Pulsar 150 Twin Disc
বিল্ট কোয়ালিটি ভাল, সব দিক দিয়ে ঠিক ঠাক
Bajaj Pulsar 150
ছোটবেলা থেকেই বাইকের প্রতি ছিল প্রবল আকর্ষণ। দেশের রাস্তায় প্রথম যখন বাজাজের পালসার আসে, তখন অন্য কোন বাইক এতটা আকর্ষণীয় ছিল না। সেই স্কুল লাইফের স্বপ্ন, বাস্তবে পরিণত হল বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে এসে। প্রথম বাইক, তাও স্বপ্নের পালসার! জীবনের অন্যতম খুশির মুহুর্ত। ছোট, বড় বেশ অনেক ট্যুর করেছি। অনেক কঠিন মুহূর্তেও বেশ ভালো সাপোর্ট দিয়েছে বাইকটা। যদিও এখন অনেক আধুনিক নতুন নতুন বাইক এভেইলেবল। পার্ফরম্যান্স, মাইলেজ কিংবা কম্ফোর্ট বিবেচনায় হয়ত এসব নতুন বাইকের চেয়ে কিছুটা পিছিয়েই থাকবে পালসার। শুরু থেকেই আমি প্রপার মেইনটেন্যান্স এর ব্যাপারে সচেতন ছিলাম। বাজাজের আফটার সেলস সার্ভিস যথেষ্ট ভালো, তাছাড়া এই বাইকের সার্ভিসের ব্যাপারে কমবেশি সব টেকনিশিয়ানই অভিজ্ঞ। তাই, ৮ বছরে প্রায় ৬০ হাজার কিলোমিটার চালানোর পরেও এখনো যথেষ্ট ভালো সার্ভিস পাচ্ছি আমার প্রিয় পালসার থেকে।
Bajaj Discover 110 Drum
২০১৮ সালের কথা। ইন্টার সেকেন্ড ইয়ার এ যখন উঠি এবং বয়স ১৮ হয় তখন হটাৎ বাবা একদিন ডেকে বললেন, "কলেজে কত জন বাইক নিয়ে আসে? ১ লাখ ২০ হাজার বাজেটে কোন বাইক টা ভাল হবে? বাসা থেকে প্রতিদিন ২০ কি.মি যাওয়া আসা করতে গেলে রাস্তায় অনেক সময় নষ্ট হয়, গ্রামের রাস্তায় গাড়ি পাওয়াও সমস্যা। দেখো ডিসকভার ১০০ ভাল হবে কি না।" তারপরে কিছুদিন ঘাটাঘাটি করে দেখলাম বাজাজ এর সার্ভিস ভাল হবে, আর ডিসকভার একটা নির্ভরযোগ্য বাইক হবে এই সেগমেন্ট ও বাজেট এ এর লুকস, স্পেয়ার পার্টস ও মাইলেজ বিবেচনায়। এরপর এল কাঙ্খিত সেই দিন, ২২ জানুয়ারি ২০১৮। সেদিন নাটোরের উত্তরা মোটরস এর অনুমোদিত ডিলার বিসমিল্লাহ মোটরস থেকে বাবার সাথে যেয়ে আমি আমার বাইক টি ক্রয় করি। Discover 100 বাইকটির ভাল দিক হচ্ছে এটির লুক বাজারের অন্যান্য ১০০-১২৫ সিসি সেগমেন্টের বাইক গুলোর মধ্যে অন্যতম সেরা। লুক এর পাশাপাশি এর মাইলেজ ও পারফর্মেন্স অসাধারন। আমি এখন পর্যন্ত সব রকম রাস্তায় প্রায় ২২ হাজার কি.মি বাইক টি চালিয়েছি। সবরকম পরিস্থিতি তেই বাইকটি অসাধারন সাপোর্ট আমাকে দিয়েছে এবং এর সাসপেনশন অসাধারন। আরেকটি ভাল দিক না বললেই নয় সেটি হচ্ছে এটার স্পেয়ার পার্টস সব জায়গায় পাওয়া যায় এবং অন্যান্য ব্র্যান্ড থেকে বাজাজ এর স্পেয়ার পার্টস সব জায়গায় পাওয়া যায় এবং দাম ও অন্যান্য ব্রান্ড বিবেচনায় সবচেয়ে কম লেগেছে আমার কাছে। আমার বাইকের আরো ভাল দিক এর মাইলেজ ও লুকিং গ্লাস এর ভিজিবিলিটি। খারাপ দিকের মধ্যে যেগুলো আছে সেটি হচ্ছে হেডলাইট এর আলো অত্যান্ত কম যা রাতে রাইড করতে ব্যপক সমস্যায় ফেলে। প্রথম দিকের বাইক গুলোর টায়ার টিউবলেস না হওয়ায় পাংচারের আশংকা থেকেই যায় আর পাংচার হলে চরম ভোগান্তির ভেতরে পড়তে হয়। ২ বার এই সমস্যায় পড়েছিলাম। আরেকটি খারাপ দিক হচ্ছে বাইকের পিছনের চাকা টা আরেকটু মোটা দিলে ভাল হতো কারন পিচ্ছিল রাস্তায় অনেক সময় বাইক স্লিপ করে। আমি আমার বাইকের মাইলেজ নিয়ে খুবই সন্তুষ্ট। আমি সিটি তে প্রতি লিটার অকটেন এ ৬২-৬৪ কি.মি চালাতে পারি, হাইওয়ে তে গেলে যা আমাকে ৭০কি.মি+ মাইলেজ দেয়। পিকআপ রেসপন্স এই সেগমেন্ট এ যথেষ্ট ভাল এবং হাইওয়ে তে যথেষ্ট কনফিডেন্স এর সাথে আমি আমার বাইক নিয়ে ওভারটেক ও রাইড করতে পারি। আর কম্ফোর্টের দিক দিয়ে আমি বলতে চাই এই সেগমেন্ট এ ডিসকভার সেরা। কারন আমাকে বিভিন্ন কন্ডিশনের রাস্তায় প্রতিদিন প্রায় ৪০-৬০ কিমি বাইক চালাতে হয়। এবং এর সিটিং পজিশন ও সাসপেনশন আমাকে খুব সুন্দর ও কম্ফোর্টেবল রাইড উপহার দেয়। দীর্ঘ সময় রাইড করি তবুও কখনো শারীরিক কোন সমস্যায় পড়িনি। প্রতিদিন রাইড করছি, মাঝে মধ্যে আশেপাশের জেলায় যেতে হয় আমাকে। রাজশাহী বিভাগের সবগুলো জেলায় আমি আমার ডিসকভার নিয়ে গিয়েছি। পারফর্মেন্স ছিল এই সেগমেন্টের হিসাবে ১০০ তে ১০০। আর বাজাজ এর আফটার সেলস সার্ভিসেও আমি মুগ্ধ। ফ্রি সার্ভিস ও পেইড সার্ভিস সবগুলোই নিয়েছি, স্টাফ দের ব্যবহার ছিল অত্যান্ত আন্তরিক এবং তারা যত্নের সাথে আমার বাইকের কাজ করেছেন যখন ই তাদের কাছে বাইক নিয়ে গিয়েছি। এ ছাড়াও তারা স্পেয়ার পার্টস এর ন্যায্য মুল্য রেখেছেন আমার কাছ থেকে। সার্ভিসের ক্ষেত্রে বলতে গেলে আমার তেমন কোন খরচ হয়নি কারন আমার এখন পর্যন্ত ব্রেক স্যু, ইঞ্জিন অয়েল ফিল্টার ও এয়ার ফিল্টার ছাড়া আর কিছুই চেঞ্জ করতে হয় নি। আমি একজন ডিসকভার ইউজার হিসেবে গর্বিত এবং ইচ্ছা আছে আমার এই বাইক নিয়েই একদিন আমি লং ট্যুর এবং ইন্টারন্যাশনাল ট্যুর দিব যদি সৃষ্টিকর্তা সামর্থ্য দেন।
Bajaj Discover 125 Drum
বেশ কয়েকবছর চালানোর অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। বাইকটি যথেষ্ট মজবুত এবং ব্রেকিং আগের তুলনায় অনেক কনফিডেন্স পাওয়া যায়৷ সাউন্ড টা আগের থেকে অনেক সুন্দর হয়েছে। মাইলেজ ও ভালো পাচ্ছি। ইঞ্জিন খুব স্মোথলি চলছে। এখনো মেজর কোন সমস্যা দেখা দেই নি।
Pulsar 150 Twin Disc ABS
বেশ কয়েকবছর চালানোর অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। বাইকটি যথেষ্ট মজবুত এবং ব্রেকিং আগের তুলনায় অনেক কনফিডেন্স পাওয়া যায়৷ সাউন্ড টা আগের থেকে অনেক সুন্দর হয়েছে। মাইলেজ ও ভালো পাচ্ছি। ইঞ্জিন খুব স্মোথলি চলছে। এখনো মেজর কোন সমস্যা দেখা দেই নি।
Bajaj Pulsar 150
অধিক মজবুত একটি বাইক এটি। কয়েকবার এক্সডেন্ট হওয়ার পর ও বাইকের কিছুই হয় নি। ব্রেকিং নিয়ে একটু সমস্যা পরতে হয়। অত্যধিক স্পিডে সামনের ব্রেক না করাই ভালো। সামনের চাকা স্কিড করার ফলে এক্সিডেন্ট ঘটে। সঠিক টায়ার প্রেসার হলে তেমন সমস্যা হয় না। মাইলেজ নিয়ে তেমন কমপ্লেন নেই। সার্ভিস যথেষ্ট ভালো। ১ম অবস্থায় ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যেত বার বার এখন সেই সমস্যা নেই। অভারাল ভদ্র মানুষের জন্য ভালো একটি বাহন হতে পারে এটি।
Bajaj Pulsar 150
আমি এই বাইকটি সেপ্টেম্বর 2020 এ কিনেছিলাম, এখন প্রায় 2 বছর হয়ে গেছে। প্রথমত, যদি আপনার বাজেট কম হয় এবং আপনি 150cc কিনতে চান, তাহলে এটিই আপনার কেনা সেরা বাইক। ইঞ্জিন পাওয়ার ভালো, রাইডিংয়ে আরামদায়ক এবং দেখতে খুব বেশি উন্নত নয় কিন্তু দাম দেখে, চেহারা এভারেজ। পারফরম্যান্সের দিক থেকে, আমি এর মাইলেজ (প্রায় 45+ কিমি/লি) নিয়ে সত্যিই খুশি। সাসপেনশন ভালো। এই বাইকটির খুব বেশি রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন নেই তবে সময়ের সাথে সাথে পরিষেবা প্রয়োজন, যা যে কোনও বাইকের জন্য প্রয়োজন। তারা অনেক ভালো ব্রেক দিতে পারে, কারণ ব্রেকগুলি চিহ্ন পর্যন্ত হয় না, কিন্তু আপনি যদি স্পিড প্রেমী না হন বা 90+ ছাড়িয়ে যাওয়ার মতো বয়সী না হন, তাহলে ব্রেকগুলি ঠিক আছে৷ আমি সবচেয়ে বড় যে সমস্যার সম্মুখীন হই তা হল, সেলফ স্টার্ট সঠিকভাবে কাজ করে না, কখনও কখনও আমাকে বাইক স্টার্ট করার জন্য 6-7 বার সেলফ স্টার্ট করতে হয়, নিশ্চিত নই তবে ব্যাটারী ড্যামেজের কারণে হতে পারে। সামগ্রিকভাবে, দামের দিকে তাকিয়ে, এটি আপনার জন্য যেতে পারে এমন সেরা বাইক।
Bajaj Discover 125 Disc
অধিক মজবুত একটি বাইক এটি। কয়েকবার এক্সডেন্ট হওয়ার পর ও বাইকের কিছুই হয় নি। ব্রেকিং নিয়ে একটু সমস্যা পরতে হয়। অত্যধিক স্পিডে সামনের ব্রেক না করাই ভালো। সামনের চাকা স্কিড করার ফলে এক্সিডেন্ট ঘটে। সঠিক টায়ার প্রেসার হলে তেমন সমস্যা হয় না। মাইলেজ নিয়ে তেমন কমপ্লেন নেই। সার্ভিস যথেষ্ট ভালো। ১ম অবস্থায় ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যেত বার বার এখন সেই সমস্যা নেই। অভারাল ভদ্র মানুষের জন্য ভালো একটি বাহন হতে পারে এটি।
Bajaj Pulsar NS160 Twin Disc
আমি এই Bike ব্যাবহার করছি আজকে ২ বছর যাবত। এই ২ বছর আমার বাইক নিয়ে ভালো খারাপ অভিজ্ঞতা রয়েছে।২ বছর বাইক ব্যাবহারে আমার বল রেসার এক বার পরিবর্তন করতে হয়েছে। চেইন সেট এক বার পরিবর্তন করতে হয়েছে। এছাড়া বড় ধরনের কোন কাজ করানোর প্রয়োজন পরে নাই।২ বছরে আমি বাইক রান করেছি প্রায় ২৩০০০ কিলোমিটার। কিন্তু একটা দেক থেকে আমি আমার বাইক নিয়ে অসন্তুষ্ট যেটা হলো বাইক এর millage।millage সমস্যা ছাড়া আমার তেমন আর কোনো বড় সমস্যা নেই।
Bajaj Pulsar NS160 Twin Disc
2015 theke bikebd page flw kori onk help paisi onk kisu jansi. Dhonnobad bikebd k sob somoy Right information deyar jnno ❤️
Pulsar 150 Twin Disc ABS
*প্রথমত আমি ছোটবেলা থেকে বাবার বাইক চালাইতাম,বাইকের প্রতি আমার একটা আলাদা নেশা ছিল, তবে শেষ পর্যন্ত চাকরির হওয়ার অনেক কয়েকবছর পর বাইক কিনতে পেরেছি। *আমার বাইকটি চালিয়ে অনেক মজা পাই, বিশেষ করে বাইকের কন্ট্রোলিং টা খুবই সুন্দর, খারাপ দিক বলতে গেলে হঠাৎ তেল বেশি খায়। *বাইকটি এভারেজ ৪০ আপ যায়,পিকআপ অবশ্য ফিফটি আপ হলে খুবই ভালো হয়, এবং কম্ফর্ট ও ব্রেক আপের দিক দিয়ে খুবই ভালো। *প্রথমত আমি মোবাইল ইউজ করি ১০০০ মাইলস যাওয়ার পর পর, দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার যাওয়ার পর পর আমি বাইক সার্ভিসিং করি, আমার এখনো ফ্রি সার্ভিসিং আছে বিধায় তেমন কোন টাকা খরচ হয় না।
Bajaj Pulsar NS160 Twin Disc
Good in everything....spare parts huge available..cons only mileage..other everything good.
Bajaj Pulsar NS160 Twin Disc
Good in everything....spare parts huge available..cons only mileage..other everything good.
Bajaj Discover 125 Drum
Ami bike ta kini amar basa theke office 53 k.m tai bike kina r valo kharaf dik bolte valo besi kharaf nai bollei chole.ami 9 bochor dore ae bike ta chalai khoroch amar ayetter modhe.
Bajaj Discover 110 Disc
Discover 125 bike is very strong bike for rough road. Milage is good then other 125 cc bike.