Verified reviews from Runner EV owners. Know the pros and cons from real riders.
Runner Turbo 125 Matt
mY Queen Runner turbo 125 cc user review ❤️ লাইফের প্রথম বাইক মানে ফিলিংসটাই আলাদা 🙂 মানুষে বলে চাইনা নাকি বেসি দিন যাইনা কিন্তু দীর্ঘ ৬ বছরের স্মৃতি এই বাইক নিয়ে😹 প্রথম থেকে এই বাইকটা আমার ভালো লাগে দেখতে কারন কম দামে এই বাইকটা একটা স্পোর্টস লুক ভাব আছে আর চালিয়েও নাকি অনেক মজা👎 আবশেষ এ দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর বাইকটার প্রতি ভালোবাসাই bickroy.com এ সেই সপ্নের বাইক দেখে রাতে ছুটে যাই রাজশাহী থেকে খুলনার উদ্দেশ্যে সেখানে আমার এক মামা ছিলেন উনি আমাকে কোনভাবেই চাইনা বাইক নিতে দিবে না কিন্তু সেই turbo ভালোবাসাই 💚💛 ছুটে যাই খুলনা থেকে বাঘেরহাট তারপর সেই ভায়ের কাছ থেকে বাইকটা কিনি ✌️ বাসাই নিয়ে আসি বাইক এলাকাই সবাই পছন্দ করে💚 শুরু হয় turbo নিয়ে পথ চলা 😋 চলতে চলতে ভালো সাভিস দেই মাইলেজ ও আলহামদুলিল্লাহ ৪৫+ পেতাম ইঞ্জিন সাভিস ও ভালো দিত সাউন্ড খুব কম ঠিক সময় মতো মবিল পরিবতন করতাম এইভাবেই ৩০ হাজার কিমি পার করলাম অবশেষ এ ৩৪ হাজার কি.মি তে কিছু জিনিস চেঞ্জ করি যেমন -🤟 ১. মবিল ( survo 10w40 ) ২.লুকিং গ্লাস ৩.চেইনসেট ( Hero hunk ) ৪.প্লাগ ( NGK ) ৫.ওয়েল সিল সামনের ২ টা ( pulsar 150 ) ৬.ব্যাটারি ( HIS ) ৭.হ্যান্ডেল ( gixxer ) ৮.হন ৯.লাইটিং ১০.ইঞ্জিন গাড ১১.পেছনের ব্রেকসু ( RTR 150 ) ১২.সামনের ব্রেকসু ( pulsar 150 ) ১২.ব্রেক সিলিন্ডার 🥰 যাই হোক সকলের দোয়াই আল্লাহ রহমতে ৪৫,০০০ হাজার প্লাস রান করলার কোন রকম জটিল সমস্যা ছারাই 💙 সকলে দুয়া করবেন আল্লাহ হাফেজ ❤️ Bike bd সবসময় আমাদের পাশে ছিল এবং থাকবেই অবিরাম ভালোভাসা Bike bd.com💚
Runner Bullet 100
benelli 165s biketi amr sopno cilo and ami tar review deki youtube a ,,and kine nei ,,pray 10k calanur por akn o amr bike Major kunu problem hoy ni ,,mjar bisoy holo akn o amr biker clach cable paltai ni full strong ,,maje modde paid service dei,,milage city te 38/40 and hiway 45+-. Biker looking ar kota ar bollam e na ,jejanei raki sobai bir jomai fele .hoytho parts ar jonno resel valu aktu kom but ami nije always calanur jonno kinevi look and ficar deke ,sellin amr kace kinu bisoy na resell .
Runner Bike RT
বাইক বিডির সাথে তো অনেককাল হলো রয়েছি ভালোবাসা অবিরাম❤️🌹Please give me a ta shirt..... Iam a small rider 🙂
Runner Turbo 125 Matt
আলহামদুলিল্লাহ্ আজ আমার বাইকের ১.৫ বছর পূর্ণ হোল। ৭০০০ কিলো চলছে এই ১.৫ বছরে। এয়ার ফিল্টার এবং প্লাগ ছাড়া কিছুই চেঞ্জ করতে হয়নি। বেক্তিগত পরামর্শঃ ১ FZ এর বাম্পার লাগাতে পারেন ভালো সাপোর্ট পাবেন ইনশাল্লাহ ২ স্টক হেন্ডেল বার চেঞ্জ থেকে বিরত থাকুন এতে বাইকের ব্যালেন্স এবং আরামদায়ক অনেকটা কমে যায়। ৩ সঠিক গ্রেড এবং সঠিক সময় ভালো ব্রান্ডের ইঞ্জিন অয়েল চেঞ্জ করুন। ৪ বার বার কারবুরেটরে হাত দেয়া থেকে বিরত থাকুন। ৫ নিয়মিত বাইক সার্ভিস করিয়ে নিবেন।( সার্ভিস সেন্টারের কাজ আমার ভালো লাগিনি) ৬ সব চেয়ে বড় কমপ্লেন সবার.. ... বার বার বাইক অফ হয়ে যাওয়া/ সকালে স্টার্ট বার বার অফ হয়ে যাওয়া/ মাইলেজ কম পাওয়া, আমি মনে করি এগুলার সমাধান আপনার নিজের কাছে এবং নিজের হাত এবং টেক-কেয়ারের উপর নির্ভর করে।
Runner Royal Plus V2
এই বাইকটা ছিল আমার ১ম বাইক, কিনার আগে বাইক সম্পর্কে খুব একটা জানতাম না, এই বাইকটা কিনার মুল কারন ছিল ডিজিটাল + এনালগ স্পিডোমিটার, যেখানে গিয়ার ইন্ডিকেটর ছিল 🙂 এবং কিস্তিতে দিছে 😁 মাইলেজ সন্তুষ্ট কিন্ত পার্টসের কার্যক্ষমতা সন্তুষ্ট না 😶
Runner Turbo 125 Matt
I love bike show, this time also I loved the show, bike BD is our pride for BD bike riders.
Runner Skooty 110
Runner Skooty 110 খুব ভালো একটি স্কুটার এটি আমি বিভিন্ন ওয়েব সাইট ও ব্যবহারকারীদের মন্তব্য পড়ে জেনেছি। আমি যখন একটি স্কুটার কিনবো বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম তখন আমার কাছে বাজারে বিদ্যমান অনেক ব্রান্ডের স্কুটার ছিলো সেগুলোর মধ্যে আমার কাছে Runner Skooty 110 বেশি ভালো মনে হয়েছে কারণ এই স্কুটারের সাথে যে ডিজাইন ও সুযোগ সুবিধা দেওয়া আছে তা বাজেট অনুযায়ী একদম পারফেক্ট। তাই সব কিছু বিচার বিবেচনা করে আমি কিনে ফেলি এই স্কুটার।
Runner Bullet 100
বাইকটি মূলত কেনা অফিসে যাতায়াত করার জন্য। আমি ব্যক্তিগত ভাবে স্পিড লাভার, এই বাইকটি ১০০ সিসি হলেও পিলিয়ন সহ টপ স্পিড ১০০ খুব সুন্দর ভাবেই হিট করতে পারে। এই বাইকটির খুব একটা খারাপ দিক নেই শুধুমাত্র এর প্লাস্টিক কোয়ালিটি আমার কাছে খারাপ মনে হয়েছে আরও একটু ভালো করা যেত। তাছাড়া মাইলেজও ভালো পাওয়া যায় ৫০-৫৫, একটু টানাটানি করলে কিছুটা কম পাওয়া যায় ৪০-৪৫ এর মতো। পিকআপ রেসপন্স সেরা এই সেগমেন্টে, ব্রেকিং ফিডব্যাক ও এই সেগমেন্টে যথেষ্ট ভালো যেহেতু এর সামনে রয়েছে ডিস্ক ব্রেক। যেহেতু এটি একটি কমিউটার সেগমেন্ট এর বাইক কমফোর্ট আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো। অফিসিয়াল সার্ভিসিং এর কথা যদি বলি, আমার কাছে মনে হয়েছে তারা খুব উদাসীন। তাছাড়া বাইকটির সার্ভিসিং খরচ অনেক কম। ৬ বছরে ২ বার টায়ার এবং একবার ব্যাটারি ছাড়া আর তেমন কিছু পরিবর্তন করতে হয়নি।
Runner Turbo 125 V2 Matt
আসসালামুআলাইকুম। আমি সাবের, কর্ম সূত্রে গাজীপুর থাকা। বলছি গাজীপুর থেকে। কলেজ লাইফ থেকেই বাইক প্রেম ছিল। হয়ে ওঠেনি সখ মেটানো। তবে করোনা পরবর্তী কালে প্রয়োজনের তাগিদেই সাধ,সাধ্য একাকার করে সখের বাইকটি কিনে ফেললাম। সাধ্য ছিল ১৫০ সিসি বাইক কেনার। সব ব্রান্ড ঘুরে ঘুরে+ ইউটিউব দেখে প্রায় ৩মাস কেটে গেল ডিসিশন নিতে। পরে সিদ্ধান্ত নিলাম যেহেতু দীর্ঘদিন বাইক চালানো হয়না তাই প্রফেশনাল হতে হলে ও অফিস যাতাযাতের জন্য সেহেতু আমার জন্য পারফেক্ট হবে ১২৫ সিসি বাইক। তখন মাথায় ঘুরতে থাকলো নতুন ডিজাইন+মাইলেজ+৫ গিয়ারের +কন্ট্রোলিং ভালো( চাকা একটু মোটা হবে) এমন ১২৫সিসি বাইক কোনটা!!! এইসব দিক বিবেচনায় আমার দেশীয় বাইক রানার টার্বো ভি-2 ১২৫সিসি বাইকটি আমার পছন্দের ১ নম্বরে চলে আসে। যে কথা সেই কাজ। কিনে ফেললাম রানার টার্বো ১২৫ভি২।। এবার আসছি আমার বাইক ভাল এবং খারাপ দিক: আসলে কোন বাইকই পারফেক্ট হতে পারে না।আবার সব বাইকই পারফেক্ট। যদি বলেন কিভাবে?? চালকের চালনা+বাইকের যত্ন এ দুয়ের মাধ্যমে ৮০% ভালো/খারাপ নির্ভর করে। আর বাকি ১৫% বিল্ট কোয়ালিটি আর অবশিষ্ট ৫% নির্ভর করে ভাগ্যের উপর( এটা আমার ব্যক্তিগত অভিমত)। তবে আমি ৩০০০ কি:মি: পর্যন্ত ব্রেকইন পিরিওড মেইনটেন করেছি। পাশাপাশি আমি সময় মত ইাঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করি ও আর পি এম মেইনটেইন করি। বাইকটি সবথেকে ভালো গুন হলো এর রাইডিং কমফোর্ট। ১৫০ সিসির একটা আমেজ পাওয়া যায়। ডিজিটাল মিটার+গিয়ার ইন্ডিকেটরতো আছেই। মাইলেজ ইনশাল্লাহ খারাপ না। সিটিতে আমি ৪৫ পাই। আর লং রুটে আমি ১দিনে ২৬০কি:মি: রান করেছি। সেদিন পেয়েছি ৪৮। আর নতুন এই ভার্শনের গ্রাফিক্সটা জোস লাগে আমার কাছে। রেডি পিকাপ না হলেও ৫০০০ আরপিএম ক্রস করার পর সত্যি এই বাইক ১২৫ সিসির একটা দানবে পরিনত হয়। টপ স্পিডের কথা বলতে গেলে, আমি আসলে স্পিড সিকার না। তবে হাইওয়েতে আমার মনে হয়না যে আমি ১২৫ সিসির কোন বাইক রাইড করছি। এবার আসি খারাপ কিছু দিক। আসলে আমি খারাপ বলব না, বলতে পারি আরও ভালো হতে পারতো। বাইকটি প্রথম দিকে প্রায়ই স্টার্ট বন্ধ হয়ে যেতো। তবে ৩০০০ কি:মি: এর পর সমাধান হয়ে গেছে। দ্বিতীয়তো বাইকটিতে সবই আছে কিন্তু টায়ার গুলো টিউবলেস হলে ভালো হতো। তৃতীয় বিষয়টি হচ্ছে স্টক হর্ণটি হাইওয়ের জন্য পারফেক্ট না। তবে সর্বোপরি বলতে পারি আমার চাহিদার প্রায় সবটাই রানার টার্বোর ভি-2 ১২৫সিসি বাইকটা পুরন করতে পারছে। দু/একটি বিষয় ছাড়া। অনেকে বলতে পারেন আমার কথা ঠিক না। এজন্যই বলেছি ( চালকের চালনা+বাইকের যত্ন এ দুয়ের মাধ্যমে ৮০% ভালো/খারাপ নির্ভর করে)। রানার টার্বোর ভি-2 ১২৫সিসি সাথে আমার এই ৬৫০০কি:মি: পথ চলায় আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি কোন খারাপ পরিস্থির সম্মুখীন হইনি। আফটার সেলস সার্ভিস: ৬৫০০ কি:মি: চলতে আমি মোট ৩টি ফ্রি সার্ভিস পেয়েছি। সত্যি বলতে রানারের গাজীপুর সার্ভিস সেন্টারের সার্ভিস খুবই ভালো ও সার্ভিস সেন্টারের সবাই খুবই যত্ন সহকারে কাজ করেন। এই ৬৫০০ কি:মি: এর ভিতর ইাঞ্জিন অয়েল ছাড়া আমি বাইকের কিছুই পরিবর্তন করিনি। সব বাইকেরই ভালো মন্দ দিক থাকে সেই হিসেবে রানার টার্বোর ভি-2 ১২৫সিসি বাইকটা খুবই ভালো লেগেছে এবং বাইকটি কম্ফোর্টেবল। আমার মত যারা চাকরিজীবী তাদের জন্য বাইকটা পারফেক্ট হবে। আর স্বদেশী পণ্য ব্যবহারের আনন্দই অন্যরকম।। আরেকটা কথা না বললেই না সেটা হলো শুধু বাইক রাইড নয় নিজের নিরাপত্তা স্বার্থে অবশ্যই সার্টিফাইড হেলমেট ব্যবহার করা প্রয়েজন। সবাই ভালো থাকবেন আর নিরাপদে রাইড করবেন। আল্লাহ হাফেজ।
Runner Turbo 125 V2 Matt
আমার প্রিয় রানার টার্বো 125cc বাইকটি আজ চার বছর ধরে চালাচ্ছি | যেহেতু আমি একজন পেশায় আইনজীবী তাই আমার প্রতিদিন ঢাকার আদালতে যাবার জন্যে বাইকটি কিনেছিলাম | আমার বাইকের ভালো দিক বলতে গেলে সাসপেনশন ভালো, কন্ট্রোলিং ভালো, মাইলেজ ভালোই যায় | আর বাইকের খারাপ দিক বলতে গেলে, সামনের চাকা একটু চিকন তাই হ্যান্ড ব্রেক দরলে একটু স্লিপ খায়, অল্পতে ইঞ্জিন গরম হয়ে যায় | ব্রেক মোটামোটি ভালো | মাইলেজ পাই ৪০ এর উপর | এটার পার্টস সব জায়গাতেই পাওয়া যায় | বাইকটি কিনার পর আমি চার বার সার্ভিস করেছি এবং রানার কোম্পানির সার্ভিস ভালো | সব মিলিয়ে 10 এর মধ্যে 7 দেয়া যায় | ধন্যবাদ
Runner Knight Rider V2
প্রথমত আমি যেটা বলতে চাই যে বাংলাদেশের তৈরি বাইক অনুযায়ী অনেক ভালো একটা বাইক যদিও মানুষজন এটাকে দাম দেয় না কারণ সবাই বলে চাইনিজ বাইক চাইনিজ বাইক কিন্তু আমি বলব যে এই বাইকের বিল্ড কোয়ালিটি অনেক ভালো যা বাংলাদেশ অন্যান্য ইভেন প্রিমিয়াম সিমেন্ট এর গাড়ি গুলোতেও পাওয়া মুশকিল যদিও এর জন্য এই গাড়ির ওয়েট অনেক বেশি পাওয়ারের তুলনায় কারণ এই গাড়ির বিল্ড কোয়ালিটি টা অনেক মজবুত এবং স্ট্রং মেটেরিয়াল দিয়ে করা অসম্ভব ভালো পারফর্মেন্স আমি বলব যে মুসলিম ফারায়েজ হাইওয়েতে আমি রাগ করেছি আমি ঢাকার মধ্যে প্রতিদিন যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করি আমি 14 মাসে 20 হাজার এর বেশী কিলোমিটার চালিয়েছি এই গাড়ি নিয়ে আমার তেমন কোন বাজে এক্সপিরিয়েন্স নেই তবে হ্যাঁ একটা বিষয় না বললেই নয় যে আফটার সেলস সার্ভিস রানারের আরো ভালো করা উচিত কারণ তাদের গাড়ির পার্টস বাইরে আসলে থাকে না আপনি ইচ্ছা করলে যেমন অন্য সকল কোম্পানির বাইক মডিফাই করাতে পারেন কারণ সেগুলো তৃতীয় পার্টি পার্টস অ্যাভেলেবল অনেক পাওয়া যায় মার্কেটে যে তারা নানা ক্ষেত্রে পাওয়া যায়না হয়তো বাংলাদেশী বাইক বা চাইনিজ বাইক যেটাই বলেন সেই জন্য কেউ এতটা দাম দেয় না সেজন্যই হয়তো কাজগুলো অন্যান্য থার্ডপার্টি কোম্পানি তৈরি করে না বা বাজারে ছাড়ে না আমার মনে হয় এই বাইকের যদি পারস গুলো সার্ভিস সেন্টারে ভালোমতো অ্যাভেলেবল করত এবং সার্ভিস সেন্টার বাইরে ওরা দিত তাহলে এই বাজেটের মধ্যে সবচেয়ে বেস্ট একটা বাইক হতো বলে আমার মনে হয় দেড় লাখ টাকারও কম টাকায় আপনি বেশ সিসি ডাবল ডিস্ক এর একটি গাড়ি পারছেন এবং গুড লুকিং আমার মনে হয় এই গাড়িটা অনেক আন্ডাররেটেড মানুষের চোখের যাইহোক শেষ কথা একটাই বলতে চাই যে এ পর্যন্ত আমি বাইক এখনো খুলিনি ইঞ্জিন স্টিল নাও অনেক ভালো পারফর্মেন্স দিচ্ছে ভালো মোবাইল ইউজ করতেছি হ্যাঁ আমাদের মোবাইলটা আমি ইউজ করে খুব একটা ভালো পারফরম্যান্স পাইনি আমি ইউজ করি লিকি মলি এবং আমি এটা ইউজ করে ভালো পারফরম্যান্স পাচ্ছি আমি গাড়ির পার্টস এর দামের কথা বলবো যে এই গাড়িটি স্টক পার্থ কে সেই সব মানুষগুলোর দাম তুলনামূলকভাবে একটু বেশি তবে যেহেতু এই গাড়ির পার্টস হাঙ্ক এবং আরটিআর এর সাথে মিলে তাই আমি এর বেশিরভাগ এবং আরটিআর এর ইউজ করি যদিও এখন সব গাড়ীর পার্টসের দাম বেশি সে তুলনায় রানার গাড়ির পার্টস এর দাম এখনো বাড়েনি তবে কতদিন সেটা দেখা যাক আমার মনে হয় এই যে সমস্যাটা আছে এটাই সবচেয়ে বড় সমস্যা যেহেতু বাইরে কোথাও পাওয়া যায় না এবং সার্ভিস সেন্টার থাকেনা তাই কেনার সময় মানুষের ভোগান্তি কমাতে হলে মানুষ অবশ্যই গাড়ির পিছনে আগাবে এক কথায় আমি এই গাড়িকে যদি আউট অফ টেন রিভিউ দেই তাহলে আমি বলব 8/10/
Runner Royal Plus
আমার চাওয়া অনুযায়ী এই বাজেট এ তখন এর থেকে ভালো কোনো বাইক পাইনি বলেই রানার রয়েল প্লাস নেওয়া। ভালো দিক- পারফরম্যান্স, মাইলেজ, ডিস্ক ব্রেক, ডিজিটাল মিটার, মোটামুটি কম্ফোর্ট ও। খারাপ দিক- টায়ার, (বেক করলে স্কিড করে ভালোই), সাস্পেনশন ২ টাই খুব বাজে, বিশেষ করে পিছনেরটা, ব্রেকটা মেয়বি আর একটু বেটার দিতে পারতো।৷ বাকি প্রাইস হিসেবে আমার কাছে বাইকটা যথেষ্ট ভালই মনে হয়েছে।।আফটার সেল সার্ভিস হিসেবে রানার এর মোটামুটি মানের ফ্রি সার্ভিস গুলো পেয়েছি যেটা আহামরি খুব একটা কাজের না, তবে চলে!! বড় কোনো প্রব্লেম হয়নি তাই এই ব্যাপারে কিছু বলতে পারবোনা, ছোট প্রব্লেম গুলো মোটামুটি সলভ হয় তবে আরো অনেক ভালো করা দরকার।। এই ছিলো রয়েল প্লাস এর সাথে আমার আড়াই বছর চলার অভিজ্ঞতা!!।
Runner AD 80s Deluxe Red
Alhamdulillah to purchase this one & i would love to suggest others about to buy this if they have wishs for buying 80cc brand new bike.
Runner Skooty 110
এই স্কুটার এর সবচেয়ে ভালো দিক হলো এর প্রাইস, এতো কম দামে এতো ফিচার সমৃদ্ধ স্কুটার বাংলাদেশ নেই। খারাপ বলতে মাইলেজ টা একটু কম এই আরকি।
Runner Skooty 110
Runner Skooty 110 খুব ভালো একটি স্কুটার এটি আমি বিভিন্ন ওয়েব সাইট ও ব্যবহারকারীদের মন্তব্য পড়ে জেনেছি। আমি যখন একটি স্কুটার কিনবো বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম তখন আমার কাছে বাজারে বিদ্যমান অনেক ব্রান্ডের স্কুটার ছিলো সেগুলোর মধ্যে আমার কাছে Runner Skooty 110 বেশি ভালো মনে হয়েছে কারণ এই স্কুটারের সাথে যে ডিজাইন ও সুযোগ সুবিধা দেওয়া আছে তা বাজেট অনুযায়ী একদম পারফেক্ট। তাই সব কিছু বিচার বিবেচনা করে আমি কিনে ফেলি এই স্কুটার।
Runner AD 80s Deluxe Red
আসসালামু আলাইকুম,, বাইককে খুব ভালোবাসি, আমি যে বাইকটা ব্যবহার করি,,! আমার মতে ঢাকা সিটির জন্য খুব ভালো। আর অনেক সুবিধা আছে এর কম্ফোর্ট মাইলেজ কন্ট্রোল খুবই ভালো। বাইকে যে এনিসিয়াল পাওয়ার রয়েছে ভালো। তবে এ বাইকের একটি সমস্যা টায়ার টা খুবই চিকন। আর একটু মোটা হলে ভালো হত। এছাড়া সব দিক দিয়ে ভালো। আমি এ বাইক ব্যবহার করে সন্তুষ্ট।
Runner Knight Rider
"বাংলাদেশে পাওয়া যায় ১৫০ সিসি মটরসাইকেলের মধ্যে সর্বাপেক্ষা কম মূল্যের একটি ১৫০০ সিসি বাইক ব্যবহার করি আমি, বাইকটির নাম Runner Knight Rider 150 ," বাইকটি আমি এই রিভিউ লেখা পর্যন্ত ১০,৫০০ কি.মি. ব্যবহার করেছি। এই বাইকটি কেনার প্রথম এবং প্রধান কারণ হলো বাইকটির দাম, আমি একজন স্টুডেন্ট, বাইকের আশা পূরণ করা এবং মোটামুটি সুন্দর দেখতে একটি বাইক চালানোর ইচ্ছা থেকেই এই বাইকটি আমার ক্রয় করা হয়, এমনকি বাসা থেকে বলেও দেয় তারা বাইক কেনার জন্য কোন টাকা দিবেনা, আমি নিজের টাকা জমিয়ে আমার সাধ্যমতো দামে এই বাইকটি কিনতে পেরেছি, এবার আসি পারফরম্যান্স এ,, বাইকটি থেকে আমি বেশিরভাগ সময়ে আশানুরূপ পারফরমেন্স পেলেও মাঝে মাঝে বাইকটি আমাকে হতাশ করেছে, বাইকটি থেকে আমি সর্বোচ্চ ১১৯কি.মি./ঘন্টা টপ স্পীড পেয়েছি, (পিলিয়ন সহ১১৫কি.মি./ঘন্টা), লুকিং এর দিক দিয়ে বাইকটি আমার কাছে বেশ ভালো লাগে, এছাড়াও বাইকটির উচ্চতা অন্য বাইকের তুলনায় কম হওয়াতে খুবই কম্ফোরটেবল ভাবে বসা যায়,, ৫ ফুটের ওপরে সকলের কাছেই গ্রহণযোগ্যতা পাবে বাইকটি, এবার আসি কিছু হতাশার কথায়, বাইকটি থেকে আমি আশানুরূপ মাইলেজ পাইনা,,আমি একজন স্টুডেন্ট, সেক্ষেত্রে আমার এই বাইকের মাইলেজ এর ফুয়েল কস্ট এর পেছনে তুলনামূলক একটু বেশি টাকা ব্যয় হয়, বাইক্টি থেকে আমি প্রতি লিটার পেট্রোলে ৩৫-৩৬ কি.মি. মাইলেজ পেয়ে থাকি, (শহরে) এবং হাইওয়েতে ৩৮.৫-৩৯.৫কি.মি. মাইলেজ পেয়ে থাকি, (অকটেন ব্যবহারে সামান্য কম পাই)। বাইকটির ব্রেকিং তুলনামূলক দূর্বল, ১৫০ সিসি হিসেবে সামনে একটু বড় সাইজের ডিস্ক ব্রেক ব্যবহার করলে আমার কাছে আরও ভাল হতো বলে মনে হয়,, । বাইকটি যেহেতু রানার কোম্পানির, আমি তাদের প্রতি আহ্বান করবো তারা যেন বাইকের পার্টস গুলি সুলভ মূল্যে দিয়ে থাকেন, কারণ রানারের বাইকের পার্টস এর দাম বাজাজ বা হিরো কোম্পানির তুলনায় একটু বেশি এবং দেশি কোম্পানি হওয়ার সত্ত্বেও পার্টস সহজলভ্য নয়, (একটি বল রেসার কোম্পানির বিভাগীয় শহরের অথরাইজড সার্ভিস সেন্টারে সবসময় পাওয়া যায়না, পেতে গেলে ১ সপ্তাহ বসে থাকতে হয়!) সর্বাপেক্ষা বাইক্টি নিয়ে আমার অভিব্যক্তি আলহামদুলিল্লাহ, তবে হতাশার দিক গুলো কাটিয়ে উঠতে পারলে আমার জন্য নয় বরং সকল রানার নাইট রাইডার ইউজার দের জন্য সুবিধা হতো,বাইকটির বর্তমান বাজার মূল্য ১,৩৬,০০০ টাকা । এটা ছিলো আমার বাইক নিয়ে রিভিউ, ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন, ধন্যবাদ #Happy_biking