ঈদে বাজাজ মোটরসাইকেলে ছাড়!

বিক্রি ও দেশব্যাপী সার্ভিস সেন্টারের সংখ্যার দিক থেকে বাজাজ মোটরসাইকেল বাংলাদেশের এক নম্বর ব্র্যান্ড। বর্তমানে দেশীয় মোটরসাইকেল মার্কেটের ১০০-১৫০ সিসি সেগমেন্টে ৬০ শতাংশই তাদের দখলে। তাছাড়া তরুণদের কাছে বাজাজ পালসার তো ব্যাপক জনপ্রিয় একটি বইক। তাদের হিসাবে দেশের রাস্তায় বর্তমানে প্রায় ১ লক্ষ ৬০ হাজার পালসার চলছে। এর মধ্যে সম্প্রতি বাজারে ছাড়া পালসার এএস১৫০ও রয়েছে। আর এই সংখ্যা প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে। তাছাড়া শুধু ১৫০ সিসি’ই নয়, ১২৫ সিসি সেগমেন্টও বাজাজ ডিসকভার বাজারে এক নম্বর অবস্থানে রয়েছে। বলে রাখি, এই ডিসকভার দিয়েই আমার বাইক চালানোর হাতেখড়ি! যাহোক, ১৫০ ও ১২৫ এর পাশাপাশি ১০০ সিসি’তে বাজাজের প্লাটিনা ও সিটি১০০ খুবই জনপ্রিয়। এমনকি…

Review Overview

User Rating: 4.9 ( 2 votes)

বিক্রি ও দেশব্যাপী সার্ভিস সেন্টারের সংখ্যার দিক থেকে বাজাজ মোটরসাইকেল বাংলাদেশের এক নম্বর ব্র্যান্ড। বর্তমানে দেশীয় মোটরসাইকেল মার্কেটের ১০০-১৫০ সিসি সেগমেন্টে ৬০ শতাংশই তাদের দখলে। তাছাড়া তরুণদের কাছে বাজাজ পালসার তো ব্যাপক জনপ্রিয় একটি বইক। তাদের হিসাবে দেশের রাস্তায় বর্তমানে প্রায় ১ লক্ষ ৬০ হাজার পালসার চলছে। এর মধ্যে সম্প্রতি বাজারে ছাড়া পালসার এএস১৫০ও রয়েছে। আর এই সংখ্যা প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে।

বাজাজ ঈদ ডিসকাউন্ট তাছাড়া শুধু ১৫০ সিসি’ই নয়, ১২৫ সিসি সেগমেন্টও বাজাজ ডিসকভার বাজারে এক নম্বর অবস্থানে রয়েছে। বলে রাখি, এই ডিসকভার দিয়েই আমার বাইক চালানোর হাতেখড়ি! যাহোক, ১৫০ ও ১২৫ এর পাশাপাশি ১০০ সিসি’তে বাজাজের প্লাটিনাসিটি১০০ খুবই জনপ্রিয়। এমনকি বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এগুলোকে ভাড়াভিত্তিতে জনপরিবহন হিসেবেও ব্যবহার করা হয়।

অন্যদিকে পালসার এএস১৫০ তো বাজাজের সর্বকালের অন্যতম সেরা একটি বাইক। এটা ইয়ামাহা আর১৫ ভি২ এর সমান শক্তি উৎপন্ন করতে পারে এবং এর টর্ক ভারতীয় হোন্ডা সিবিআর১৫০আর এর চেয়েও বেশি। ভ্রমণের জন্য এএস১৫০ খুবই জনপ্রিয় একটি বেইকে পরিণত হয়েছে। তাছাড়া এর বিল্ড কোয়ালিটিও অনেক ভালো।

যেসব কারণে বাজাজ দেশের সেরা বাইক বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে সেগুলো হলো :

  • ভারতীয় কোম্পানিগুলোর মধ্যে বাজাজই সবচেয়ে আকর্ষণীয় বাইক বানায়।
  • সারা দেশজুড়ে ২৫৪টিরও বেশি সার্ভিস সেন্টার, যার ফলে জরুরি সেবা ও খুচরা যন্ত্রাংশ পাওয়া সহজ হয়।
  • ভারতের অন্য কোম্পানির তুলনায় খুচরা যন্ত্রাংশের দাম অনেক কম।
  • বাংলাদেশ জুড়ে ১৫টি ব্রাঞ্চ অফিস রয়েছে।
  • সর্বোপরি ক্রেতাদের সন্তুষ্টি সর্বাধিক।

বাজাজ পালসার ঈদ ডিসকাউন্ট অফারতরুণদের কাছে বাজাজের সবচেয়ে জনপ্রিয় বাইক হচ্ছে বাজাজ পালসার ডিটিএসআই ইউজি ৪.৫। এটাকেই ১৫০ সিসি’র সবেচেয়ে সুন্দর বাইক বলা হয় এখনো। তাছাড়া এটাই সবচেয়ে বেশি বিক্রিত। বাজাজ বর্তমানে এই বাইকটিতে ঈদ উপলক্ষে ৭৫০০ টাকা ছাড় দিয়েছে। ফলে বাইকটি বর্তমানে ১৯২,০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর পাশাপাশি বাজাজ প্রতি সপ্তাহে দুই জন সৌভাগ্যবান ক্রেতাকে লটারিতে দুইটি পালসার উপহার দিচ্ছে।

>>বাংলাদেশে বাজাজের সকল শোরুম দেখতে ক্লিক করুন

আসল কথা হলো, রমজান মাসে যেকোনো মডেলের বাজাজ মোটরসাইকেল কিনলেই ক্রেতা একটি কুপন পাবেন এবং সপ্তাহ শেষে উত্তরা মোটরস ড্র করে দুই জন ভাগ্যবান বিজয়ীকে দুটি পালসার উপহার দিবে। তবে এজন্য ক্রেতাকে সম্পূর্ণ নগদে বাইক কিনতে হবে এবং অথোরাইজড ডিলারের কাছ থেকে নিতে হবে।

বাজাজ মোটরসাইকেলের বর্তমান মূল্য তালিকা

মডেলবর্তমান মূল্যঈদ অফার
প্লাটিনা ইএস১২৯,০০০লটারি কুপন
ডিসকভার ১২৫১৬৮,০০০লটারি কুপন
ডিসকভার ১৫০এফ১৭৭,০০০লটারি কুপন
পালসার এএস১৫০২৪১,৫০০লটারি কুপন
পালসার ১৫০ ডিটিএসআই১৯৯,০০০৭০০০ টাকা ছাড়

এই ডিসকাউন্ট অফার চলবে আগামী ৫ জুলাই ২০১৬ পর্যন্ত। আরেকটা তথ্য জানিয়ে রাখি, খুব শীঘ্রই বাজাজ বাংলাদেশে মোটরসাইকেল সংযোজন থেকে উৎপাদন শুরু করতে যাচ্ছে। এটা সত্যিই খুব আনন্দের যে মোটরসাইকেল কোম্পানিগুলো রমজান মাসকে গুরুত্ব দিয়ে অনেক ছাড় দিচ্ছে। যাতে করে মানুষ বাইক কিনে তাদের ঈদকে আরো রাঙিয়ে তুলতে পারে।

এই আর্টিকেলটি পূর্বে ইংরেজিতে প্রকাশ করা হয়েছিলো।

About শুভ্র সেন

সবাইকে শুভেচ্ছা । আমি শুভ্র,একজন বাইকপ্রেমী । ছোটবেলা থেকেই মোটরসাইকেলের প্রতি আমার তীব্র আগ্রহ রয়েছে । যখন আমি আমার বাড়ির আশেপাশে কোন মোটরসাইকেলের ইঞ্জিনের শব্দ শুনতে পেতাম, আমি তৎক্ষণাৎ মোটরসাইকেলটি দেখার জন্য ছুটে যেতাম ।২ বছর ধরে গবেষণা ও পরিকল্পনার পর আমি এই ব্লগটি তৈরী করি । আমার লক্ষ্য হল বাইক ও বাইক চালানো সম্পর্কে বাংলাদেশের মানুষের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেয়া । সবসময় নিরাপদে বাইক চালান । আপনার বাইক চালানো শুভ হোক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*