Bajaj Caliber Croma 115 মালিকানা রিভিউ – বাশার শাহীন

আমি মোঃ তাহেরুল বাশার শাহীন,বান্দরবান পার্বত্য জেলায় আমার বর্তমান ঠিকানা। বাইকের প্রতি নেশা ছোটবেলা থেকেই।যখন ক্লাস ১/২ এ পড়ি,তখন আব্বু তার HONDA CDI 100 বিক্রয় করে সেকেন হ্যান্ড Bajaj Caliber Croma 115 কিনে ফেলে স্কুলে যাওয়ার সময় আব্বুর সাথে বাইকেই যেতাম,আসতাম। তখন থেকেই মোটামুটি ক্লাচ,পিক আপ,গিয়ার,ব্রেক ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে থাকলাম।    আব্বুও মাঝে মাঝে এগুলোর কাজ ও ব্যবহার বলত।তারপর ক্লাস সেভেনে একদিন বাইক চালানো শিখে ফেলি এই Bajaj Caliber Croma দিয়েই।আগে থেকে কিছু কিছু জানার ফলে ২ দিনেই বাইক চালানো মোটামুটি শিখে ফেললাম। আজ আমি ক্লাস টেনে পড়ি,এখনো এই বাইকটিই চালাচ্ছি। পাহাড়ি রাস্তায় এখনো ৪০-৪৫ মাইলেজ পাই। রোডে একা চালালে এখনো…

Review Overview

User Rating: 4.4 ( 1 votes)
আমি মোঃ তাহেরুল বাশার শাহীন,বান্দরবান পার্বত্য জেলায় আমার বর্তমান ঠিকানা। বাইকের প্রতি নেশা ছোটবেলা থেকেই।যখন ক্লাস ১/২ এ পড়ি,তখন আব্বু তার HONDA CDI 100 বিক্রয় করে সেকেন হ্যান্ড Bajaj Caliber Croma 115 কিনে ফেলে স্কুলে যাওয়ার সময় আব্বুর সাথে বাইকেই যেতাম,আসতাম। তখন থেকেই মোটামুটি ক্লাচ,পিক আপ,গিয়ার,ব্রেক ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে থাকলাম।
 bajaj caliber croma 115 price in bd
 আব্বুও মাঝে মাঝে এগুলোর কাজ ও ব্যবহার বলত।তারপর ক্লাস সেভেনে একদিন বাইক চালানো শিখে ফেলি এই Bajaj Caliber Croma দিয়েই।আগে থেকে কিছু কিছু জানার ফলে ২ দিনেই বাইক চালানো মোটামুটি শিখে ফেললাম। আজ আমি ক্লাস টেনে পড়ি,এখনো এই বাইকটিই চালাচ্ছি। পাহাড়ি রাস্তায় এখনো ৪০-৪৫ মাইলেজ পাই। রোডে একা চালালে এখনো ১০৫ স্পিড উঠে এবং এটিই আমার তোলা হাইস্ট স্পিড।
Bajaj Caliber Croma 115 হচ্ছে ১১১.৬সিসি এয়ারকুল্ড, ৪স্ট্রোক, সিঙ্গেল সিলিন্ডার বিশিষ্ট ইঞ্জিন। সিলিন্ডারটি দুটি ভালব যুক্ত। ইঞ্জিন থেকে ৯.৬বিএইচপি @৮,০০০আরপিএম এবং ৯.১টর্ক @৬,৫০০আরপিএম পাওয়ার দিতে সক্ষম। বাইকটি শুধু মাত্র কিক স্টার্ট দেয়া হয়েছে। এছাড়া ইঞ্জিনটির সাথে ৪ স্পিড গিয়ারবক্স যুক্ত করা হয়েছে। বাইকটি ওডোমিটার সম্পূর্ন এনালগ। এছাড়া বাইকটি ওজনে ১১৮কেজি। মোটরসাইকেলটির ফুয়েল ধারন ক্ষমতা হচ্ছে প্রায় ১৪ লিটার।
 bajaj caliber croma 115 price
Bajaj Caliber Croma 115 – ৫টি ভাল দিক:
১:কন্ট্রোল খুবই স্মুথলি করা যায়
২.ইঞ্জিন অতটা গরম হয় না।
৩.গিয়ার সিফটিংও খুব স্মুথলি করা যায়।
৪.থার্ড গিয়ারে খুব আস্তেও চালানো যায়,তাই বাজার বা লোকসমাগমপূর্ণ স্থানে চালাতে অতটা সমস্যা হয় না।
৫।বাইক অনেক্ষণ চালালেও আনকম্ফোরটেবল ফিলিং হয় না।
Bajaj Caliber Croma 115 – ৫টি খারাপ দিক:
১.হঠাৎ করে বাইকটির সাথে অনভ্যস্ত কারো চালাতে প্রচুর সমস্যা হবে।
২.সুইচ স্টার্ট নেই।
৩.গাড়ি ১ম গিয়ার হতে মাঝেমাঝে আপনা আপনি নিউট্রাল হয়ে যায়।
৪.৩/৪ জন নিয়ে চালালে চেনে প্রবলেম হয়।
৫.অল্প উঁচু রাস্তাতেও গিয়ার কমিয়ে চালাতে হয়।
বাইকটির বয়স মোট ১৩ বছর চলছে। বাইকটি নিয়ে আব্বু বেশ কয়েকবার রাঙামাটি থেকে কুমিল্লা আসা যাওয়া করেছে।
তাছাড়া প্রতি সপ্তাহেই বান্দরবান থেকে রাঙামাটি আসা যাওয়া হয়। বাইকটি রেগুলার ইউস এর জন্যই পারফেক্ট, রেসিং এর জন্য ন্য।সবমিলিয়ে একটি ক্লাসিক বাইক বলা যেতে পারে।বাইকটি চালাতে অত্যন্ত ধৈর্য প্রয়োজন।
লিখেছেনঃ মোঃ তাহেরুল বাশার শাহীন

About Arif Raihan opu

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*