Yamaha Fazer FI V2 ১০,০০০ কিমি মালিকানা রিভিউ – প্রান্তীয় প্রান্ত

প্রথমেই বলে নেই বাইকের সাথে সম্পর্ক গড়ে উঠার কথা । ২০১১ তে বাইক চালানো শিখার পর পরই বাইকের ভুত মাথায় ঢুকে যায়। ২০১৪ থেকে ২০১৭ টানা তিন বছর টিউশনির টাকা জমিয়ে কিনে ফেলি পছন্দের Yamaha Fazer FI V2 । খুব কম সংখ্যক মানুষ ২২ বছর বয়সে নিজের টাকায় বাইক কিনার গৌরব অর্জন করছে আমার ধারনা। এখন বাইকের কথায় আসি। ব্রেকইন পিরিয়ড যথেস্ট নিয়ন্ত্রনে চালিয়েছি, ভুলেও ৬০+ স্পীড তুলিনি। Yamaha Fazer FI V2 কিনার কারনটা বলি, হাসবেন না, মোটা ট্যাংকটা বেশী জোস লাগতো। ফেজারের অসাধারন কন্ট্রোলিং বারবার মুগ্ধ করে চলছে আমায়। অনেক আজে বাজে রাস্তায় চালিয়েছি, একবারও বাইক নিয়ন্ত্রনের বাইরে গেছে মনে…

Review Overview

User Rating: 4.75 ( 1 votes)

প্রথমেই বলে নেই বাইকের সাথে সম্পর্ক গড়ে উঠার কথা । ২০১১ তে বাইক চালানো শিখার পর পরই বাইকের ভুত মাথায় ঢুকে যায়। ২০১৪ থেকে ২০১৭ টানা তিন বছর টিউশনির টাকা জমিয়ে কিনে ফেলি পছন্দের Yamaha Fazer FI V2 । খুব কম সংখ্যক মানুষ ২২ বছর বয়সে নিজের টাকায় বাইক কিনার গৌরব অর্জন করছে আমার ধারনা।

yamaha fazer fi v2 price in bangladesh

এখন বাইকের কথায় আসি। ব্রেকইন পিরিয়ড যথেস্ট নিয়ন্ত্রনে চালিয়েছি, ভুলেও ৬০+ স্পীড তুলিনি। Yamaha Fazer FI V2 কিনার কারনটা বলি, হাসবেন না, মোটা ট্যাংকটা বেশী জোস লাগতো।

ফেজারের অসাধারন কন্ট্রোলিং বারবার মুগ্ধ করে চলছে আমায়। অনেক আজে বাজে রাস্তায় চালিয়েছি, একবারও বাইক নিয়ন্ত্রনের বাইরে গেছে মনে হয়নি। হ্যা, কথা সত্য,বাইকটি মনের কথা বুঝে । মাইলেজ নিয়ে আমার বরাবরই মাথা ব্যাথা নেই।

>> Click For The Latest Price Of Yamaha Fazer Fi V2 <<

শুরুর দিকে ৪৫-৫০ পাইতাম। তারপর ইরিডিয়াম প্লাগ লাগিয়ে মাইলেজ ৩৮ পাই। প্রথমত চেইন নিয়ে যথেস্ট সমস্যায় ছিলাম,ধন্যবাদ এসিআই কে চেন্জ করে দেয়ার জন্য। বাইকের টায়ারটা আমার সবচেয়ে বেশী ভাল্লাগে। কর্নারিংয়ে যথেষ্ট সাপোর্ট দেয় মোটা চাকা। সাউন্ড নিয়ো কিছুদিন ভুগছি ।

yamaha fazer fi v2 user review

ট্যাপেড অ্যাডজাস্ট করিয়ে সামান্য সমাধান পাইছি। এখন এই সাউন্ডেই অভ্যস্ত। বাইকের আরেকটি বড় গুন হচ্ছে, ওকে খুব সহজেই থামিয়ে ফেলা যায় যা আমাকে যথেস্ট কসফিডেন্স দিয়ে থাকে।পিলিয়ন সিট জোস। মাঝে মাঝে বন্ধুকে চালাতে দিয়ে পিছনের সীটের মজা নিতাম।

স্পীড নিয়ে একটু মাথা ব্যাথা আমারো আছে। পিলিয়ন নিলে বাইক কেমন যেন যাইতেই চায় না। তবে হ্যা, সিংগেলে টপ স্পীড পাইছি ১২১ কিমি/ঘন্টা, আর পিলিয়ন সহ ১১৬ কিমি/ঘন্টা । দুটোই ঢাকা -ময়মনসিংহ রোডে। তবে হ্যা, স্পিড উঠতে অনেক বেশী টাইম লাগে। রেডি পিকাপ কম, হাইওয়েতে ওভারটেক করার সময় প্যারা লাগে।

খুব একটা লং ট্যুর দেয়া হয়নি। ৪ বার ঢাকা-ময়মনসিংহ, ১৫-১৬ বার ঢাকা-টাংগাইল,একবার বগুরা,রংপুর,মানিকগন্জ,গাজিপুর, সিরাজগঞ্জ এইতো এটুকুই।

yamah fazer fi v2 price

বাইকের লুক, সিটিং পজিশন জোস। একটানা ২৫০ কিমি চালিয়েও বেডে শুয়ে পরতে হয় না। রাব্বি ভাই ঠিকি বলছিলো, বাইকের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে, এই বাইক চালালে অন্য বাইক একটুও ভাল্লাগে না। বাইকের রেডি পিকাপটা আরেকটু বেশী থাকলে, উফ। কিছুদিন আরপিএম নিয়ে ভুগছি।

কোনভাবেই অ্যাডজাস্ট করাতে পারছি না আবার সার্ভিস সেন্টারে যাওয়ার সময় ইচ্ছা কোনটাই পাচ্ছি না। আরেকটি কথা, সার্ভিস সেন্টারের অবস্থা যথেস্ট খারাপ। টোটাল ৪ টা সার্ভিসিং করাইছি। ফ্রি সার্ভিস ক্যাম্পে সাইফুল ভাই যথেস্ট ভালো কাজ করছে । বাকি তিনটা টাংগাইল থেকে, ভালো সার্ভিস পাইনি।

yamaha fazer fi v2 150cc

তবে যাই হোক। আমি সন্তুষ্ট, সন্তুষ্ট Yamaha Fazer FI V2 নিয়ে । ধন্যবাদ সবাইকে।

 

লিখেছেনঃ প্রান্তীয় প্রান্ত

About Arif Raihan opu

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*