Verified reviews from Bajaj EV owners. Know the pros and cons from real riders.
Bajaj Avenger 160 ABS
I love my Avenger its very comfort for me.
Bajaj Pulsar 150 Twin Disc
২০১৯ সালের ২৬ জুন আমি পালসার টুইন ডিক্স বাইক্টা কিনি, আজ ৩ বছর+ হয়ে যাচ্ছে, ৫৬ হাজার+ কি.মি. ড্রাইভ করলাম এখন পর্যন্ত কোনো বড় সমস্যা হয়নি, আর সৌন্দর্যটা এখনেই প্রথম দিনের মতই আছে। এখন তো মনে হয় বাইক এ বসলে সুন্দরী আমার মনের সব বুঝতে পারে❤️
Pulsar 150 Twin Disc ABS
মোঃ জহিরুল ইসলাম আমি একজন ছেলে। চট্টগ্রামের, বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় আমি জীবনের প্রথম বাইকের কিছু রিভিউ এবং আমার বাইকের কিছু ভালো দিক এবং খারাপ দিক গুলোর বর্ণনা আপনাদের কাছে উপস্থাপন করতে যাচ্ছি, ভুল ত্রুটি ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন। আমার জীবনের প্রথম বাইক হচ্ছে এবং উপস্তিত বিদ্যমান রয়েছে যার নাম “Bajaj Pulsar 150 SD”২০১৬ এডিশন. “Bajaj Pulsar” বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয় একটি ব্রান্ড। যার জন্যে আমার মনের মধ্যে একটি শখ জন্মেছিলো “Bajaj Pulsar” বাইক চালাবো। সেই শখ থেকেই আমার রাইডিং যাত্রা শুরু হয়। আমার বাইকটি বর্তমানে ৩৪ হাজার কিলোমিটার চলেছে। আমার বন্ধুর বাইক ছিলো বিধায় ছোটবেলা থেকেই একরকম বাইকের প্রতি আমার আকৃষ্ট জন্মেছিলো। পাড়ার বড় ভাইরা বাইক নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ট্যুর করতো, যা আমাকে বাইকের প্রতি আরো আকৃষ্ট করে তুলে। সে থেকেই আমার বাইক কেনার প্রতি দীর্ঘ ক্ষোভ জমতে থাকে। বাইক ভালোবাসার কারণ হয়তো শব্দে প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তবে এতটুকু বলতে পারি বাইক মানুষকে ভালোবাসতে শেখায়। বাইক আমার মন – মানসিকতা সতেজ রাখতে অপরিসীম ভূমিকা রাখে। বাইক প্রকৃতির খুব কাছে নিয়ে যেতে পারে। যার কারণেই বাইক চালানো কিংবা বাইকিং আমি ভালোবেসে ফেলেছি। আমি ২০১৬ থেকে বাইক চালানো শুরু করি আমার ভাইয়ের বাইকটি দিয়ে। সে সময় “Bajaj Pulsar” ব্রান্ডটি খুব জনপ্রিয় ছিলো এবং বর্তমানেও তা খুব জনপ্রিয়। আমার সামর্থ্য / বাজেট এর মধ্যে “Bajaj Pulsar 150 SD” বাইকটি কেনা খুব পারফেক্ট ছিলো এবং “Bajaj Pulsar” ব্রান্ড এর মধ্যে “Bajaj Pulsar 150 SD ” বাইকটি খুব ভালো মানের বাইক হিসেবে আমার কাছে বিবেচিত হয়েছিলো। যার ফলে আমি “Bajaj Pulsar 150 SD” বাইকটি কিনেছি।আমার “Bajaj Pulsar 150 SD” বাইকটি 150 সিসি একটি বাইক । এটির রয়েছে শক্তিশালী 150 সিসি DTSI Twin Spark DSIV complain 4-stroke, 2 valve এর DTS-i ইঞ্জিন। তাছাড়া আমি আমার বাইকটি এখন পর্যন্ত 4 বার সার্ভিস করিয়েছি। বাজাজ এর অথরাইজ সেন্টার থেকে সার্ভিসিং করিয়েছি। আমি বাইকে ১ লিটার অকটেন দিয়ে ৩৫-৩৭ কিলোমিটার মাইলেজ পেয়ে থাকি। বাইকটি ২৩ হাজার কিলোমিটার চলার কারণে এখন মাইলেজ কিছুটা কম পাচ্ছি হয়তো। এতসব কিছু চিন্তাভাবনা করেই আমি আমার “Bajaj Pulsar আমার বাবার ব্যবসা থাকার সুবাদে আমাকে আমার ব্যবসা দেখাশোনা করতে হয়। যার কারণে বাইকটি ব্যবহার করা হয়। তবে আমি সময় পেলেই আমি বিভিন্ন ট্যুরে এবং Bajaj Pulsar 150 DD বাইকটির কিছু ভালো দিক- ১.বাইকটি দেখতে অসাধারণ লাগে আমার কাছে। ২.সিটিং পজিশন আমার কাছে বেশ কম্ফোর্টেবল মনে হয়। কারণ ব্যাক পেইন হয় না একটানা ১৫০/২০০ কিলোমিটার চালানোর পর বিরতি দিয়েছি। কিন্ত তেমন কোমড়ে ব্যথ্যা অনুভব হয়নিই। ৩.উভয় সাসপেনশন অফরোডেও বেশ ভালো পারফরম্যান্স দেয়। ৪.সামনে পিছনে ব্যবহার করা হয়েছে ৯০ সেকশন এবং ১১০ সেকশন এর টায়ার। তবে আমি চেঞ্জ করে পরবর্তীতে পিছনের চাকা ১২০ সেকশনের লাগাইয়েছি যা ব্রেকিং লেভেল কিছুটা বাড়িয়েছে। ৫. বাইকটির কন্ট্রোলিং খুব ভালো মানের। পার্টসগুলোর মূল্য মাত্রাও অন্যান্য বাইকের পার্টসের তুলনায় খুব সীমিত। Bajaj Pulsar 150 DD বাইকটির কিছু খারাপ দিক- ১.পিছনের চাকার ব্রেক ডিস্ক নাই বাট হার্ড ব্রেক করলে পিছনের চাকা মোটামুটি স্লিপ করে। আমি সামনে পেছনে একসাথে ব্রেক করায় অভ্যস্ত তারপর কয়েকবার স্লিপ করেছে এখন চাকা ১২০ সেকশনের লাগানোতে তেমন স্লিপ করে না তারপরও মাঝেমধ্যে করে! কিন্তু বৃষ্টিতে হালকা হালকা ব্রেক করা লাগে আমার। তারপরও দুই একবার ধাক্কা খেয়ে আলহামদুলিল্লাহ অভ্যস্ত হয়ে গেছি। ২. বাইকটি একটানা ৭০ থেকে ৮০ কিলো চালালে ইঞ্জিনের সাউন্ড কেমন যেনো ফাটা ফাটা হয়ে যায় তবে একদম ঠান্ডা হওয়ার পর Start দিলে আবার ঠিক থাকে অর্থাৎ অটো আর পি এম বেড়ে যায়। ৩. CBS অথবা ABS নেই। (ব্রেকিং লেভেল কিছুটা দূর্বল।) ৪.আরপিএম মিটারটি এনালগ এবং অন্যান্য সব ফিচার ডিজিটাল মিটার দেওয়া হয়েছে। ৫. পিলিয়ন সিট সিস্টেম কম্ফোর্ট না। আমার “Bajaj Pulsar 150 SD” বাইকটি আমি অনেক যত্ন করি। একদমই নতুন তাই অনেক পার্টস পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয়েছে বা কিছুদিন পর হবে যেনেও পরিবর্তন করে ফেলেছি আমি এবং ২ টি চাকা ও পিছনের সাসপেন্সন পরিবর্তন করে ফেলেছি যেহেতু লং ট্যুর করি । বাইকটি দিয়ে আমি টপ স্পিড তোলার চেষ্টা না করলেও মাওয়া এক্সপ্রেস হাইওয়েতে ট্যুর করতে গিয়ে টপ স্পিড ১২২ পেয়েছি হয়তো আরও কিছু উঠতো বাট রিস্ক নেই নিই। বাইকটি নিয়ে ছোট/বড় অনেক ট্যুর করেছি ইনশাআল্লাহ আরো অনেক বড় স্বপ্ন রয়েছে। তবে কোনো ট্যুরে “Bajaj Pulsar 150 SD” আমাকে নিরাশ করে নিই বরং প্রত্যেকটা ট্যুর আমাকে সুন্দর ভাবে উপহার দিয়েছে। আসলে আমার প্রত্যেকদিনই বাইক চালানোর প্রয়োজন হয়ে থাকে বাবার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি দেখাশোনা করার ক্ষেত্রে। রাতে যখন বাসায় ফেরা হয় তখন বাবা কে পিছনে নিয়ে বাসায় আসা হয়। বাবা কে নিয়ে বাসায় ফেরার অনুভূতি অনেক অসাধারণ। অনুভূতি গুলো অনেকটা অদৃশ্য, ভাষাহীন, বাক্যহীন, শব্দহীন হয়ে থাকে। আমার কাছে আমার বাইক মানে ভালোবাসা, আমার বাইক মানে অনুভুতি। আগে বিভিন্ন কোম্পানির ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করেছি কিন্ত ৬ মাস যাবত মটুল এর সেমি সিন্থেটিক ব্যবহার করে আসছি। খুব ভালো পারফরম্যান্স দিচ্ছে আমাকে। ২৫০০ কিলোমিটার পূর্বে আমি মাইলেজ পেয়েছিলাম ৩৯-৪০ কিলোমিটার কিন্ত পরে মাইলেজ পেয়েছি ৩৬-৩৮ কিন্ত এখন ২৩ হাজার কিলোমিটার চলেছে বিধায় মাইলেজ ৩৫-৩৭ পেয়ে থাকি। একদিনের লং ট্যূরে “Bajaj pulsar 150 SD” একটুও নিরাশ করে নিই। সবদিকেই আমাকে ভালো পারফরম্যান্স দিয়েছে।
Bajaj Pulsar 150
আমি মোঃ আব্দুল করিম সিদ্দিকী আমি চট্টগ্রামের একজন ছেলে। চট্টগ্রামের, বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় আমি বসবাস করি। আজ আমি আমার জীবনের প্রথম বাইকের কিছু রিভিউ এবং আমার বাইকের কিছু ভালো দিক এবং খারাপ দিক গুলোর বর্ণনা আপনাদের কাছে উপস্থাপন করতে যাচ্ছি, ভুল ত্রুটি ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন। আমার জীবনের প্রথম বাইক হচ্ছে এবং উপস্তিত বিদ্যমান রয়েছে যার নাম “Bajaj Pulsar 150 SD”২০১৬ এডিশন. “Bajaj Pulsar” বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয় একটি ব্রান্ড। যার জন্যে আমার মনের মধ্যে একটি শখ জন্মেছিলো “Bajaj Pulsar” বাইক চালাবো। সেই শখ থেকেই আমার রাইডিং যাত্রা শুরু হয়। আমার বাইকটি বর্তমানে ৩৪ হাজার কিলোমিটার চলেছে। আমার বন্ধুর বাইক ছিলো বিধায় ছোটবেলা থেকেই একরকম বাইকের প্রতি আমার আকৃষ্ট জন্মেছিলো। পাড়ার বড় ভাইরা বাইক নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ট্যুর করতো, যা আমাকে বাইকের প্রতি আরো আকৃষ্ট করে তুলে। সে থেকেই আমার বাইক কেনার প্রতি দীর্ঘ ক্ষোভ জমতে থাকে। বাইক ভালোবাসার কারণ হয়তো শব্দে প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তবে এতটুকু বলতে পারি বাইক মানুষকে ভালোবাসতে শেখায়। বাইক আমার মন – মানসিকতা সতেজ রাখতে অপরিসীম ভূমিকা রাখে। বাইক প্রকৃতির খুব কাছে নিয়ে যেতে পারে। যার কারণেই বাইক চালানো কিংবা বাইকিং আমি ভালোবেসে ফেলেছি। আমি ২০১৬ থেকে বাইক চালানো শুরু করি আমার ভাইয়ের বাইকটি দিয়ে। সে সময় “Bajaj Pulsar” ব্রান্ডটি খুব জনপ্রিয় ছিলো এবং বর্তমানেও তা খুব জনপ্রিয়। আমার সামর্থ্য / বাজেট এর মধ্যে “Bajaj Pulsar 150 SD” বাইকটি কেনা খুব পারফেক্ট ছিলো এবং “Bajaj Pulsar” ব্রান্ড এর মধ্যে “Bajaj Pulsar 150 SD ” বাইকটি খুব ভালো মানের বাইক হিসেবে আমার কাছে বিবেচিত হয়েছিলো। যার ফলে আমি “Bajaj Pulsar 150 SD” বাইকটি কিনেছি।আমার “Bajaj Pulsar 150 SD” বাইকটি 150 সিসি একটি বাইক । এটির রয়েছে শক্তিশালী 150 সিসি DTSI Twin Spark DSIV complain 4-stroke, 2 valve এর DTS-i ইঞ্জিন। তাছাড়া আমি আমার বাইকটি এখন পর্যন্ত 4 বার সার্ভিস করিয়েছি। বাজাজ এর অথরাইজ সেন্টার থেকে সার্ভিসিং করিয়েছি। আমি বাইকে ১ লিটার অকটেন দিয়ে ৩৫-৩৭ কিলোমিটার মাইলেজ পেয়ে থাকি। বাইকটি ২৩ হাজার কিলোমিটার চলার কারণে এখন মাইলেজ কিছুটা কম পাচ্ছি হয়তো। এতসব কিছু চিন্তাভাবনা করেই আমি আমার “Bajaj Pulsar আমার বাবার ব্যবসা থাকার সুবাদে আমাকে আমার ব্যবসা দেখাশোনা করতে হয়। যার কারণে বাইকটি ব্যবহার করা হয়। তবে আমি সময় পেলেই আমি বিভিন্ন ট্যুরে এবং Bajaj Pulsar 150 DD বাইকটির কিছু ভালো দিক- ১.বাইকটি দেখতে অসাধারণ লাগে আমার কাছে। ২.সিটিং পজিশন আমার কাছে বেশ কম্ফোর্টেবল মনে হয়। কারণ ব্যাক পেইন হয় না একটানা ১৫০/২০০ কিলোমিটার চালানোর পর বিরতি দিয়েছি। কিন্ত তেমন কোমড়ে ব্যথ্যা অনুভব হয়নিই। ৩.উভয় সাসপেনশন অফরোডেও বেশ ভালো পারফরম্যান্স দেয়। ৪.সামনে পিছনে ব্যবহার করা হয়েছে ৯০ সেকশন এবং ১১০ সেকশন এর টায়ার। তবে আমি চেঞ্জ করে পরবর্তীতে পিছনের চাকা ১২০ সেকশনের লাগাইয়েছি যা ব্রেকিং লেভেল কিছুটা বাড়িয়েছে। ৫. বাইকটির কন্ট্রোলিং খুব ভালো মানের। পার্টসগুলোর মূল্য মাত্রাও অন্যান্য বাইকের পার্টসের তুলনায় খুব সীমিত। Bajaj Pulsar 150 DD বাইকটির কিছু খারাপ দিক- ১.পিছনের চাকার ব্রেক ডিস্ক নাই বাট হার্ড ব্রেক করলে পিছনের চাকা মোটামুটি স্লিপ করে। আমি সামনে পেছনে একসাথে ব্রেক করায় অভ্যস্ত তারপর কয়েকবার স্লিপ করেছে এখন চাকা ১২০ সেকশনের লাগানোতে তেমন স্লিপ করে না তারপরও মাঝেমধ্যে করে! কিন্তু বৃষ্টিতে হালকা হালকা ব্রেক করা লাগে আমার। তারপরও দুই একবার ধাক্কা খেয়ে আলহামদুলিল্লাহ অভ্যস্ত হয়ে গেছি। ২. বাইকটি একটানা ৭০ থেকে ৮০ কিলো চালালে ইঞ্জিনের সাউন্ড কেমন যেনো ফাটা ফাটা হয়ে যায় তবে একদম ঠান্ডা হওয়ার পর Start দিলে আবার ঠিক থাকে অর্থাৎ অটো আর পি এম বেড়ে যায়। ৩. CBS অথবা ABS নেই। (ব্রেকিং লেভেল কিছুটা দূর্বল।) ৪.আরপিএম মিটারটি এনালগ এবং অন্যান্য সব ফিচার ডিজিটাল মিটার দেওয়া হয়েছে। ৫. পিলিয়ন সিট সিস্টেম কম্ফোর্ট না। আমার “Bajaj Pulsar 150 SD” বাইকটি আমি অনেক যত্ন করি। একদমই নতুন তাই অনেক পার্টস পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয়েছে বা কিছুদিন পর হবে যেনেও পরিবর্তন করে ফেলেছি আমি এবং ২ টি চাকা ও পিছনের সাসপেন্সন পরিবর্তন করে ফেলেছি যেহেতু লং ট্যুর করি । বাইকটি দিয়ে আমি টপ স্পিড তোলার চেষ্টা না করলেও মাওয়া এক্সপ্রেস হাইওয়েতে ট্যুর করতে গিয়ে টপ স্পিড ১২২ পেয়েছি হয়তো আরও কিছু উঠতো বাট রিস্ক নেই নিই। বাইকটি নিয়ে ছোট/বড় অনেক ট্যুর করেছি ইনশাআল্লাহ আরো অনেক বড় স্বপ্ন রয়েছে। তবে কোনো ট্যুরে “Bajaj Pulsar 150 SD” আমাকে নিরাশ করে নিই বরং প্রত্যেকটা ট্যুর আমাকে সুন্দর ভাবে উপহার দিয়েছে। আসলে আমার প্রত্যেকদিনই বাইক চালানোর প্রয়োজন হয়ে থাকে বাবার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি দেখাশোনা করার ক্ষেত্রে। রাতে যখন বাসায় ফেরা হয় তখন বাবা কে পিছনে নিয়ে বাসায় আসা হয়। বাবা কে নিয়ে বাসায় ফেরার অনুভূতি অনেক অসাধারণ। অনুভূতি গুলো অনেকটা অদৃশ্য, ভাষাহীন, বাক্যহীন, শব্দহীন হয়ে থাকে। আমার কাছে আমার বাইক মানে ভালোবাসা, আমার বাইক মানে অনুভুতি। আগে বিভিন্ন কোম্পানির ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করেছি কিন্ত ৬ মাস যাবত মটুল এর সেমি সিন্থেটিক ব্যবহার করে আসছি। খুব ভালো পারফরম্যান্স দিচ্ছে আমাকে। ২৫০০ কিলোমিটার পূর্বে আমি মাইলেজ পেয়েছিলাম ৩৯-৪০ কিলোমিটার কিন্ত পরে মাইলেজ পেয়েছি ৩৬-৩৮ কিন্ত এখন ২৩ হাজার কিলোমিটার চলেছে বিধায় মাইলেজ ৩৫-৩৭ পেয়ে থাকি। একদিনের লং ট্যূরে “Bajaj pulsar 150 SD” একটুও নিরাশ করে নিই। সবদিকেই আমাকে ভালো পারফরম্যান্স দিয়েছে।
Bajaj Pulsar NS160 Twin Disc
বাইকটি আমার অনেক শখের বাইক বলতে পারেন।আমি মুলত পালসার এন এস ২০০ সিসির অনেক বড় ফ্যান সেই তুলনায় বলা যাই এনএস ১৬০ সিসি আমার কাছে প্রায় ২০০ সিসির মত এবং আমি তেমনই ফীল পাচ্ছি । ইঞ্জিন বাইকটির ইঞ্জিন অনেক শক্তিশালী মনে হয়েছে আমার কাছে আমি অনেক সহজেই স্পীড তুলতে পারছি এবং খুব স্মুথলী ভাবে চলছে।ইঞ্জিনে কোন রকম খারাপ শব্দ এখন পর্যন্ত পাইনি তবে ইঞ্জিনের মূল শব্দ আমার কাছে তেমন ভালো লাগেনি। বাইকটির ইঞ্জিন অয়েল কুল হওয়ায় সহজে গরম হয়না এবং অনেক দূরের পথে গেলে ইঞ্জিনের গরম ভাবটি তেমন বোঝা যায়না। ইঞ্জিন নিয়ে আমি অনেক বেশী সন্তুষ্ট এবং বেশ ভালো পারফর্ম বাইকটির ইঞ্জিন অনেক শক্তিশালী মনে হয়েছে আমার কাছে আমি অনেক সহজেই স্পীড তুলতে পারছি এবং খুব স্মুথলী ভাবে চলছে।ইঞ্জিনে কোন রকম খারাপ শব্দ এখন পর্যন্ত পাইনি তবে ইঞ্জিনের মূল শব্দ আমার কাছে তেমন ভালো লাগেনি। বাইকটির ইঞ্জিন অয়েল কুল হওয়ায় সহজে গরম হয়না এবং অনেক দূরের পথে গেলে ইঞ্জিনের গরম ভাবটি তেমন বোঝা যায়না। ইঞ্জিন নিয়ে আমি অনেক বেশী সন্তুষ্ট এবং বেশ ভালো পারফর্ম করছে। ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি আমি ডিজাইনে পুরাই মূগ্ধ হয়ে গেছি আমি।বাইকটির অসাধারণ আউটলুক আমাকে আরো মূগ্ধ করেছে বিশেষ করে গ্রাফিকাল ডিজাইন গুলো বেশ চমৎকার লেগেছে আমার কাছে।আমার কথায় যদি বলতে হয় ডিজাইন কেমন আমি বলব অস্থির।কেনার কছু দিন পর হঠাৎ করে বাইকটি আমার কাছে থেকে কোন কারণ বসত পড়ে যায় আমি বাইকটি তুলে দেখি একটি দাগও পড়েনি সেই ক্ষেত্রে আমি বলতে পারি বাইকটির বিল্ড কোয়ালিটি অনেক ভালো বডির প্লাস্টিক গুলো যথেষ্ট মজবুত এবং আমি মনে করি প্লাস্টিক গুলো সহজে ভাংবেনা।বাইকটির সুইচের কালার গুলো আমার কাছে আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। তবে ১৬০ সিসি বাইক হিসেবে সুইচ গুলো একটু ভিন্ন করলে ভালো হত। বাইকটির ব্যাটারী কোয়ালিটি আমার কাছে উন্নত মনে হয়নি এবং চেইন কিছু দিন পর পর ঢিলা হয়ে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে আমি ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি নিয়ে অনেক খুশি আশা করতে পারি আগামীতে এমনভাবেই সার্পোট করবে আমাকে বাইকটি। বাইকটির ইঞ্জিন অনেক শক্তিশালী মনে হয়েছে আমার কাছে আমি অনেক সহজেই স্পীড তুলতে পারছি এবং খুব স্মুথলী ভাবে চলছে।ইঞ্জিনে কোন রকম খারাপ শব্দ এখন পর্যন্ত পাইনি তবে ইঞ্জিনের মূল শব্দ আমার কাছে তেমন ভালো লাগেনি। বাইকটির ইঞ্জিন অয়েল কুল হওয়ায় সহজে গরম হয়না এবং অনেক দূরের পথে গেলে ইঞ্জিনের গরম ভাবটি তেমন বোঝা যায়না। ইঞ্জিন নিয়ে আমি অনেক বেশী সন্তুষ্ট এবং বেশ ভালো পারফর্ম করছে।আমি ডিজাইনে পুরাই মূগ্ধ হয়ে গেছি আমি।বাইকটির অসাধারণ আউটলুক আমাকে আরো মূগ্ধ করেছে বিশেষ করে গ্রাফিকাল ডিজাইন গুলো বেশ চমৎকার লেগেছে আমার কাছে।আমার কথায় যদি বলতে হয় ডিজাইন কেমন আমি বলব অস্থির।কেনার কছু দিন পর হঠাৎ করে বাইকটি আমার কাছে থেকে কোন কারণ বসত পড়ে যায় আমি বাইকটি তুলে দেখি একটি দাগও পড়েনি সেই ক্ষেত্রে আমি বলতে পারি বাইকটির বিল্ড কোয়ালিটি অনেক ভালো বডির প্লাস্টিক গুলো যথেষ্ট মজবুত এবং আমি মনে করি প্লাস্টিক গুলো সহজে ভাংবেনা।বাইকটির সুইচের কালার গুলো আমার কাছে আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। তবে ১৬০ সিসি বাইক হিসেবে সুইচ গুলো একটু ভিন্ন করলে ভালো হত। বাইকটির ব্যাটারী কোয়ালিটি আমার কাছে উন্নত মনে হয়নি এবং চেইন কিছু দিন পর পর ঢিলা হয়ে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে আমি ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি নিয়ে অনেক খুশি আশা করতে পারি আগামীতে এমনভাবেই সার্পোট করবে আমাকে বাইকটির দাম নিয়ে আমি ব্যাপক খুশি কারন এত কম মুল্যের মধ্যে ১৬০ সিসির বাইক পাচ্ছি এটাই অনেক তাই দাম নিয়ে আমার কোন সমস্যা নেই।পরিশেষে বলা যায় বাইকটি অনেক মজবুত এবং আমাকে বেশ ভালো কন্ট্রোল দিচ্ছে যদি কেও এমন দামের মধ্যে বাইক কিনতে চায় আমি মনে করি বাজাজ পালসার এন এস ১৬০ সিসি বাইকটি কেনা উচিত।বাইক চালানোর সময় মোবাইলে কথা বলা থেকে বিরত থাকুন সকলের সুস্থতা কামনা করে এখানেই শেষ করছি। ধন্যবাদ
Bajaj Discover 110 Disc
Best computer bike in this segment
Bajaj Discover 125 Drum
দীর্ঘ ৭ মাস ডিস্কভার 125 সিসি চালিয়ে খুব আরামদায়ক ফিল করলাম। আমি নিয়মিত 10-15 কি.মি ড্রাইভ করি। এই ৭ মাস পর্যন্ত আমার বাইকের কোন রকম সমস্যা ছিল না। এক কথায় Standard একটা বাইক।
Bajaj Pulsar NS160 FI With ABS
Ns160 fi ABS bike ta good looking. Long time ride korar jonno perfect. Ami ak tana 600 km o caliyechi ja amk onk sundor service dey.But Bajaj Bangladesh er er service Center gula valo na. Ami tmn valo service pai ni.tader ei dije nojor deoa ucit.
Bajaj Pulsar 150
Pulsar 150 is considered one of the oldest premium commuter bike here in our country. The look of the bike remained almost the same throughout its lifetime and it is still favored by most. The bike gives a stable fuel economy and spare parts are readily available. I'm overall satisfied with the motorcycle.