হোন্ডা এক্স ব্লেড ফিচার রিভিউ – টিম বাইকবিডি

হোন্ডা এক্স ব্লেড  ইন্ডিয়ান অটো এক্সপোতে  লঞ্চ করা হয়। আর এই বাইকটি বাংলাদেশের অনেক বাইকারদের নজর কেড়েছে । বাইকটিতে হোন্ডা সিবি হর্নেট ১৬০আর এর ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে। তাই বাংলাদেশে হোন্ডা এক্স ব্লেড লঞ্চ হতে কোন বাধা নেই । Honda CB Hornet 160R  এর ফার্স্ট ইমপ্রেশন ভিডিও হোন্ডা এক্স ব্লেড এর ইঞ্জিন হোন্ডা সিবি হর্নেট ১৬০আর এর মত ১৬৩সিসি এয়ার কুল্ড ইঞ্জিন কিন্তু ইঞ্জিনটি ডিটিউন করা। ইঞ্জিন থেকে প্রায় ১৩.৯৩ বিএইচপি এবং ১৩.৯এনএম টর্ক উতপন্ন করতে সক্ষম । এছাড়াও ইঞ্জিনে ৫ গিয়ার যুক্ত করা হয়েছে। বাইকটির সব থেকে বড় পরিবর্তন হল এর ফুল এলইডি হেডলাইট আপফ্রন্ট । এটা ভাল সংবাদ…

Review Overview

User Rating: 3.36 ( 4 votes)

হোন্ডা এক্স ব্লেড  ইন্ডিয়ান অটো এক্সপোতে  লঞ্চ করা হয়। আর এই বাইকটি বাংলাদেশের অনেক বাইকারদের নজর কেড়েছে । বাইকটিতে হোন্ডা সিবি হর্নেট ১৬০আর এর ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে। তাই বাংলাদেশে হোন্ডা এক্স ব্লেড লঞ্চ হতে কোন বাধা নেই ।

Honda CB Hornet 160R  এর ফার্স্ট ইমপ্রেশন ভিডিও


হোন্ডা এক্স ব্লেড

হোন্ডা এক্স ব্লেড এর ইঞ্জিন হোন্ডা সিবি হর্নেট ১৬০আর এর মত ১৬৩সিসি এয়ার কুল্ড ইঞ্জিন কিন্তু ইঞ্জিনটি ডিটিউন করা। ইঞ্জিন থেকে প্রায় ১৩.৯৩ বিএইচপি এবং ১৩.৯এনএম টর্ক উতপন্ন করতে সক্ষম । এছাড়াও ইঞ্জিনে ৫ গিয়ার যুক্ত করা হয়েছে।

বাইকটির সব থেকে বড় পরিবর্তন হল এর ফুল এলইডি হেডলাইট আপফ্রন্ট । এটা ভাল সংবাদ যে এক্স ব্লেডের হেড লাইট হোন্ডা সিবি হর্নেটের মত এসি ইউনিট হেডলাইট নয়।

honda x blade 160 Engine

হোন্ডা এই এক্স ব্লেডের ক্ষেত্রে বাইকটির ট্যাংক স্কুপ বড় করেছে । ফুয়েল ট্যাংক প্রায় ১২ লিটার ফুয়েল নিতে সক্ষম । এছাড়াও হোন্ডা সিবিআর১৫০আর  থেকে নেওয়া হয়েছে স্পিডোমিটার । বাইকে কোন স্প্লিট সিট নেই কিন্তু আপরাইট রাইডিং পজিশন এর জন্য রড হ্যান্ডেল বার রয়েছে ।

বাইকটির এলইডি টেইল লাইট এবং রিয়ার গ্রাব রেইল এর ডিজাইন ও দেখতে বেশ এ্যাগ্রেসিভ টাইপের ।  কিছুটা হতশার বিষয় হচ্ছে যে, হোন্ডা এলইডি ইন্ডিকেটরস কোন চেঞ্জ নিয়ে আসেনি। বাইকটির ফ্রন্ট সাস্পেশন কনভেনশনাল টেলিস্কোপ এবং রেয়ারে মনোশক সাস্পেশন হোন্ডা হর্নেট এর মত ।

honda x blade in bangladesh

বাইকটির ফ্রন্ট টায়ার ৮০/১০০ যেখানে রেয়ার টায়ার ১৩০/৭০ । বাইকটির ওজন প্রায় ১৪০ কেজি এবং ফ্রন্টে ২৭৬ মি.মি. ডিস্ক ব্রেক এবং রিয়ারে ড্রাম ব্রেক । বাইকটির টায়ারের সাথে মার্ড গার্ড , হ্যাজার্ড ইন্ডিকেটরস লাইট এবং ডুয়েল আউটলেট সাইলেন্সার রয়েছে যেটা আমরা  সুজুকি জিক্সারের ক্ষেত্রে দেখিনি।

x blade price in bangladesh

বাইকটির দাম ইন্ডিয়াতে হোন্ডা সিবি হর্নেট১৬০আর এর চেয়ে কম কিন্তু আমাদের মনে হয় যে বাংলাদেশে পালসার ১৫০ ডিটিএসআই এবং এ্যাপাচি আরটিআর ১৬০ এর মত বাইকের সাথে প্রতিযোগীতা দিতে পারবে। যদিও আমরা এখনও জানি না যে বাইকটির দাম কেমন হবে তবুও আমাদের ধারনা অনু্যায়ী বাইকটির দাম প্রায় বাজাজ পালসার ১৫০ ডিটিএসআই এবং টিভিএস এ্যাপাচি আরটিআর ১৬০ এর মত হতে পারে ।

অতএব আমাদের সাথে থাকুন এবং আমাদের সাইট ফলো করুন, ফেজবুক ফ্যান পেজে লাইক দিন এবং অবশ্যই ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করবেন । নিরাপদে থাকুন এবং নিরাপদে রাইড করুন । ধন্যবাদ সবাইকে ।

About Arif Raihan opu

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*