অকশনে কেনা বাইক রেজিস্ট্রেশন করার পদ্ধতি

অকশনে কেনা বাইক রেজিস্ট্রেশন করার পদ্ধতি

অকশনে কেনা বাইক রেজিস্ট্রেশন করার পদ্ধতিঃ
যে কোন অকশন(থানা, কাস্টমস)
১। পেপার কাটিং (Paper Cutting)
২। সি.এস. কপি/ তুলনামূলক বিবরণী (C.S. Copy
৩। সর্বোচ্চ দরপত্র গ্রহণ
৪। বিক্রয় আদেশ
৫। বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক কর্তৃক সিসি নির্ধারণ
৬। টাকা জমার রশিদ সমূহ
৭। কাস্টমস অফিসারের মন্তব্য
৮। কাস্টমস অফিসারের ছাড়পত্র
৯। কাস্টমস ডেলিভারী অর্ডার
১০। কাস্টমস ডেলিভারী মেমো
১১। কাস্টমস ডেলিভারী ইনভয়েস
১২। নিলাম ক্রেতার অঙ্গিকারনামা
১৩। বিক্রেতার ১৫০ টাকার এফিডেভিট
১৪। ক্রেতার ১৫০ টাকার এফিডেভিট
১৬। টি.ও , টি.টি.ও , বিক্রয় রশিদ
১৭। ক্রেতার টি.আই.এন. সার্টিফিকেট
১৮। মোটরযান পরিদর্শক কর্তৃক গাড়িটি সরেজমিনে পরিদর্শন ।
১৯। এইচ ফরম পূরণ
২০। পরিচালক(ইঞ্জিঃ) বিআরটিএ এর অনুমোদন
২১। টাকা জমার রশিদ সমূহ
এরপর রেজিস্ট্রেশন করার প্রক্রিয়া সাধারণ বাইক রেজিস্ট্রেশন
প্রক্রিয়ার মতই।

শুভ্র সেন

সবাইকে শুভেচ্ছা । আমি শুভ্র,একজন বাইকপ্রেমী । ছোটবেলা থেকেই মোটরসাইকেলের প্রতি আমার তীব্র আগ্রহ রয়েছে । যখন আমি আমার বাড়ির আশেপাশে কোন মোটরসাইকেলের ইঞ্জিনের শব্দ শুনতে পেতাম, আমি তৎক্ষণাৎ মোটরসাইকেলটি দেখার জন্য ছুটে যেতাম ।২ বছর ধরে গবেষণা ও পরিকল্পনার পর আমি এই ব্লগটি তৈরী করি । আমার লক্ষ্য হল বাইক ও বাইক চালানো সম্পর্কে বাংলাদেশের মানুষের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেয়া । সবসময় নিরাপদে বাইক চালান । আপনার বাইক চালানো শুভ হোক

We will be happy to hear your thoughts

      Leave a reply

      BikeBD
      Logo