বাজাজ পালসার ১৫০সিসি ১০,৫০০কিমি মালিকানা রিভিউ – আব্দুল কাদের

আপনাদের সাথে আজ আমি আমার বাজাজ পালসার ১৫০সিসি Bs4 নিয়ে কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার করবো। আমার বাইক ১০৫০০+কিলো রানিং। এর ভাল খারাপ দিক নিয়ে কিছু বলতে চাই, যদিও আমি খুব অভিজ্ঞ বাইকার না, তবুও নিজের কিছু ধারণা থেকে নিজের কিছু কথা শেয়ার করবো। প্রথমেই বাইকের সাথে জরিয়ে থাকা কিছু কথা বলতে চাই, বাইক মোটামুটি ৮/৯ বছর যাবৎ চালাই তবে সেটা নিয়মিত ছিল না কারণ আমার নিজের বাইক ছিল না। একজন  নিয়মিত বাইকার আর মাঝে মাঝে চালানো বাইকার এর ভিতর অনেক তফাত সেটা আপনারা ভাল ভাবেই জানেন। যাই হোক এবার মূল কথাই আসি, এর মাঝে গত ২০১৭ সালের শুরুর দিকে একটি পুরাতন…

Review Overview

User Rating: 3.43 ( 61 votes)

আপনাদের সাথে আজ আমি আমার বাজাজ পালসার ১৫০সিসি Bs4 নিয়ে কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার করবো। আমার বাইক ১০৫০০+কিলো রানিং। এর ভাল খারাপ দিক নিয়ে কিছু বলতে চাই, যদিও আমি খুব অভিজ্ঞ বাইকার না, তবুও নিজের কিছু ধারণা থেকে নিজের কিছু কথা শেয়ার করবো।

বাজাজ পালসার ১৫০সিসি pulsar 150cc

প্রথমেই বাইকের সাথে জরিয়ে থাকা কিছু কথা বলতে চাই, বাইক মোটামুটি ৮/৯ বছর যাবৎ চালাই তবে সেটা নিয়মিত ছিল না কারণ আমার নিজের বাইক ছিল না। একজন  নিয়মিত বাইকার আর মাঝে মাঝে চালানো বাইকার এর ভিতর অনেক তফাত সেটা আপনারা ভাল ভাবেই জানেন।

bajaj pulsar 150 price in bangladesh

যাই হোক এবার মূল কথাই আসি, এর মাঝে গত ২০১৭ সালের শুরুর দিকে একটি পুরাতন পালসার ১৫০ সিসি কিনতে সক্ষম হই,  তবে তা বেশিদিন ধরে রাখতে পারিনি। আবারও  কিছু দিনের জন্য অবসরে যেতে হয়। শেষমেশ গত ৩১/০৮/২০১৭ তে নতুন বাজাজ পালসার ১৫ সিসি Bs4 মডেলটা কিনতে সফল হয়। বর্তমান বাইকটির বয়স আট (৮) মাস এবং ১০,৫০০+ কিলো চালিয়েছি এর মাঝে কিছু ধারণা চলে আসছে বাইকটি সম্পর্কে যা আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

bajaj pulsar 150

বাজাজ পালসার ১৫০সিসি এর ভাল দিকঃ

১) বাইকটির লুক আমাকে মুগ্ধ করেছে যা সব বয়সি সবার সাথেই মানান সই।

২) এর মাইলেজও খারাপ না। আমি লক্ষ করে দেখেছি এভারেজ ৫০+ পাই।

৩) যদিও এটি Sports বাইক না, তবুও এর গতি কম বলা যাবে না।

৪) এর কন্ট্রোল এর দিক থেকে আমি মনে করি অনেক ভালো যা আমি প্রমাণ পেয়েছি।

৫) এর টপ স্পিড যদি বলতে যাই তাহলে এখনও ঐ ভাবে চেক করা হয়নি তবে আমি ১০৬ কিলোতে তুলেছিলাম তারপর আর সুযোগ হয়নি।

৬) এর সিট পজিশন খুবই ভাল যা সিটি এবং হাইওয়ে রাইডের জন্য উপযোগী। বিশেষ করে লং জার্নিতে খুব আরাম দেয়।

bajaj pulsar 150 price bd

বাজাজ পালসার ১৫০সিসি এর কিছু খারাপ দিকঃ

১) এর হেড লাইট এর আলো হাইওয়েতে রাইড করার জন্য পারফেক্ট মনে হয়নি আমার কাছে।

২) এর চাকা গুলি আরো নির্ভরযোগ্য করার দরকার ছিল।

৩) এর রিয়ার সাসপেনশন এর মান আরও ভাল করলে আরে বেশি আরাম পাওয়া যাবে।  ভাঙ্গা রাস্তায় চলতে গেলে খুব বাজে শব্দ করে যা খুবই বিরক্ত লাগে আমার কাছে।

৪) লং টাইম রাইড করলে ইঞ্জিন খুবই গরম হয় যা খুবই বিরক্তিকর।

৫) এর গিয়ার সিফর্টিং বেশি কমফোর্টেবল মনে হয় নি। গিয়ার সিস্টেম আরো স্মুথ করা দরকার।

মোটামুটি ১০,৫০০+ কিলো চলতেছে এর মাঝে তেমন কোন সমস্যা খুজে পাইনি। অনেকেই বলে এই মডেলটির ব্যাটারী ভাল না তবে আমি কোন সমস্যা খুজে পাইনি এখনো এবং সাধারণ সার্ভিস ব্যাতিত অন্য কোন সার্ভিস বা যন্ত্রাংশ পরিবর্তন করতে হয় নি। সবদিক থেকে আমি আমার বাজাজ পালসার ১৫০সিসি নিয়ে অনেক খুশি। ভাল থাকবেন, সবসময় হেলমেট পরে বাইক চালাবেন।

লিখেছেনঃ মোঃ আব্দুল কাদের

About Arif Raihan opu

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*